আঠারো বছর বয়স- সুকান্ত ভট্টাচার্য
আঠারো বছর বয়স
সুকান্ত ভট্টাচার্য
আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ
স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি,
আঠারো বছর বয়সেই অহরহ
বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি।
আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়
পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা,
এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়-
আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা।
এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য
বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে,
প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য
সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।
আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর
তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা,
এ বয়সে প্রাণ তীব্র আর প্রখর
এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা।
আঠারো বছর বয়স যে দুর্বার
পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান,
দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার
ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ।
আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে
অবিশ্রান্ত; একে একে হয় জড়ো,
এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে
এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো।
তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি,
এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে,
বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী
এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে।
এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়
পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে,
এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয়-
এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে ॥
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার উৎস নির্দেশ: |
|---|
|
সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত তাঁর ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার শব্দার্থ ও টীকা: |
|---|
|
➠ আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ- এ বয়স মানবজীবনের এক উত্তরণকালীন
পর্যায়। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণ করে মানুষ এ বয়সে। অন্যদের ওপর
নির্ভরশীলতা পরিহার করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিতে হয় তাকে।
এসময় থেকে তাকে এক কঠিন ও দুঃসহ অবস্থায় পড়তে হয়। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার পাঠ-পরিচিতি: |
|---|
|
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বয়ঃসন্ধিকালের
বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরেছেন। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এ বয়সটি
উত্তেজনার, প্রবল আবেগ ও উচ্ছ্বাসে জীবনের ঝুঁকি নেবার উপযোগী। এ বয়স
অদম্য দুঃসাহসে সকল বাধা-বিপদকে পেরিয়ে যাওয়ার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে
মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার জন্য প্রস্তুত। এদের ধর্মই হলো আত্মত্যাগের
মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া, আঘাত-সংঘাতের মধ্যে রক্তশপথ নিয়ে
ঝাঁপিয়ে পড়া। পাশাপাশি সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের
অভিঘাতে হয়ে উঠতে পারে এরা ভয়ংকর।
|
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার কবি পরিচিতি: |
|---|
|
সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট। তাঁর পৈতৃক
নিবাস গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়। তাঁর পিতার নাম নিবারণচন্দ্র
ভট্টাচার্য, মায়ের নাম সুনীতি দেবী। ছোটবেলা থেকেই সুকান্ত ছিলেন
অত্যন্ত রাজনীতি-সচেতন। তিনি ‘দৈনিক স্বাধীনতা’র কিশোরসভা অংশের
প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এর সম্পাদকের দায়িত্ব
পালন করেছেন। সুকান্ত তাঁর কাব্যে অন্যায়-অবিচার শোষণ-বঞ্চনার
বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বিপ্লব ও মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন। বাংলাদেশের
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে তাঁর কবিতা মুক্তিকামী বাঙালির মনে বিশেষ
শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে। ছাড়পত্র(১৯৪৭) তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
ঘুম নেই(১৯৫০), পূর্বাভাস(১৯৫০); ছড়াগ্রন্থ: মিঠেকড়া;
নাটিকা: অভিযান(১৯৫৩); ছোটগল্প: হরতাল ইত্যাদি। তিনি
ফ্যাসিবিরোধী লেখক শিল্পী সংঘের পক্ষে ‘আকাল’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ
সম্পাদনা করেন। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন: |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
প্রশ্ন- ১. আমরা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে কোন যুগের বিদ্রোহী কবি
বলতে পারি? |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার অনুধাবনমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
প্রশ্ন- ১. কবিতার বিষয়বস্তু হিসেবে সুকান্ত ভট্টাচার্য কেন আঠারো
বছর বয়সকে নির্ধারণ করেছেন?
প্রশ্ন- ২. কোন বয়সকে মানবজাতির উত্তরণকালীন বয়স বলা হয় এবং কেন?
প্রশ্ন- ৩. ‘বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে’-কারা? বুঝিয়ে লেখো।
প্রশ্ন- ৪. কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতা অনুযায়ী
তারুণ্যের আত্মত্যাগ কেমন হওয়া উচিত?
প্রশ্ন- ৫. কীভাবে আঠারো বছর বয়স জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে
পারে?
প্রশ্ন- ৬. ‘বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে’ একথা দিয়ে সুকান্ত ভট্টাচার্য
কী বোঝাতে চেয়েছেন?
প্রশ্ন- ৭. “আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ” -কেন?
প্রশ্ন- ৮. ‘রক্তদানের পুণ্য’ কথাটির অর্থ লেখো।
প্রশ্ন- ৯. আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর কেন?
প্রশ্ন- ১০. ‘আঠারো বছর বয়স’ বলতে কী শুধু বয়সকে বোঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন- ১১. কবি আঠারো বছর বয়সকে দুঃসহ বলেছেন কেন?
প্রশ্ন- ১২. “এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়” -কথাটি দ্বারা কবি কী
বুঝিয়েছেন?
প্রশ্ন- ১৩. আঠারো বছর বয়স মাথা নোয়াবার নয় কেন?
প্রশ্ন- ১৪. “পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে” -লাইনটি দিয়ে ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায়
কী বোঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন- ১৫. এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে। কোন বয়স এবং কী করে?
প্রশ্ন- ১৬. বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী-এ কথার অর্থ কী?
প্রশ্ন- ১৭. আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
প্রশ্ন- ১৮. এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয় কোন বয়স এবং কেন?
প্রশ্ন- ১৯. আঠারো বছর বয়সের ভয় নেই কেন?
প্রশ্ন- ২০. সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে-এ কথার অর্থ কী?
প্রশ্ন- ২১. “আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা” কথাটির মাধ্যমে কবি কী বোঝাতে
চেয়েছেন?
প্রশ্ন- ২২. তারুণ্যের ইতিবাচক দিক ও নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধর।
প্রশ্ন- ২৩. তরুণেরা ভীরু কাপুরুষ নয় কেন?
প্রশ্ন- ২৪. আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর কেন?
প্রশ্ন- ২৫. এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাস-কেন কালো?
প্রশ্ন- ২৬. ‘আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
প্রশ্ন- ২৭. ‘স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ২৮. আঠারো বছর বয়সের সাথে দুঃসাহসের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ২ আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর ভাঙতে চায় কেন?
প্রশ্ন- ২৯. 'আঠারো বছর বয়স মাথা নোয়াবার নয় – কেন?
প্রশ্ন- ৩০. ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য’ এ কথার তাৎপর্য কী?
প্রশ্ন- ৩১. ‘তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন- ৩২. ‘এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে'- ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৩৩. ‘তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'– সপ্রসঙ্গ পক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৩৪. ‘এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে’– কেন?
প্রশ্ন- ৩৫. ‘এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে?'- বুঝিয়ে দাও।
প্রশ্ন- ৩৬. ‘এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৩৭. কবি কেন যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন?
প্রশ্ন- ৩৮. আঠারো বছর বয়সে জীবনে বিপর্যয় নেমে আসার আশঙ্কা থাকে কেন?
প্রশ্ন- ৩৯. কবি চেতনায় আঠারো বছর বয়সকে প্রত্যাশার কারণ কী? ব্যাখ্যা
করো।
প্রশ্ন- ৪০. কীভাবে আঠারো বছর বয়স জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে
পারে?
প্রশ্ন- ৪১. আঠারো বছর বয়সকে কেন মানবজীবনের উত্তরণকালীন পর্যায় বলা হয়?
প্রশ্ন- ৪২. আঠারো বছর বয়সি তারুণ্য ঝুঁকি নিতে চায় কেন?
প্রশ্ন- ৪৩. ‘আঠারো বছর বয়স' কবিতা অনুযায়ী তারুণ্যের আত্মত্যাগ কেমন হওয়া
উচিত?
প্রশ্ন- ৪৪. আমাদের দেশের তরুণরা জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হতে পারছে না
কেন?
প্রশ্ন- ৪৫. 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবির যে অনুভবের প্রকাশ ঘটেছে তা নিজের
ভাষায় লেখো।
প্রশ্ন- ৪৬. আঠারো বছর বয়স দুর্যোগে হাল ঠিক রাখতে পারে না কেন?
প্রশ্ন- ৪৭. "এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।"- কবির এ প্রত্যাশার কারণ
ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৪৯. 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি।'- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৫০. আঠারো বছর বয়সকে কবি 'দুঃসহ' বলেছেন কেন?
প্রশ্ন- ৫১. 'সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে'- এখানে তরুণদের কোন বিশেষ দিকটির
প্রতি ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে? বুঝিয়ে বলো।
প্রশ্ন- ৫২. "এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা।"-লাইনটিতে কবি কী বুঝাতে
চেয়েছেন?
প্রশ্ন- ৫৩. "এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।" এ কথার তাৎপর্য কী?
প্রশ্ন- ৫৪. কবি কেন যৌবন শক্তির জয়গান গেয়েছেন?
প্রশ্ন- ৫৫. ‘আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
প্রশ্ন- ৫৬. আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
প্রশ্ন- ৫৭. ‘স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি।’- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৫৮. আঠারো বছর বয়সের সঙ্গে স্পর্ধা শব্দটি জড়িয়ে আছে কেন?
প্রশ্ন- ৫৯. আঠারো বছর বয়সের সাথে দুঃসাহসের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৬০. আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর ভাঙতে চায় কেন?
প্রশ্ন- ৬১. ‘আঠারো বছর বয়স মাথা নোয়াবার নয়’ – কেন?
প্রশ্ন- ৬২. ‘আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা’ – কথাটির মাধ্যমে কবি কী বোঝাতে
চেয়েছেন?
প্রশ্ন- ৬৩. ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য’- এ কথার তাৎপর্য কী?
প্রশ্ন- ৬৪. ‘বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে’- এ কথা দিয়ে সুকান্ত
ভট্টাচার্য কী বোঝাতে চেয়েছেন?
প্রশ্ন- ৬৫. ‘শপথের কোলাহল’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?- ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৬৬. ‘তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন- ৬৭. ‘এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা’- ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৬৮. ‘ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ’- ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৬৯. ‘এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে’- ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৭০. ‘তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি’ - প্রসঙ্গ পক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৭১. ‘এ বয়স বাচে দুর্যোগে আর ঝড়ে’– কেন?
প্রশ্ন- ৭২. ‘বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী’ বলতে কী বোঝো?
প্রশ্ন- ৭৩. ‘এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে?’- বুঝিয়ে দাও।
প্রশ্ন- ৭৪. ‘পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে’– কেন?
প্রশ্ন- ৭৫. ‘এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।’- ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৭৬. কবি কেন যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন?
প্রশ্ন- ৭৭. আঠারো বছর বয়সে কীরূপ অনুভূতি মনকে ঘিরে রাখে?
প্রশ্ন- ৭৮. দুর্যোগ ও দুর্বিপাক মোকাবিলায় কবি তারুণ্যের কী ধরনের
বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন?
প্রশ্ন- ৭৯. আঠারো বছর বয়সে জীবনে বিপর্যয় নেমে আসার আশঙ্কা থাকে কেন?
প্রশ্ন- ৮০. কবি চেতনায় আঠারো বছর বয়সকে প্রত্যাশার কারণ কী? ব্যাখ্যা
করো।
প্রশ্ন- ৮১. কীভাবে আঠারো বছর বয়স জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে
পারে?
প্রশ্ন- ৮২. কবিতার বিষয়বস্তু হিসেবে সুকান্ত ভট্টাচার্য আঠারো বছর বয়সকে
নির্ধারণ করেছেন কেন?
প্রশ্ন- ৮৩. আঠারো বছর বয়সকে কেন মানবজীবনের উত্তরণকালীন পর্যায় বলা হয়?
প্রশ্ন- ৮৪. আঠারো বছর বয়সি তারুণ্য ঝুঁকি নিতে চায় কেন?
প্রশ্ন- ৮৫. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতা অনুযায়ী তারুণ্যের আত্মত্যাগ কেমন হওয়া
উচিত?
প্রশ্ন- ৮৬. আমাদের দেশের তরুণরা জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হতে পারছে না
কেন?
প্রশ্ন- ৮৭. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবির যে অনুভবের প্রকাশ ঘটেছে তা নিজের
ভাষায় লেখো।
প্রশ্ন- ৮৮. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি তরুণদের প্রাণের কোন চিত্র তুলে
ধরেছেন? বুঝিয়ে লেখো। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. কোন বয়সে দুঃসাহসেরা উঁকি দেয়? |
|
ক. আঠারো বছর বয়সে দুঃসাহসেরা উঁকি দেয়।
গ. উদ্দীপকের সুজনের মাঝে ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার ‘এ বয়স কালো লক্ষ
দীর্ঘশ্বাসে/ এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো’র দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ. ‘নানা সমস্যাপীড়িত আমাদের দেশে তারুণ্য ‘যৌবনশক্তি’ যেন জাতীয়
জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়’ এ ইতিবাচক আশাবাদ দেশ ও জাতির জন্য
অবশ্যই কল্যাণকর। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কোন সময় বা বয়স বিপদের মুখে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে? |
|
ক. ‘আঠারো বছর বয়স’ বিপদের মুখে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
গ. তমালের ছোটচাচা তাকে অনেক ভর্ৎসনা করল, কিন্তু তারপরও সে কাঁদল
না, কেননা তার মনে হয়েছে সে যেটা করেছে সেটা সঠিক।
ঘ. “আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা”- উক্তিটির মাধ্যমে কবি বুঝিয়েছেন
যে, এ বয়সে মানুষ দুর্মর যৌবনের আলোকচ্ছটায় আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে ওঠে।
স্বাধীনভাবে জীবনের মুখোমুখি দাঁড়ায়। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার রচয়িতার মৃত্যুসাল কত? |
|
ক. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার রচয়িতা সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯৪৭ সালে
মাত্র ২১ বছর বয়সে প্রয়াণ লাভ করেন।
গ. উদ্দীপকে দেখা যায়, রায়ান নামের এক তরুণ নিজের জীবনকে ঝুঁকির মুখে
ফেলে একটি শিশুর জীবন বাঁচিয়েছে। তার এই আত্মত্যাগের অনুপ্রেরণা তার
মাঝে অপরের কল্যাণে নিজের জীবনকে বিলিয়ে দেবার উদার আকাক্সক্ষার
প্রকাশ ঘটেছে।
ঘ. আঠারো বছর বয়সে তরুণরা মানবতার কল্যাণ শপথে আত্মাকে সঁপে দেয়। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কোন বয়স ভীরু আর কাপুরুষ নয়? |
|
ক. আঠারো বছর বয়স ভীরু আর কাপুরুষ নয়।
গ. অনিক পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল করতে ব্যর্থ হলো, কারণ সে নিয়মিত
পড়াশুনা করেনি।
ঘ. আঠারো বছর বয়স মানুষের যৌবনের প্রারম্ভের কাল। এ সময় জীবনতরীর হাল
শক্ত করে ধরতে হয় এবং সুচিন্তিত উপায়ে ভবনদীতে তরী বাইতক. হয়। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. কবি বাংলাদেশের কল্যাণ কামনায় কোন বয়সের আবির্ভাব প্রত্যাশা
করেছেন? |
|
ক. বাংলাদেশের কল্যাণ কামনায় কবি বাংলার বুকে আঠারো বছর বয়সের
আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন।
গ. শিক্ষকেরা হলেন মানুষ গড়ার কারিগর, জাতির বিবেক। আর একজন
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের ক্ষেত্রে এ কথাটি আরো সত্য। তাই তাঁর কাছে
জাতির প্রত্যাশাও অনেক। জাতি তাঁর কাছে দেশ ও সমাজ পরিচালনার
দিকনির্দেশনা প্রত্যাশা করে।
ঘ. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তারুণ্যের ইতিবাচক
ও নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরেছেন এবং ইতিবাচক দিকের প্রতি বেশি
গুরুত্ব দিয়েছেন। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম এবং মৃত্যু সাল লেখ। |
|
ক. সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এবং
১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে মাত্র একুশ বছর বয়সে তাঁর অকালমৃত্যু হয়।
গ. অনুচ্ছেদে ‘কঠোর গদ্য’ বলতে কঠিন তীব্র সংগ্রামকে নির্দেশ করা
হয়েছে, যেখানে কবিতার কোমলতার কোনো স্থান নেই। কবি ‘আঠারো বছর বয়স’
কবিতায় জড় নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পিছনে ফেলে নতুন জীবন রচনার
স্বপ্ন, কল্যাণ ও সেবাব্রত, উদ্দীপনা ও চলার দুর্বার গতিকে আহ্বান
করেছেন। এদিক থেকে অনুচ্ছেদে উদ্ধৃত কঠোর গদ্য ও আঠারো বছর বয়স
কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি তারুণ্যের জয়গান গেয়েছেন। তিনি
তারুণ্যের কঠোর, সাহসী, উদ্দীপ্ত, দুর্বার রূপটি ফুটিয়ে তুলেছেন
কবিতায়। অনুচ্ছেদেও এই ভাবটি ব্যক্ত হয়েছে। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. আঠারো বছর বয়স কবিতায় ‘আঠারো’ শব্দটি কতবার ব্যবহৃত হয়েছে? |
|
ক. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় আঠারো শব্দটি নয় বার ব্যবহৃত হয়েছে।
গ. অনুচ্ছেদে বাঙালি জাতিকে দুর্বল, ভীরু আর অলস বলা হয়েছে। কিন্তু
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় ‘বিরাট দুঃসাহসেরা’ বলতে নির্ভিক, অকুতোভয়,
সাহসী তরুণদের নির্দেশ করা হয়েছে।
ঘ. বাঙালি জাতি যেমন দুর্বল ও নিরীহ, তেমনি তাদের ক্রিয়াকলাপও
সহজসরল। অপরদিকে আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা সকল জরাজীর্ণতাকে অতিক্রম
করে দুর্বার গতিতে পথ চলে। প্রগতি ও অগ্রগতির পথে নিরন্তর ধাবমানতাই
এ বয়সের বৈশিষ্ট্য। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটির প্রকাশকাল কত? |
|
ক. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
গ. অনুচ্ছেদে ‘দুর্বিনীত’ অর্থ যে বিনীত নয় অর্থাৎ যে মাথা নোয়াবার
নয়। আর কবিতার ‘দুঃসাহস’ বলতে তরুণদের অত্যধিক সাহস বা অন্যায় সাহসকে
বোঝানো হয়েছে।
ঘ. অনুচ্ছেদে কবি কোনো এক বীরের বীরত্বপূর্ণ পথ চলা নির্দেশ করেছেন।
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি উদ্দামতা ঋদ্ধ তরুণদের দুঃসাহসের সাথে পথ
চলাকে নির্দেশ করেছেন। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘ঝড়’ শব্দটির ব্যুৎপত্তি নির্দেশ কর। |
|
ক. ‘ঝড়’ শব্দটি এসেছে ‘ঝঞ্ঝা’ থেকে। ঝড় ঝঞ্ঝা।
গ. কোনো কিছুর সৃষ্টির মূলে রয়েছে প্রেরণা। আর এই প্রেরণার উৎস হচ্ছে
তারুণ্য। আঠারো বছর বয়সে মানুষ তারুণ্য শক্তির অধিকারী হয়ে ওঠে। ফলে
এ সময়ই তারা নতুন নতুন আবিষ্কারে মেতে ওঠে।
ঘ. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি মনের যৌবন নয়, দেহের যৌবনের কথাই
ব্যক্ত করেছেন। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. দৈনিক পত্রিকা ‘স্বাধীনতা’র কিশোর সভা অংশের প্রতিষ্ঠাতা কে
ছিলেন? |
|
ক. দৈনিক পত্রিকা ‘স্বাধীনতা’র কিশোর সভা অংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য।
গ. দীর্ঘদিনের পরনির্ভরশীলতার বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে এসে
আত্মনির্ভশীলতার আলোয় নিজেকে আলোকিত করতে হিমেল দৃঢ় প্রত্যয়ী।
ঘ. উদ্দীপকের হিমেলের আত্মনির্ভর হওয়ার যে ইঙ্গিত পরিলক্ষিত হয় তা
তার তারুণ্যের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য তথা আত্মা-প্রত্যয়ী হয়ে
স্বাধীনভাবে জীবনের মুখোমুখি দাঁড়ানোর অভিপ্রায়েরই পরিণতি। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. আঠারো বছর বয়স বাঁচে কোন শক্তির সাথে মোকাবেলা করে? |
|
ক. আঠারো বছর বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ের সাথে মোকাবেলা করে।
গ. প্রদত্ত উদ্দীপকে নজরুল স্যারের মিতভাষণে তরুণ বয়সের বৈশিষ্ট্য
উঠে এসেছে। কৈশোরের সীমা পার হলেই যে বয়সটা পায় মানুষ, সেটা
তারুণ্য।
ঘ. কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য যখন ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি রচনা
করেন তখন ভারতবর্ষ পরাধীন। এত বড় একটা উপমহাদেশ। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. আঠারো বছর বয়স কবিতার উৎস কি? |
|
ক. ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থের কবিতা ‘আঠারো বছর
বয়স।’
গ. তারুণ্যের কাছে প্রত্যাশা অনেক। যাঁরা বৃদ্ধ, তারা সংস্কার আর
শতাব্দী প্রাচীন ধ্যান-ধারণার কাছে দায়বদ্ধ।
ঘ. তারুণ্য মানে আলোয় স্নাত হওয়া, তারুণ্য মানে অনগ্রসরতার দেয়াল
ডিঙোনো, তারুণ্য মানে দৃপ্ত পদক্ষেপ-তারুণ্য মানে সীমানা না মানা। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক ও শিল্পী সংঘের পক্ষে সুকান্ত ভট্টাচার্য
সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের নাম কী? |
|
ক. ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক ও শিল্প সংঘের পক্ষে সুকান্ত ভট্টাচার্য
সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের নাম ‘আকাল’। গ. সামাজিক বৈষম্য ও ভেদাভেদ তথা অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে রুহুলের মতো প্রাণবন্ত তরুণদের হৃদয়ে ফুটে ওঠা ক্ষোভই তাদের প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা তারুণ্যের ধর্ম। যে কোনো অন্যায়-অবিচার দেখলে তরুণরা ক্ষ্ব্ধু হয়ে ওঠে। সামাজিক বৈষম্য আর ভেদাভেদও তরুণদের প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে। তারুণ্যের এ সকল বৈশিষ্ট্য উপস্থাপিত হয়েছে কবি সুকান্ত ভট্টচার্যের ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায়। আর তারুণ্যের অনুুরূপ বৈশিষ্ট্যগুলো প্রতিফলন আমরা রুহুলের ক্ষেত্রেও দেখতে পাই। রুহুল একদিন কলেজ থেকে ফেরার সময় দেখতে পায় যে, রেস্টুরেন্ট-এর মালিক ছোট কাজের ছেলেটিকে প্রচণ্ড মারছে। রুহুল এগিয়ে গিয়ে জানতে পারল একটি সামান্য কাপ অসাবধানতাবশত: ভেঙ্গে ফেলার কারণে ছেলেটিকে এই শাস্তি দেয়া হচ্ছে। তখন রুহুলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়, কারণ রেস্টুরেন্ট মালিক যা করছিলেন সেটি অমানবিক ব্যাপার। সামান্য একটি কাপের জন্য তিনি ছেলেটিকে যেভাবে মারছিলেন তা সামাজিক ভেদাভেদের আর বৈষম্যেরই প্রমাণ। তখন রুহুল শিশুশ্রম ও শিশু নির্যাতনের দায়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার ভয় দেখালে মালিক ছেলেটিকে ছেড়ে দেয়। এমনিভাবে রুহুলের মতো প্রাণবন্ত তরুণেরা সামাজিক বৈষম্যের আর ভেদাভেদের বিরুদ্ধে সব সময় রুখে দাঁড়ায়। অন্যায়কে মেনে নেয়াটা তারুণ্যের ধর্ম নয়। বরং অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে অদম্য সাহসে প্রতিরোধ গড়াটাই তরুণদের সহজাত স্বভাব। পুরাতনকে ভেঙ্গে নতুন কিছু সৃষ্টি করার ধৃষ্টতা তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য। তাই এই তারুণ্য সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্তব্য কর্মে। এভাবে সকল অন্যায়-অবিচার, সামাজিক বৈষম্য আর ভেদাভেদ উদ্দীপকের রুহুলের মতো প্রাণবন্ত তরুণদের প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের রুহুল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার মূল আবেদনকে ফুটিয়ে তুলেছে। ঘ. উদ্দীপকে অফুরন্ত প্রাণশক্তির অধিকারী রুহুলের বয়সের যুবকরাই নিজেদের মুক্ত চিন্তা-চেতনার জগতকে উন্মোচিত করে সমাজ সচেতন হয়ে একটি সুন্দর সামাজিক ব্যবস্থা উপহার দিতে পারে। ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তরুণদের তারুণ্যদীপ্ত এ বৈশিষ্ট্যগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন। অফুরন্ত প্রাণশক্তি আর অদম্য দুঃসাহসে এই তরুণেরা রুখে দেয় সকল অন্যায় আর অবিচার। চারপাশের অন্যায়-অত্যাচার, শোষণ-পীড়ন, সামাজিক ভেদাভেদ আর বৈষম্য তাদের চিন্তা-চেতনাকে প্রভাবিত করে। তারা প্রাণে যন্ত্রণা উপশম করার জন্য অস্থির হয়ে পড়ে এবং নতুন উদ্যমে উদ্ধত অভিমানে অন্যায়, অসত্য আর অসাম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। এভাবে তরুণেরা সামাজিক ভেদাভেদ, বৈষম্য আর সকল শোষণ দূর করে ছিনিয়ে আনতে চায় ন্যায়ের বিজয়। তারুণ্যের এসব বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটেছে উদ্দীপকের রুহুলের জীবনেও। রুহুলকেও আমরা দেখতে পাই, সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠতে। সামান্য কাপ ভাঙ্গার কারণে রেস্টুরেন্ট মালিক তার কাজের ছেলেটিকে যখন প্রচণ্ডভাবে মারছিল তখন রুহুল এগিয়ে যায় অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য। কারণ সে মনে করে এভাবে একটি ছোট শিশুকে নির্যাতন করা যেমন অমানবিক তেমনি অপরাধও বটে। আর এটি তার মুক্ত চিন্তা-চেতনার বহিঃপ্রকাশ। স্বভাবতই রুহুলের মতো তরুণের পক্ষে চোখের সামনে এ ধরনের অন্যায় দেখে নীরব থাকা সম্ভব নয়। তাই সে ভয়-ভীতিকে উপেক্ষা করে হাত-বাড়ায় শিশুটির দিকে। অবশেষে সে শিশুশ্রম ও শিশু নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে মালিকের হাত থেকে শিশুটিকে রক্ষা করে। সে সমাজ সচেতন না হলে এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে পারত না। কারণ সমাজে লোকদের মধ্যে সচেতনতা থাকলেই এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া করতে পারে। এভাবে রুহুলের বয়সের তরুণেরাই সমাজের ইতিবাচক-নেতিবাচক দিকগুলো সম্পর্কে অবহিত হয়ে নিজের চিন্তার জগতকে জাগ্রত করে এগিয়ে যায় অন্যায়ের প্রতিবাদে। এটিই তারুণ্যের মূলকথা। তাই আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে রুহুলের এই ভূমিকা যেমন তারুণ্যের জয় তেমন অত্যন্ত প্রশংসনীয়ও বটে। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. আঠারো বছর বয়স কি জানে না? |
|
ক. আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা। গ. প্রদত্ত উদ্দীপকে এদেশের তরুণ সমাজের আত্মত্যাগের জন্য উদ্বুদ্ধ ও শপথ দৃপ্ত হওয়ার ইংগিত বিদ্যমান। দেশে যখন কোন বিজয় দরকার হয়েছে তখন তরুণরাই এসে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে। বায়ান্ন, ঊনসত্তর, একাত্তর এমনকি ঊনিশশো নব্বই-এসবের দিকে মনোযোগ দিলে এ বক্তব্যের যথার্থতা পাওয়া যায়। ভাষার মর্যাদা সমুন্নত রাখতে যেয়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারিতে বুলেটের সামনে নিজেকে মেলে ধরেছিল তরুণ যুবা মানুষগুলো। তাঁদের সেই ত্যাগের সুফল আজকের বাংলাভাষার ঋদ্ধি। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে প্রাণ দিয়েছিলেন অনেক তাজা তরুণ। এ দেশের গণমানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে, এ দেশের জননেতাদের বিরুদ্ধে আনীত মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার ও তাদের মুক্তির দাবিতে, স্বাধিকারের জন্য জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আহুত আন্দোলনে প্রাণ দিয়েছে তরুণ যুবারাই। এরপর একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মবলি দিয়েছিলেন অনেক তরুণ, অনেক যুবা। স্বাধীনতার লাল সূর্যকে তারা ছিনিয়ে এনেছে রক্তের বিনিময়ে। নব্বই-এর স্বৈরাচার বিরোধী গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই বিলিয়ে দিয়েছে প্রাণ। দেশকে করেছিল অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী শাসনমুক্ত। এভাবে যখনই দেশে সঙ্কটজনক অধ্যায় সৃষ্টি হয়েছে তখনই জীবনের বিনিময়ে সে সঙ্কটকে কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে তরুণ। উদ্দীপকে যে দৃশ্যকল্প বর্ণিত হয়েছে, তার সাথে আমাদের জাতীয় জীবনের গৌরবময় সোনালি দিনগুলোর সাদৃশ্য বিদ্যমান। ঘ. প্রদত্ত উদ্দীপকে একজন ত্যাগী নেতা ও একজন শিক্ষকের মিতভাষণের মধ্যদিয়ে আঠারো বছর বয়সী তরুণের প্রয়োগিকতা ও তাদের ত্যাগের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। আঠারো বছর বয়সে তারুণ্যের যে বিকাশ ঘটে তা উল্লেখযোগ্য নানা বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল, দীপ্তিমান। কৈশোর থেকে যৌবনে পা রাখার এই বয়সটি উত্তেজনায় প্রবল, আবেগ ও উচ্ছ্বাসে উন্নত। এ বয়সের তরুণেরা ঝুঁকি নেয় মনের দাবি মেটাতে গিয়ে। আঠারো বছর বয়স, অদম্য দুঃসাহসে সকল বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে যাওয়ার ও অন্যায় অসুন্দরের বিরুদ্ধে মাথা সমুন্নত করে দাঁড়াবার বয়স। তারুণ্য অকুতোভয়। সে প্রবল দুঃসাহসিকতার পরিচয় দেয়। দেশ, জাতি, মানবতার জন্য বিভিন্ন সময়ে তরুণরাই এগিয়ে গেছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। মানবতার জন্য ক্ষতিকর অপশক্তিকে মোকাবেলা করেছে তারা। প্রাণ দিয়েছে দেশ জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের জন্য। এ বয়স জানে রক্ত দানের পুণ্য। দিয়েছে অকাতরে। ছিনিয়ে এনেছে বিজয়। এ বয়সের গতি, বাষ্পের বেগে স্টিমার যেমন দ্রুত চলে, তেমন। তরুণ স্বপ্ন দেখে। সে স্বপ্ন নতুন জীবনের অগ্রগতি সাধনের। স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য দরকার সংগ্রামের। সংগ্রামে অবতীর্ণ হওয়ার জন্য দরকার শপথ। তারুণ্য বিনা দ্বিধায় কল্যাণের শপথ নিয়ে এগিয়ে চলে কর্মক্ষেত্রে। করণীয় নির্ধারণের পর নতুন শপথে বলীয়ান হয়ে সে এগিয়ে যায় দৃঢ়দীপ্ত পদক্ষেপে। শপথের মধ্যে সততা থাকায় সে শপথ ব্যর্থ হয় না বরং থাকে আত্মবিশ্বাসের দীপ্তি। দেশ, জাতি, মানুষের কল্যাণের জন্য সব পিছুটান পেছনে ফেলে আত্মোৎসর্গের জন্য শপথ দীপ্ত হয় তরুণ। তারপর অর্জন করে কাক্সিক্ষত বিজয়। বৃহত্তর মানবতা ভোগ করে তরুণের ত্যাগের ফসল। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. তরুণের গতি সম্পর্কে আঠারো বছর বয়স কবিতার ভাষ্য কী? |
|
ক. তরুণ ‘বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে।’
গ. আঠারো বছর বয়স কবিতায় যেখানে তারুণ্যের নেতিবাচক দিক উন্মোচিত
হয়েছে তার সাথে উদ্দীপকটির সাযুজ্য রয়েছে। কবিতায় বলা হয়েছে- ঘ. আন্তর বৈশিষ্ট্যে তরুণরা আবেগপ্রবণ। তারা আবার প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর। আবেগ বহিঃপ্রকাশের দিক দিয়ে তারা প্রখর চেতনা সমৃদ্ধ। গতি তাদের তীব্র। সবকিছুতে গতি, প্রখরতা, প্রাচুর্য ইত্যাদি থাকলেও এখানে তারা কোমল। সেটা হল তাদের হৃদয়বৃত্তি। হৃদয়বৃত্তি কোমল বলে কোন একটি অনুভবে খুব সহজেই আবিষ্ট হয়ে পড়ে তারা। এর নাম আবেগপ্রবণতা। আবেগপ্রবণ থাকে বলে কোন সদর্থক অনুপ্রেরণায় যেমন অনুপ্রাণিত হয় তরুণ, কোন নেতিবাচক উদ্দীপকও অনুপ্রাণিত করে তাদের। ফলে খুব সহজেই ক্ষতিকর সড়কে পা ফেলে তারা। মন্দ মতবাদীরা তরুণের প্রাণশক্তির এই দুর্বল দিককে কাজে লাগিয়ে তাদেরকে ভুল করতে অনুপ্রাণিত করে থাকে। কোনো বাহ্যিক স্বার্থকে বা ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থকে তরুণের স্বার্থের সাথে একীভূত করে তরুণকে তার উদ্দেশ্য সাধনে প্ররোচিত করে। ধর্ম, নীতি, আদর্শ, মূল্যবোধ, প্রলোভন, ভীতি-এসব অনুঘটকের বীজ তরুণের মনের মধ্যে অনুপ্রবেশ করিয়ে স্বীয় স্বার্থ রক্ষা করে সুযোগ সন্ধানী অপশক্তি। আবেগের প্রাবল্যে, প্রাণের চাহিদার আত্যন্তিকতায় ভারসাম্য হারিয়েও ভুল করতে পারে তরুণ। তরুণের এটি সহজাত প্রাণধর্ম। এই সহজাত প্রাণধর্মকে অনুচিত উদ্দেশ্যে কাজে লাগিয়ে সহজেই নঞর্থক উদ্দেশ্য সাধন করে অন্য কেউ। আবেগ যুক্তি মানে না। আবেগের চূড়ান্তে পৌঁছে মানুষ আর যুক্তির ধার ধারে না। মূল্যবোধ, ঔচিত্যবোধ, মানবতাবোধ এসব বিষয় তখন ফিকে হয়ে যায় তার কাছে। তরুণদের ক্ষেত্রে এই কাজটা করা খুবই সহজ-তাদের মনের গঠনের জন্য। এভাবে নেতিবাচক শক্তি তরুণকে প্রভাবিত করে-তাদের মন্দ অভিপ্রায়ের বাস্তবায়ন ঘটায়। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে? |
|
ক. ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য।
গ. উদ্দীপকে অর্নপের আচরণে তারুণ্যের কোনো স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য ফুটে
ওঠেনি বলে তার আচরণ ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যের
বিপরীত।
ঘ. উদ্দীপকের অর্নপের মতো প্রতিবাদে অক্ষম তরুণদের দেশের কল্যাণে
জেগে ওঠা একান্ত জরুরি। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. আঠারো বছর বয়স কবিতায় আঠারো শব্দটি কতবার উচ্চারিত হয়েছে? |
|
ক. আঠারো বছর বয়স কবিতায় আঠারো শব্দটি ৯ বার উচ্চারিত হয়েছে।
গ. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সাথে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত
‘যৌবনের গান’-এর সাযুজ্য বিদ্যমান।
ঘ. তারুণ্য যা আঠারো বছর বয়সের দান, জীবনের সোনালি সোপান। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. আঠারো বছর বয়স কবিতাটি মূলত কীসের জয়গান গায়? |
|
ক. আঠারো বছর বয়স মূলত তারুণ্যের জয়গান করে।
গ. তারুণ্য বা যৌবন মানব জীবনের এক স্বর্ণসময়। বাল্যের অসহায়
পরনির্ভরশীল অবস্থা কাটিয়ে এ সময় মানুষ আত্মমুকুরে নিজেকে দেখে।
ঘ. তারুণ্য একটি আশীর্বাদ প্রত্যেকের জীবনে। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. আঠারো বছর বয়সে প্রাণের প্রকৃতি লেখো। |
|
ক. আঠারো বছর বয়সে তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা।
গ. তারুণ্য, সকল অসুন্দরের বিরুদ্ধে, অসত্যের বিরুদ্ধে, অসাম্যের
বিরুদ্ধে সংগ্রামে লিপ্ত।
ঘ. তরুণরা উচ্ছল, উজ্জ্বল প্রাণবন্ত। তরুণ আনন্দের প্রতিনিধিত্ব
করে। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে কেমন ভাবে? |
|
ক. আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে অবিশ্রান্ত।
গ. তারুণ্য, জীবনের সোনালি সোপান। জীবনে সফলতার জন্য দরকার কর্ম।
ঘ. কিশোর কবি হিসেবে সম্মানিত কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য। মাত্র একুশ
বছর বয়সে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে? |
|
ক. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘ছাড়পত্র’
কাব্যগ্রন্থ হতে নেয়া হয়েছে। গ. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সের বন্দনা করেছেন, যা সিগমন্ড ফ্রয়েডের সাইকো এনালাইটিক তত্ত্বের বিপরীত ভাষ্য। ঘ. এরিক-এরিকসনের সাইকো-সোস্যাল তত্ত্বে বলা হয়েছে, আঠারো বছর বয়সে মানুষ সমাজের উন্নতির জন্য প্রতিবাদী হয়ে ওঠে, আবার সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধাচরণও করে। অর্থাৎ এ বয়স ঝুঁকিপূর্ণ, ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায়ও কবি এ কথাই বলতে চেয়েছেন। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. আঠারো বছর বয়সে অহরহ কী উঁকি দেয়? |
|
ক. আঠারো বছর বয়সে অহরহ বিরাট দুঃসাহসেরা উঁকি দেয়। গ. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় এবং উদ্দীপকে তরুণদের দিক-নির্দেশনাস্বরূপ আঠার বছর বয়সের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের নানা দিক প্রস্ফুটিত হয়েছে। ঘ. ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার প্রশ্নোল্লিখিত উক্তিটিতে এবং উদ্দীপকের নবীনদের মাঝে তারুণ্যের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। |
| ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. মাথা তোলার ঝুঁকি নেয়া হয় কোন বয়সে? |
|
ক. মাথা তোলার ঝুঁকি নেয়া হয় আঠার বছর বয়সে। গ. কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর ‘আঠার বছর বয়স’ কবিতা ও এর আলোকে রচিত উদ্দীপকে তারুণ্য ও যৌবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে। ঘ. নবসৃষ্টির প্রেরণায় ব্রত তারুণ্য ও যৌবনশক্তিকে লালন করা হয়েছে ‘আঠার বছর বয়স’ কবিতা ও উদ্ধৃত উদ্দীপকটিতে। |
| তথ্যসূত্র: |
|---|
|
১. সাহিত্য পাঠ: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ড, ঢাকা, ২০২৬। ২. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, এপ্রিল, ২০১৮। ৩. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ১৮তম, ২০১৫। |
