বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১। যশের জন্য লিখিবেন না। তাহা হইলে যশও হইবে না, লেখাও ভালো হইবে না। লেখা ভালো হইলে যশ আপনি আসিবে।
২। টাকার জন্য লিখিবেন না। ইউরোপে এখন অনেক লোক টাকার জন্যই লেখে এবং টাকাও পায়; লেখাও ভালো হয়। কিন্তু আমাদের এখনও সে দিন হয় নাই। এখন অর্থের উদ্দেশ্যে লিখিতে গেলে, লোকরঞ্জন-প্রবৃত্তি প্রবল হইয়া পড়ে। এখন আমাদিগের দেশের সাধারণ পাঠকের রুচি ও শিক্ষা বিবেচনা করিয়া লোকরঞ্জন করিতে গেলে রচনা বিকৃত ও অনিষ্টকর হইয়া উঠে।
৩। যদি মনে এমন বুঝিতে পারেন যে, লিখিয়া দেশের বা মনুষ্যজাতির কিছু মঙ্গল সাধন করিতে পারেন অথবা সৌন্দর্য সৃষ্টি করিতে পারেন, তবে অবশ্য লিখিবেন। যাঁহারা অন্য উদ্দেশ্যে লেখেন, তাঁহাদিগকে যাত্রাওয়ালা প্রভৃতি নীচ ব্যবসায়ীদিগের সঙ্গে গণ্য করা যাইতে পারে।
৪। যাহা অসত্য, ধর্মবিরুদ্ধ; পরনিন্দা বা পরপীড়ন বা স্বার্থসাধন যাহার উদ্দেশ্য, সে সকল প্রবন্ধ কখনও হিতকর হইতে পারে না, সুতরাং তাহা একেবারে পরিহার্য। সত্য ও ধর্মই সাহিত্যের উদ্দেশ্য। অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী-ধারণ মহাপাপ।
৫। যাহা লিখিবেন, তাহা হঠাৎ ছাপাইবেন না। কিছু কাল ফেলিয়া রাখিবেন। কিছু কাল পরে উহা সংশোধন করিবেন। তাহা হইলে দেখিবেন, প্রবন্ধে অনেক দোষ আছে। কাব্য নাটক উপন্যাস দুই এক বৎসর ফেলিয়া রাখিয়া তারপর সংশোধন করিলে বিশেষ উৎকর্ষ লাভ করে। যাঁহারা সাময়িক সাহিত্যের কার্যে ব্রতী, তাঁহাদের পক্ষে এই নিয়ম রক্ষাটি ঘটিয়া উঠে না। এজন্য সাময়িক সাহিত্য, লেখকের পক্ষে অবনতিকর।
৬। যে বিষয়ে যাহার অধিকার নাই, সে বিষয়ে তাহার হস্তক্ষেপ অকর্তব্য। এটি সোজা কথা কিন্তু সাময়িক সাহিত্যতে এ নিয়মটি রক্ষিত হয় না।
৭। বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করিবেন না। বিদ্যা থাকিলে, তাহা আপনিই প্রকাশ পায়, চেষ্টা করিতে হয় না। বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা পাঠকের অতিশয় বিরক্তিকর এবং রচনার পরিপাট্যের বিশেষ হানিজনক। এখনকার প্রবন্ধে ইংরাজি, সংস্কৃত, ফরাসি, জার্মান কোটেশন বড় বেশি দেখিতে পাই। যে ভাষা আপনি জানেন না, পরের গ্রন্থের সাহায্যে সে ভাষা হইতে কদাচ উদ্ধৃত করিবেন না।
৮। অলংকার-প্রয়োগ বা রসিকতার জন্য চেষ্টিত হইবেন না। স্থানে স্থানে অলংকার বা ব্যঙ্গের (পরিহাস, বিদ্রুপ) প্রয়োজন হয় বটে; লেখকের ভাণ্ডারে এ সামগ্রী থাকিলে, প্রয়োজন মতে আপনিই আসিয়া পৌঁছিবে- ভাণ্ডারে না থাকিলে মাথা কুটিলেও আসিবে না। অসময়ে বা শূন্য ভাণ্ডারে অলংকার প্রয়োগের বা রসিকতার চেষ্টার মতো কদর্য আর কিছুই নাই।
৯। যে স্থানে অলংকার বা ব্যঙ্গ বড় সুন্দর বলিয়া বোধ হইবে, সেই স্থানটি কাটিয়া দিবে, এটি প্রাচীন বিধি। আমি সে কথা বলি না। কিন্তু আমার পরামর্শ এই যে, সে স্থানটি বন্ধুবর্গকে পুনঃ পুনঃ পড়িয়া শুনাইবে। যদি ভালো না হইয়া থাকে, তবে দুই চারি বার পড়িলে লেখকের নিজেরই আর উহা ভালো লাগিবে না-বন্ধুবর্গের নিকট পড়িতে লজ্জা করিবে। তখন উহা কাটিয়া দিবে।
১০। সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার সরলতা। যিনি সোজা কথায় আপনার মনের ভাব সহজে পাঠককে বুঝাইতে পারেন, তিনিই শ্রেষ্ঠ লেখক। কেন না লেখার উদ্দেশ্য পাঠককে বুঝানো।
১১। কাহারও অনুকরণ করিও না। অনুকরণে দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না। অমুক ইংরাজি বা সংস্কৃত বা বাঙ্গালা লেখক এইরূপ লিখিয়াছেন, আমিও এরূপ লিখিব, এ কথা কদাপি মনে স্থান দিও না।
১২। যে কথার প্রমাণ দিতে পারিবে না, তাহা লিখিও না। প্রমাণগুলি সংযুক্ত করা সকল সময়ে প্রয়োজন হয় না, কিন্তু হাতে থাকা চাই।
বাঙ্গালা সাহিত্য, বাঙ্গালার ভরসা। এই নিয়মগুলি বাঙ্গালার লেখকদিগের দ্বারা রক্ষিত হইলে, বাঙ্গালা সাহিত্যের উন্নতি বেগে হইতে থাকিবে।
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের উৎস নির্দেশ: |
|---|
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ‘প্রচার’ পত্রিকায়, ১৮৮৫ সালে; পরে এটি তাঁর ‘বিবিধ প্রবন্ধ’ (দ্বিতীয় ভাগ) নামক গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের শব্দার্থ ও টীকা: |
|---|
|
➠ যশ- সুখ্যাতি, সুনাম, কীর্তি। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের পাঠ-পরিচিতি: |
|---|
| বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উনিশ শতকীয় বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে পরিচিত। ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনাটি সাধু রীতিতে লেখা এই প্রবন্ধটি আকারে ছোটো হলেও চিন্তার মৌলিকত্বে অসাধারণ। বক্তব্যের তাৎপর্য বিচার করলে প্রবন্ধটির রয়েছে সর্বকালীন বৈশ্বিক আবেদন। নতুন লেখকদের প্রতি তিনি যে পরামর্শ এখানে উপস্থাপন করেছেন তার প্রতিটি বক্তব্যই পালনযোগ্য। খ্যাতি বা অর্থের উদ্দেশ্যে লেখা নয়; লিখতে হবে মানুষের কল্যাণ সাধন কিংবা সৌন্দর্য সৃষ্টির অভিপ্রায়ে। বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, অসত্য, নীতি-নৈতিকতা বিরোধী কিংবা পরনিন্দার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা স্বার্থতাড়িত লেখা পরিহার করা বাঞ্ছনীয়। তিনি বলতে চান, নতুন লেখকরা কিছু লিখে তাৎক্ষণিকভাবে না ছাপিয়ে কিছুদিন অপেক্ষা করে পুনরায় পাঠ করলে লেখাটি সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। যার যে বিষয়ে অধিকার নেই সে বিষয়ে লেখার চেষ্টা করা যেমন অনুচিত তেমনি লেখায় বিদ্যা জাহির করার প্রবণতাকেও তিনি নিন্দনীয় বলে মনে করেছেন। অনুকরণবৃত্তিকেও দূষণীয় বলেছেন। অনাবশ্যকভাবে লেখার সৌষ্ঠব বৃদ্ধি বা পরিহাস করার চেষ্টাও তাঁর কাছে কাম্য নয়। সারল্যকেই তিনি সকল অলংকারের মধ্যে শ্রেষ্ঠ অলংকার বলে মনে করেছেন। সর্বোপরি বস্তুনিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এভাবে এই ছোট লেখাটিতে তিনি লেখকের আদর্শ কী হওয়া উচিত তা অত্যাবশ্যকীয় শব্দ প্রয়োগে উপস্থাপন করেছেন। নবীন লেখকরা বঙ্কিমচন্দ্রের পরামর্শ মান্য করলে লেখক ও পাঠক সমাজ নিশ্চিতভাবে উপকৃত হবেন; আমাদের মননশীল ও সৃজনশীল জগৎ সমৃদ্ধ থেকে সমৃদ্ধতর হবে। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের লেখক পরিচিতি: |
|---|
|
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৬শে জুন পশ্চিমবঙ্গের
চব্বিশ পরগনার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা ভাষায় প্রথম
শিল্পসম্মত উপন্যাস রচনার কৃতিত্ব তাঁরই। তাঁর পিতা যাদবচন্দ্র
চট্টোপাধ্যায় ছিলেন ডেপুটি কালেক্টর। ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে কলিকাতা
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রথম স্নাতকদের মধ্যে
তিনি একজন। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট। এ চাকরিসূত্রে
খুলনার ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করে তিনি নীলকরদের অত্যাচার দমন
করেছিলেন। দায়িত্ব পালনে তিনি ছিলেন নিষ্ঠাবান; যোগ্য বিচারক হিসেবে
তাঁর খ্যাতি ছিল। বাংলা সাহিত্যচর্চায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছিলেন
তিনি। উপন্যাস ও প্রবন্ধ রচনার বাইরে ‘বঙ্গদর্শন’(১৮৭২) পত্রিকা
সম্পাদনা ও প্রকাশ তাঁর অন্যতম কীর্তি। ১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে
‘সম্বাদ প্রভাকর’ পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মাধ্যমে তাঁর
সাহিত্যচর্চার শুরু। বঙ্কিমচন্দ্রের গ্রন্থসংখ্যা ৩৪। তাঁর রচিত প্রথম
উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী(১৮৬৫)’। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো: ‘কপালকুণ্ডলা(১৮৬৬)’, ‘মৃণালিনী(১৮৬৯)’, ‘বিষবৃক্ষ(১৮৭৩)’, ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’(১৮৭৮), ‘চন্দ্রশেখর(১৮৭৫)’, ‘আনন্দমঠ(১৮৮২)’, ‘দেবী চৌধুরাণী(১৮৮৪)’, ‘রাজসিংহ(১৮৮২)’, ‘সীতারাম(১৮৮৭)’। ‘Rajmohons Wife’ নামে একটি ইংরেজি উপন্যাসও তিনি রচনা করেছেন। বঙ্কিমচন্দ্র ধর্ম, দর্শন, সাহিত্য, ভাষা ও সমাজবিষয়ক অনেক প্রবন্ধ রচনা করেছেন। ‘লোকরহস্য(১৮৭৪)’, ‘বিজ্ঞানরহস্য(১৮৭৫)’, ‘কমলাকান্তের দপ্তর(১৮৭৫)’, ‘সাম্য(১৮৭৯)’, ‘কৃষ্ণচরিত্র(১৮৮৬)’,‘বিবিধ প্রবন্ধ’ ইত্যাদি তাঁর গদ্যগ্রন্থ। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ‘সাহিত্যসম্রাট’ উপাধিতে ভূষিত হন। বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দের ৮ই এপ্রিল কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের বহুনির্বাচনি প্রশ্ন: |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
প্রশ্ন- ১. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রশ্ন- ২. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন? উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৫৮ সালে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। প্রশ্ন- ৩. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন পেশায় ছিলেন? উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পেশাগত জীবনে ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। প্রশ্ন- ৪. লোকরহস্য ও কৃষ্ণচরিত্র বঙ্কিমচন্দ্রের কোন ধরনের গ্রন্থ? উত্তর: লোকরহস্য ও কৃষ্ণচরিত্র বঙ্কিমচন্দ্রের গদ্যগ্রন্থ। প্রশ্ন- ৫. বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য বঙ্কিমচন্দ্র কোন উপাধিতে ভূষিত হন? উত্তর: বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য বঙ্কিমচন্দ্রকে ‘সাহিত্যসম্রাট’ উপাধিতে ভূষিত হন। প্রশ্ন- ৬. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে মৃত্যুবরণ করেন? উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। প্রশ্ন- ৭. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোথায় মৃত্যুবরণ করেন? উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। প্রশ্ন- ৮. ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্গত? উত্তর: ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধটি ‘বিবিধ প্রবন্ধ’ গ্রন্থের অন্তর্গত। প্রশ্ন- ৯. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কিসের জন্য লিখতে নিষেধ করেছেন? উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় যশের জন্য লিখতে নিষেধ করেছেন। প্রশ্ন- ১০. কোন জায়গার অনেক লোক টাকার জন্য লেখে? উত্তর: ইউরোপের অনেক লোক টাকার জন্য লেখে। প্রশ্ন- ১১. আমাদের এখনও কোন দিন হয়নি? উত্তর: আমাদের এখনও টাকার জন্য লেখার দিন হয়নি। প্রশ্ন- ১২. অর্থের জন্য লিখতে গেলে কী প্রবল হয়ে পড়ে? উত্তর: অর্থের জন্য লিখতে গেলে লোকরঞ্জন-প্রবৃত্তি প্রবল হয়ে পড়ে। প্রশ্ন- ১৩. যারা অন্য উদ্দেশ্যে লেখেন, তাদের কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে? উত্তর: যারা অন্য উদ্দেশ্যে লেখেন, তাদের যাত্রাওয়ালা প্রভৃতি নীচ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। প্রশ্ন- ১৪. সাহিত্যের উদ্দেশ্য কী? উত্তর: সত্য ও ধর্মই সাহিত্যের উদ্দেশ্য। প্রশ্ন- ১৫. কোন উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ মহাপাপা? উত্তর: মানবকল্যাণ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ মহাপাপ। প্রশ্ন- ১৬. ‘যাহা লিখিবেন, তাহা হঠাৎ ছাপাইবেন না।’ বঙ্কিমচন্দ্র এই কথা কাদের বলেছেন? উত্তর: ‘যাহা লিখিবেন, তাহা হঠাৎ ছাপাইবেন না।’ এই কথা নতুন লেখকদের বলেছেন। প্রশ্ন- ১৭. প্রাবন্ধিক কাব্য, নাটক, উপন্যাস কত বছর ফেলে রাখার কথা বলেছেন? উত্তর: প্রাবন্ধিক কাব্য, নাটক, উপন্যাস দু-এক বছর ফেলে কদর্য রাখার কথা বলেছেন। প্রশ্ন- ১৮. যারা সাময়িক সাহিত্যে ব্রতী, তাদের পক্ষে কোন নিয়মটি রক্ষা করা হয় না? উত্তর: যারা সাময়িক সাহিত্যে ব্রতী, তাদের পক্ষে নতুন লেখা ফেলে রেখে সংশোধন করার নিয়মটি রক্ষা করা হয় না। প্রশ্ন- ১৯. যে বিষয়ে যার অধিকার নেই, সেই বিষয়ে তার কোনটি অকর্তব্য? উত্তর: যে বিষয়ে যার অধিকার নেই, সেই বিষয়ে তার হস্তক্ষেপ অকর্তব্য। প্রশ্ন- ২০. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোনটি প্রকাশের চেষ্টা করতে নিষেধ করেছেন? উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করতে নিষেধ করেছেন। প্রশ্ন- ২১. কোনটি আপনিই প্রকাশ পায়? উত্তর: বিদ্যা আপনিই প্রকাশ পায়। ২২. বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা কাদের জন্য অতিশয় বিরক্তিকর? উত্তর: বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা পাঠকের জন্য অতিশয় বিরক্তিকর। প্রশ্ন- ২৩. প্রাবন্ধিক এখনকার প্রবন্ধে কী বেশি দেখতে পান? উত্তর: প্রাবন্ধিক এখনকার প্রবন্যে ইংরেজি, সংস্কৃত, ফরাসি, জার্মান কোটেশন বেশি দেখতে পান। প্রশ্ন- ২৪. লেখায় স্থানে স্থানে কিসের প্রয়োজন হয়? উত্তর: লেখায় স্থানে স্থানে অলঙ্কার বা ব্যঙ্গের প্রয়োজন হয়। প্রশ্ন- ২৫. লেখকের ভান্ডারে কী থাকলে প্রয়োজন মতো আসে? উত্তর: লেখকের ভাণ্ডারে অলঙ্কার বা ব্যঙ্গ থাকলে লেখায় প্রয়োজন মতো এসে পৌঁছাবে। প্রশ্ন- ২৬. কিসে অলঙ্কার প্রয়োগের বা রসিকতার চেষ্টার মতো কদর্য আর কিছুই নেই? উত্তর: শূন্য ভান্ডারে অলঙ্কার প্রয়োগের বা রসিকতার চেষ্টার মতো কদর্য আর কিছুই নেই। প্রশ্ন- ২৭. প্রাবন্ধিক কোন স্থানটি পুনঃপুন বন্ধুদের পড়ে শোনাতে বলেছেন? উত্তর: প্রাবন্ধিক অলঙ্কার ও ব্যঙ্গ প্রয়োগের স্থানটি পুনঃপুন বন্ধুদের পড়ে শোনাতে বলেছেন। প্রশ্ন- ২৮. প্রাবন্ধিক কাকে শ্রেষ্ঠলেখক বলেছেন? উত্তর: যিনি সোজা কথায় মনের ভাব সহজে পাঠককে বোঝাতে পারেন প্রাবন্ধিকের মতে তিনিই শ্রেষ্ঠলেখক। প্রশ্ন- ২৯. কিসে দোষগুলো অনুকৃত হয়, গুণগুলো হয় না? উত্তর: অনুকরণে দোষগুলো অনুকৃত হয়, গুণগুলো হয় না। প্রশ্ন- ৩০. প্রাবন্ধিক কী লিখতে নিষেধ করেছেন? উত্তর: যে কথার প্রমাণ দেওয়া যাবে না, প্রাবন্ধিক তা লিখতে নিষেধ করেছেন। প্রশ্ন- ৩১. লেখায় কোনটি যুক্ত করা সবসময় প্রয়োজন হয় না? উত্তর: লেখায় প্রমাণ যুক্ত করা সবসময় প্রযয়োজন হয় না। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
প্রশ্ন- ১.‘সত্য ও ধর্মই সাহিত্যের উদ্দেশ্য’- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
প্রশ্ন- ২. বঙ্কিমচন্দ্র যশের জন্য লিখতে বারণ করেছেন কেন?
প্রশ্ন- ৩. বঙ্কিমচন্দ্র নবীন লেখকদের টাকার জন্য লিখতে বারণ করেছেন কেন?
প্রশ্ন- ৪. ‘সাময়িক সাহিত্য, লেখকের পক্ষে অবনতিকর।’ ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৫. কাব্য, নাটক, উপন্যাস ইত্যাদি দু এক বছর ফেলে রেখে সংশোধন করা
উচিত কেন?
প্রশ্ন- ৬. ‘ভাণ্ডারে না থাকিলে মাথা ফুটিলেও আসিবে না’- লেখক কোন প্রসঙ্গে
কথাটি বলেছেন?
প্রশ্ন- ৭. ‘অনুকরণে দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না।’- ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৮. বঙ্কিমচন্দ্র অনুকরণবৃত্তিকে নিরুৎসাহিত করেছেন কেন?
প্রশ্ন- ৯. ‘বাঙ্গালা সাহিত্য, বাঙ্গালার ভরসা।’- ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ১০. ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনাটির সর্বকালীন ও
বৈশ্বিক আবেদন রয়েছে কেন?
প্রশ্ন- ১১. অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী-ধারণ মহাপাপ বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন?
প্রশ্ন- ১২. ‘টাকার জন্য লিখিবেন না।’- বঙ্কিমচন্দ্র এ পরামর্শ কেন
দিয়েছেন?
প্রশ্ন- ১৩. সুতরাং তাহা একেবারে পরিহার্য ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ১৪. সাহিত্য রচনার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ১৫. ‘যে কথার প্রমাণ দিতে পারিবে না, তাহা লিখিও না।’- ব্যাখ্যা
করো।
প্রশ্ন- ১৬. বঙ্কিমচন্দ্র সরলতাকে সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার বলেছেন
কেন?
প্রশ্ন- ১৭. ‘বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করিবেন না’- বুঝিয়ে লেখো।
প্রশ্ন- ১৮. ‘সাময়িক সাহিত্য লেখকের পক্ষে অবনতিকর।’- ব্যাখ্যা করো। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে সাহিত্যের উদ্দেশ্য কী? |
|
ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য হলো সত্য ও
ধর্ম।
গ. উদ্দীপকের কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য সাধনায় ‘বাঙ্গালার নব্য
লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধে প্রকাশিত মানবকল্যাণে আত্মনিবেদনের
বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন দেখা যায়।
ঘ. সাহিত্যের মধ্য দিয়ে সত্য ও সুন্দরের চর্চা অব্যাহত রাখার
বিবেচনায় উদ্দীপকে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নিবেদন যথার্থভাবে
প্রকাশিত হয়েছে। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনার লেখক কে? |
|
ক. ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনার লেখক বঙ্কিমচন্দ্র
চট্টোপাধ্যায়।
গ. উদ্দীপকে ক্রীড়াকে উদ্দেশ্যহীন বলা হলেও আলোচ্য প্রবন্ধে
সাহিত্যের বিভিন্ন উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে, যা
উদ্দীপকের ক্রীড়া ও আলোচ্য প্রবন্ধের সাহিত্যের মধ্যে পার্থক্য
নির্দেশ করে।
ঘ. অর্থের সংশ্লিষ্টতায় ক্রীড়া ও সাহিত্য উভয়েরই কলুষিত হওয়ার সুযোগ
থাকে, যা উদ্দীপকের ক্রীড়া ও প্রবন্ধের সাহিত্যের মিল নির্দেশ
করে। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. আমাদের দেশের সাধারণ পাঠকের কী বিবেচনায় লোকরঞ্জন করতে গেলে রচনা
বিকৃত ও অনিষ্টকর হয়ে পড়ে? |
|
ক. আমাদের দেশের সাধারণ পাঠকের শিক্ষা ও রুচি বিবেচনায় লোকরঞ্জন করতে
গেলে রচনা বিকৃত ও অনিষ্টকর হয়ে ওঠে।
গ. উদ্দীপকে ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনায় বর্ণিত
সৌন্দর্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে লেখনীর দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ. লেখা ভালো হইলে যশ আপনি আসিবে' কথাটি উদ্দীপকের মানিক
বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে লেখনীর মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টির
পরিপ্রেক্ষিতে সম্পূর্ণ সঠিক। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. কোন ধরনের প্রবন্ধ কখনো হিতকর হতে পারে না? |
|
ক. যে প্রবন্ধ অসত্য, ধর্মবিরুদ্ধ, পরনিন্দা বা পরপীড়ন বা
স্বার্থরক্ষার জন্য রচিত হয়, সেসব প্রবন্ধ কখনো হিতকর হতে পারে
না।
গ. উদ্দীপকের প্রথম আট চরণে ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’
রচনায় উল্লিখিত সৌন্দর্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ. উদ্দীপকের কবিতাংশ যুগপৎভাবে সৌন্দর্যভাবনা ও মানবকল্যাণের
আকাঙ্ক্ষার ধারক হয়ে ওঠায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. কোথায় এখন অনেকে টাকার জন্য লেখে এবং লেখাও ভালো হয়? |
|
ক. ইউরোপে এখন অনেকে টাকার জন্য লেখে এবং লেখাও ভালো হয়।
গ. আশিকের প্রথম সিদ্ধান্তটি আলোচ্য প্রবন্ধে উল্লিখিত রচনার উৎকর্ষ
সাধনে সময় গ্রহণের দিকটিকে ইঙ্গিত করে।
ঘ. ব্যক্তিস্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ায় আশিকের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি
তার লেখকসত্তা বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. লেখকের মতে, সভ্য ও ধর্ম ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ কী?
|
|
ক. লেখকের মতে, সত্য ও ধর্ম ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ
মহাপাপ।
গ. উদ্দীপকে ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনার
মানবকল্যাণ সাধনে সাহিত্য রচনার দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ. বাংলা সাহিত্যের উন্নতিতে উদ্দীপকের সমাজ পরিবর্তনের নিমিত্তে
সাহিত্য রচনার প্রচেষ্টা ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’
রচনার লেখকের প্রত্যাশারই প্রতিফলন। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. কোন ধরনের সাহিত্য লেখকের পক্ষে অবনতিকর? |
|
ক. সাময়িক সাহিত্য লেখকের পক্ষে অবনতিকর।
গ. লেখা ছাপানোর উদ্যোগ গ্রহণে শাপলা যথাযথ তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ
করেছে, সে বিষয়ে আলোচ্য প্রবন্ধেও তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
ঘ. আলোচ্য প্রবন্ধে সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্য এবং রচনার মানোন্নয়নের
বিষয়ে লেখক প্রদত্ত দিকনির্দেশনা মেনেই উদ্দীপকের শাপলা লেখনী ধারণ
করেছে। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, কে শ্রেষ্ঠ লেখক? |
|
ক. বঙ্কিমচন্দ্রের মতে, যিনি সোজা কথায় নিজের মনের ভাব সহজে পাঠককে
বোঝাতে পারেন, তিনিই শ্রেষ্ঠলেখক।
গ. ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনায় উল্লিখিত রচনার
উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে করণীয় বিষয়ক প্রাবন্ধিকের কতিপয় পরামর্শের প্রতিফলন
উদ্দীপকে লক্ষণীয়।
ঘ. পাঠকবান্ধব উৎকৃষ্ট মানের সাহিত্য রচনা করায় হুমায়ূন আহমেদকে একজন
সার্থক লেখক বলা যায়। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘যে বিষয়ে যাহার অধিকার নেই, সে বিষয়ে তাহার হস্তক্ষেপ অকর্তব্য’
- এ নিয়মটি কোন সাহিত্যে রক্ষিত হয় না? |
|
ক. ‘যে বিষয়ে যাহার অধিকার নেই, সে বিষয়ে তাহার হস্তক্ষেপ অকর্তব্য’
- এ নিয়মটি সাময়িক সাহিত্যে রক্ষিত হয় না।
গ. উদ্দীপকের i. নম্বর উপদেশ ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি
নিবেদন’ রচনায় উল্লিখিত সাহিত্য রচনার প্রকৃত উদ্দেশ্যকে সমর্থন
করে।
ঘ. আলোচ্য প্রবন্ধের বিশ্লেষণে বলা যায়, উদ্দীপকের পরামর্শসমূহ
উৎকৃষ্ট সাহিত্য সৃজনের অনুকূল, যা লেখক ও পাঠক উভয়ের জন্যই
ইতিবাচক। |
| ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘যশ’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘যশ’ শব্দের অর্থ- সুনাম।
গ. উদ্দীপকের পরামর্শ ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’ রচনার
অনুকরণবৃত্তি পরিহারের পরামর্শের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. উদ্দীপকের লেখক এবং ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’
রচনার লেখক উন্নত সাহিত্য সৃষ্টিতে করণীয় বিষয়ে মতামত তুলে ধরেছেন,
যা প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটিকে যথার্থ করে তুলেছে। |
| তথ্যসূত্র : |
|---|
|
১. সাহিত্য পাঠ: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ড, ঢাকা, ২০২৫। ২. বঙ্কিম রচনাবলী-২ (প্রবন্ধ): দে’জ পাবলিশিং ।। কলকাতা, অক্টোবর ২০১৮। ৩. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, এপ্রিল, ২০১৮। ৪. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ১৮তম, ২০১৫। |
