বাবুরের মহত্ত্ব- কালিদাস রায়
|
| বাবুরের মহত্ত্ব |
বাবুরের মহত্ত্ব
কালিদাস রায়
পাঠান বাদশা লোদিপানিপথে হত। দখল করিয়া দিল্লির শাহিগদি,
দেখিল বাবুর এ-জয় তাঁহার ফাঁকি,
ভারত যাদের তাদেরি জিনিতে এখনো রয়েছে বাকি।
গর্জিয়া উঠিল সংগ্রাম সিং, ‘জিনেছ মুসলমান,
জয়ী বলিব না এ দেহে হত প্রাণ।
লয়ে লুণ্ঠিত ধন
দেশে ফিরে যাও, নতুবা মুঘল, রাজপুতে দাও রণ।’
খানুয়ার প্রান্তরে
সেই সিংহেরো পতন হইল বীর বাবুরের করে।
এ বিজয় তার স্বপ্ন-অতীত, যেন বা দৈব বলে
সারা উত্তর ভারত আসিল বিজয়ীর করতলে।
কবরে শায়িত কৃতঘ্ন দৌলত,
বাবুরের আর নাই কোনো প্রতিরোধ।
দস্যুর মতো তুষ্ট না হয়ে লুণ্ঠিত সম্পদে,
জাঁকিয়া বসেছে মুঘল সিংহ দিল্লির মসনদে।
মাটির দখলই খাঁটি জয় নয় বুঝেছে বিজয়ী বীর,
বিজিতের হৃদি দখল করিবে এখন করেছে স্থির।
প্রজারঞ্জনে বাবুর দিয়াছে মন,
হিন্দুর-হৃদি জিনিবার লাগি করিতেছে সুশাসন,
ধরিয়া ছদ্মবেশ
ঘুরি পথে পথে খুঁজিয়ে প্রজার কোথায় দুঃখ ক্লেশ।
চিতোরের এক তরুণ যোদ্ধা রণবীর চৌহান
করিতেছে আজি বাবুরের সদ্ধান,
কুর্তার তলে কৃপাণ লুকায়ে ঘুরিছে সে পথে পথে
দেখা যদি তার পায় আজি কোনো মতে
লইবে তাহার প্রাণ,
শোণিতে তাহার ক্ষালিত করিবে চিতোরের অপমান।
দাঁড়ায়ে যুবক দিল্লির পথ-পাশে
লক্ষ করিছে জনতার মাঝে কেবা যায় কেবা আসে।
হেন কালে এক মত হস্তী ছুটিল পথের পরে
পথ ছাড়ি সবে পলাইয়া গেল ডরে।
সকলেই গেল সরি
কেবল একটি শিশু রাজপথে রহিল ধুলায় পড়ি।
হাতির পায়ের চাপে
‘গেল গেল’ বলি হায় হায় করি পথিকেরা ভয়ে কাঁপে।
‘কুড়াইয়া আন ওরে’
সকলেই বলে অখচ কেহ না আগায় সাহস করে।
সহসা একটি বিদেশি পুরুষ ভিড় ঠেলে যায় ছুটে,
‘কর কী কর কী’ বলিয়া জনতা চিৎকার করি উঠে।
করী-শুণ্ডের ঘর্ষণ দেহে সহি
পথের শিশুরে কুড়ায়ে বক্ষে বহি
ফিরিয়া আসিল বীর।
চারি পাশে তার জমিল লোকের ভিড়।
বলিয়া উঠিল এক জন, ‘আরে এ যে মেথরের ছেলে,
ইহার জন্য বে-আকুফ তুমি তাজা প্রাণ দিতে গেলে?
খুদার দয়ায় পেয়েছ নিজের জান,
ফেলে দিয়ে ওরে এখন করগে স্নান।’
শিশুর জননী ছেলে ফিরে পেয়ে বুকে
বক্ষে চাপিয়া চুমু দেয় তার মুখে।
বিদেশি পুরুষে রাজপুত বীর চিনিল নিকটে এসে,
এ যে বাদশাহ স্বয়ং বাবুর পর্যটকের বেশে।
ভাবিতে লাগিল, ‘হরিতে ইহারই প্রাণ
পথে পথে আমি করিতেছি সন্ধান?’
বাবুরের পায়ে পড়ি সে তখন লুটে
কহিল সঁপিয়া গুণ্ড কৃপাণ বাবুরের করপুটে,-
‘জাঁহাপনা, এই ছুরিখানা দিয়ে আপনার প্রাণবধ
করিতে আসিয়া একি দেখিলাম! ভারতের রাজপদ
সাজে আপনারে, অন্য কারেও নয়।’
বীরভোগ্যা এ বসুধা এ কথা সবাই কয়,
ভারতভূমির যোগ্য পালক যেবা,
তাহারে ছাড়িয়া, এ ভূমি অন্য কাহারে করিবে সেবা?
কেটেছে আমার প্রতিহিংসার অন্ধ মোহের ঘোর,
সঁপিনু জীবন, করুন এখন দণ্ডবিধান মোর।’
রাজপথ হতে উঠায়ে যুবকটিরে
কহিল বাবুর ধীরে,
‘বড়ই কঠিন জীবন দেওয়া যে জীবন নেওয়ার চেয়ে;
জান না কি ভাই? ধন্য হলাম আজিকে তোমারে পেয়ে
আজি হতে মোর শরীর রক্ষী হও;
প্রাণরক্ষকই হইলে আমার, প্রাণের ঘাতক নও।’
|
| বাবুরের মহত্ত্ব |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার উৎস নির্দেশ: |
|---|
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতাটি কালিদাস রায়ের ‘পর্ণপুট’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার শব্দার্থ ও টীকা : |
|---|
|
➠ বাবুর- ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট। তাঁর আসল নাম
জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ। তবে তিনি ‘বাবুর’ বা ‘সিংহ’ নামেই সমধিক পরিচিত।
তিনি মাত্র ১১ বছর বয়সে মধ্য-এশিয়ার সমরখন্দের সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং
অল্প বয়সেই দু’বার সিংহাসন হারান। তারপর তিনি নিজ দেশ ছেড়ে
আফগানিস্থানের সিংহাসন অধিকার করেন এবং পরে ভারতের ইব্রাহিম লোদিকে
পরাজিত করে দিল্লি অধিকার করেন। মেবারের রাজা সংগ্রাম সিংহকে তিনি পরাজিত
করে এক বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তুজুক-ই-বাবরি হলো তাঁর
আত্মজীবনী। তিনি ১৪ই ফেব্রুয়ারি, ১৪৮৩ সালে জন্মগ্রহণ আর ২৬শে ডিসেম্বর,
১৫৩০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তখন তাঁর বয়স ছিলো ৪৭ বছর। ➠ মহত্ত্ব- মহানুভবতা। ➠ পাঠান বাদশা লোদি- ভারতের লোদি বংশীয় শেষ পাঠান-সম্রাট সুলতান ইব্রাহিম লোদি। ➠ পানিপথ- দিল্লির উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ইতিহাস প্রসিদ্ধ যুদ্ধক্ষেত্র। হরিয়ানা রাজ্যের একটি প্রাচীন জেলা শহর। ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দের ২১শে এপ্রিল ইব্রাহিম লোদি ও মুঘল সম্রাট বাবরের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যা পানিপথের প্রথম যুদ্ধ নামে অধিক পরিচিত। এখানে আরো দুইটি প্রসিদ্ধ যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়। ➠ হত- নিহত। ➠ শাহিগদি- বাদশার গদি, সিংহাসন। ➠ জিনিতে- জয় করতে। ➠ রহিতে- থাকতে। ➠ লয়ে- নিয়ে। ➠ রণ- যুদ্ধ। ➠ প্রান্তর- বিস্তৃত মাঠ, ময়দান। ➠ করে- হতে। ➠ পতন- পরাজিত। ➠ করে- হাতে। ➠ স্বপ্ন-অতীত- স্বপ্নের অতীত, যা স্বপ্নেও দেখা যায় না, অবিশ্বাস্য। ➠ দৈব বলে- অলৌকিক শক্তিতে। ➠ করতল- হাতের তালু। ➠ প্রতিরোধ- বাধা। ➠ তুষ্ট- তৃপ্ত, আনন্দিত, খুশি। ➠ লুণ্ঠিত- অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করা। ➠ মসনদ- সিংহাসন, রাজাসন। ➠ করী-শুণ্ড- হাতির শুড়। ➠ বে-আকুফ- নির্বোধ। ➠ পর্যটক- ভ্রমণকারী। ➠ কৃপাণ- ছোট তরবারি, অসি, খড়্গ। ➠ বসুধা- পৃথিবী। ➠ ঘাতক- হত্যাকারী। ➠ দণ্ডবিধান- শাস্তি প্রদান। ➠ সংগ্রাম সিংহ- রাজপুতানার অন্তর্গত মেবার রাজ্যের অধিপতি রাজা সংগ্রাম সিংহ। তিনি খানুয়ার প্রান্তরে বাবুরের কাছে পরাজিত হন। ➠ খানুয়ার প্রান্তর- আগ্রার পশ্চিমে অবস্থিত যুদ্ধক্ষেত্র। ➠ কৃতঘ্ন দৌলত- বাবুরের ভারত আক্রমণকালে দৌলত খাঁ লোদি পাঞ্জাবের শাসক ছিলেন। তিনি নিজের দুশমন ইব্রাহিম লোদির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে বাবুরকে ভারত আক্রমণের জন্য আহ্বান করেন। পরে তিনি বাবুরের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেন। চিতোর- রাজপুতানার মেবার রাজ্যের রাজধানী। ➠ রণবীর চৌহান- রাজপুত জাতির একটি প্রাচীন শাখার নাম চৌহান। যে স্বদেশপ্রেমিক রাজপুত যুবক বাবুরকে হত্যা করতে চেয়েছিল তাকে বলা হয়েছে ‘রণবীর চৌহান’। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার পাঠের উদ্দেশ্য : |
|---|
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতাটি পাঠ করার মাধ্যমে সম্রাট বাবুরের মহানুভবতা সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা অবহিত হবে। তারা মহৎ আদর্শে অনুপ্রাণিত হবে এবং মানবিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন হবে। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার পাঠ-পরিচিতি ও মূলভাব: |
|---|
|
‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতায় মুঘল সম্রাট বাবুরের মহানুভবতা বর্ণিত হয়েছে।
এতে তাঁর মহৎ আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধ তুলে ধরা হয়েছে। ভারতবর্ষে মুঘল
সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবুর। রাজ্য বিজয়ের পর তিনি প্রজা
সাধারণের স্বদয় জয়ে মনোযোগী হলেন। রাজপুতগণ তাঁকে কিছুতেই মেনে নিতে
পারছিলেন না। রাজপুত-বীর তরুণ রণবীর চৌহান বাবুরকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে
দিল্লির রাজপথে ঘুরছিল। এমন সময় বাবুর নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে
মন্ত হাতির কবল থেকে রাজপথে পড়ে-থাকা একটি মেথর শিশুকে উদ্ধার করেন।
রাজপুত যুবক বাবুরের মহত্ত্বে বিস্মিত হয়। সে বাবুরের পায়ে পড়ে নিজের অপরাধ স্বীকার করে। মহৎপ্রাণ বাবুর তাকে ক্ষমা করেন এবং তাকে নিজের দেহরক্ষী নিয়োগ করেন। |
|
| পানিপথের যুদ্ধ |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার কবি পরিচিতি: |
|---|
|
কালিদাস রায় পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার কড়ুই গ্রামে ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে
জন্মগ্রহণ করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষকতাকে তিনি আদর্শ পেশা হিসেবে গ্রহণ
করেছিলেন। শিক্ষকতার সঙ্গে সঙ্গে তিনি সাহিত্য সাধনায় ব্যাপৃত ছিলেন।
তিনি বিচিত্র বিষয়ের ওপর কবিতা লিখেছেন। তিনি বেশ কিছুসংখ্যক
কাহিনি-কবিতা রচনা করেন। তিনি তাঁর কবিতায় আরবি-ফারসি শব্দের সার্থক
প্রয়োগ করেছেন। কবি হিসেবে স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি
‘কবিশেখর’ উপাধিতে ভূষিত হন। কলকাতার রবীন্দ্রভারতী
বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি প্রদান করে। কালিদাস
রায়ের উল্লেখযোগ্য কাব্য :
‘কিশলয়’, ‘পর্ণপুট’, ‘বল্লুরী’, ‘ঋতুমঙ্গল’, ‘রসকদম্ব’
ইত্যাদি। তিনি ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন: |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
প্রশ্ন-১: বাবুরের জয় কেমন মনে হয়? উত্তর: ভারত জয় বাবুরের কাছে ফাঁকি মনে হয়। প্রশ্ন-২: সংগ্রাম সিংহ কি মেনে নিতে নারাজ? উত্তর: মুসলমান জিতেছে এটা মেনে নিতে সংগ্রাম সিংহ নারাজ। প্রশ্ন-৩: রাজপুত কী? উত্তর: রাজপুত উত্তর ভারতের একটি জাতি। প্রশ্ন-৪: খানুয়া কী? উত্তর: একটি ইতিহাসখ্যাত যুদ্ধক্ষেত্র। প্রশ্ন-৫: দস্যুর মতো কী পেয়ে সন্তুষ্ট না হওয়ার কথা বলা হয়েছে? উত্তর: দস্যুর মতো লুণ্ঠিত সম্পদ পেয়ে সন্তুষ্ট না হওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রশ্ন-৬: কে দিল্লির সিংহাসনে জেঁকে বসেছে? উত্তর: মুঘল সিংহ বাবুর দিল্লির সিংহাসনে জেঁকে বসেছে। প্রশ্ন-৭: কী খাঁটি জয় নয়? উত্তর: মাটির দখল খাঁটি জয় নয়। প্রশ্ন-৮: বাবুর ভারত জয় করে কীসে মন দেয়? উত্তর: বাবুর ভারত জয় করে প্রজাদের হিতসাধনে মন দেয়। প্রশ্ন-৯: রণবীর কী নিতে ঘুরছিল? উত্তর: রণবীর বাবুরের প্রাণ নিতে ঘুরছিল। প্রশ্ন-১০: কী পথে ছুটল? উত্তর: মত্ত হাতি পথে ছুটল। প্রশ্ন-১১: সবাই সরে গেলে কে পথে পড়ে রইল? উত্তর: সবাই সরে গেলে একটি শিশু পথে পড়ে রইল। প্রশ্ন-১২: কে ভয়ে কাঁপে? উত্তর: পথিকরা ভয়ে কাঁপে। প্রশ্ন-১৩: কে পথের শিশুকে বাঁচাল? উত্তর: বাবুর পথের শিশুকে বাঁচাল। প্রশ্ন-১৪: পথের শিশুটি কার ছেলে? উত্তর: পথের শিশুটি মেথরের ছেলে। প্রশ্ন-১৫: কাকে ভারতের রাজপদ সাজে? উত্তর: সম্রাট বাবুরের ভারতের রাজপদ সাজে। প্রশ্ন-১৬: বাবুরের মহত্ত্ব দেখে রণবীরের কী কেটেছে? উত্তর: বাবুরের মহত্ত্ব দেখে রণবীরের অন্ধ মোহের ঘোর কেটেছে। প্রশ্ন-১৭: রণবীর চৌহান কে ছিলেন উত্তর: রণবীর চৌহান ছিলেন চিতোরের এক তরুণ যোদ্ধা। প্রশ্ন-১৮: বাবুরের আসল নাম কী? উত্তর: বাবুরের আসল নাম মির্জা জহির উদ্দিন মুহাম্মাদ বাবর। প্রশ্ন-১৯: কবিশেখর কার উপাধি? উত্তর: কবিশেখর কবি কালিদাস রায়ের উপাধি। প্রশ্ন-২০: খানুয়ার প্রান্তর কী? উত্তর: খানুয়ার প্রান্তর হচ্ছে আগ্রার পশ্চিমে অবস্থিত যুদ্ধক্ষেত্র। প্রশ্ন-২১: পানিপথ কী? উত্তর: দিল্লির উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ইতিহাস প্রসিদ্ধ একটি যুদ্ধক্ষেত্রের নাম পানিপথ। প্রশ্ন-২২: ‘মসনদ’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘মসনদ’ শব্দের অর্থ রাজাসন বা সিংহাসন। প্রশ্ন-২৩: বাবুরের আসল নাম কী? উত্তর: বাবুরের আসল নাম জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ। প্রশ্ন-২৪: রণবীর চৌহান কে ছিলেন? উত্তর: রণবীর চৌহান ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক রাজপুত যুবক যে বাবুরকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন। প্রশ্ন-২৫: মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে? উত্তর: মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবুর। প্রশ্ন-২৬: বাদশাহ বাবুর অল্প বয়সে কয়বার সিংহাসন হারান? উত্তর: বাদশাহ বাবুর অল্প বয়সে দুবার সিংহাসন হারান। প্রশ্ন-২৭: সংগ্রাম সিং কোন যুদ্ধে বাবুরের কাছে পরাজিত হয়? উত্তর: সংগ্রাম সিং খানুয়ার যুদ্ধে বাবুরের কাছে পরাজিত হয়। প্রশ্ন-২৮: চৌহান কী? উত্তর: রাজপুত জাতির একটি প্রাচীন শাখার নাম চৌহান। প্রশ্ন-২৯: ‘পর্ণপুট’ কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কবিতার নাম কী? উত্তর: ‘পর্ণপুট’ কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কবিতার নাম বাবুরের মহত্ত্ব। প্রশ্ন-৩০: কবি কালিদাস রায় কোন পেশাকে গ্রহণ করেছিলেন? উত্তর: কবি কালিদাস রায় শিক্ষকতা পেশাকে গ্রহণ করেছিলেন। প্রশ্ন-৩১: পানিপথে কয়টি যুদ্ধ সংঘটিত হয়? উত্তর: পানিপথে তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়। প্রশ্ন-৩২: কালিদাস রায় কোন উপাধিতে ভূষিত হন? উত্তর: কালিদাস রায় 'কবিশেখর' উপাধিতে ভূষিত হন। প্রশ্ন-৩৩: বাবুর দেশ ত্যাগ করে কোথায় এসে সিংহাসনে আরোহণ করেন? উত্তর: বাবুর দেশ ত্যাগ করে আফগানিস্তানে এসে সিংহাসনে আরোহণ করেন। প্রশ্ন-৩৪: কালিদাস রায়ের কবিতায় কোন শব্দের সফল প্রয়োগ দেখা যায়? উত্তর: কালিদাস রায়ের কবিতায় আরবি-ফারসি শব্দের সফল প্রয়োগ দেখা যায়। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার অনুধাবনমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
প্রশ্ন-১: বাবুরের জয় ফাঁকি কেন?
প্রশ্ন-২: সংগ্রাম সিংহ কেন গর্জন করেছিলেন?
প্রশ্ন-৩: বাবুরকে প্রতিরোধ করার কেউ ছিল না কেন?
প্রশ্ন-৪: বিজিতের হৃদয় দখল করা বলতে কী বোঝায়?
প্রশ্ন-৫: রণবীর চৌহান কেন বাবুরের সন্ধান করছিলেন?
প্রশ্ন-৬: পথের শিশুকে ফেলে দিয়ে স্নান করতে বলা হয়েছে কেন?
প্রশ্ন-৭: রণবীর কেন বাবুরের পায়ে লুটিয়ে পড়ল?
প্রশ্ন-৮: ‘বড়ই কঠিন জীবন দেওয়া যে জীবন নেওয়ার চেয়ে’—কেন?
প্রশ্ন-৯: ‘সঁপিনু জীবন, করুন এখন দণ্ডবিধান মোর’। উক্তিটি কার, কেন?
প্রশ্ন-১০: ‘কেটেছে আমার প্রতিহিংসার অন্ধ মোহের ঘোর’—কথাটির তাৎপর্য
ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন-১১: ‘মাটির দখলই খাঁটি জয় নয় বুঝেছে বিজয়ী বীর’—কথাটির তাৎপর্য
কী?
প্রশ্ন-১২: ‘ফেলে দিয়ে ওরে এখন করগে স্নান’—এই কথাটি দিয়ে কী বোঝানো
হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
প্রশ্ন-১৩: ‘বীরভোগ্যা এ বসুধা এ কথা সবাই কয়’—কথাটি ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-১৪: বাবুর প্রজারঞ্জনে মন দিয়েছিলেন কেন?
প্রশ্ন-১৫: ‘বড়ই কঠিন জীবন দেওয়া যে জীবন নেওয়ার চেয়ে’—কেন?
প্রশ্ন-১৬: ‘মাটির দখলই খাঁটি জয় নয় বুঝেছে বিজয়ী বীর’—উক্তিটি ব্যাখ্যা
করো।
প্রশ্ন-১৭: ‘পাঠান বাদশাহ লোদি পানিপথে হত’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন-১৮: ‘সারা উত্তর ভারত আসিল বিজয়ীর করতলে’ বলতে কী বোঝানো
হয়েছে? |
|
| বাবুরের মহত্ত্ব |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
(ক) রণবীর চৌহান কে ছিলেন? |
|
(ক) রণবীর চৌহান ছিলেন চিতোরের এক তরুণ যোদ্ধা।
(গ) উদ্দীপকে বর্ণিত বড়ো মিয়া একটি মহৎ চরিত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।
তার ঘটনার সাথে ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার দিল্লির রাজপথে হাতির আক্রমণ
থেকে শিশুর জীবন বাঁচানোর ঘটনার সাথে সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
(ঘ) উদ্দীপকটিতে ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার একটি বিশেষ দিকের প্রতিফলন
ঘটেছে, তবে পুরো কবিতার ভাব প্রকাশিত হয়নি। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. খানুয়ার প্রান্তর কী? |
|
ক. খানুয়ার প্রান্তর হচ্ছে আগ্রার পশ্চিমে অবস্থিত যুদ্ধক্ষেত্র।
গ. আলোচ্য উদ্দীপকের সাথে আমরা ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সম্রাট
বাবুরের চিন্তার সাদৃশ্য খুঁজে পাই।
ঘ. উদ্দীপকের রতন চৌধুরীর ভালো কাজ করে নিজের বদনাম ঘোচানোর চিন্তা আর
‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার হিন্দু-হৃদি জিনিবার লাগি করিতেছে সুশাসন এই
দুটি কথা সমার্থক। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. পানিপথ কী? |
|
ক. দিল্লির উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ইতিহাস প্রসিদ্ধ একটি যুদ্ধক্ষেত্রের
নাম পানিপথ।
গ. উদ্দীপকের ঘটনা ও রানা চরিত্রটির সাথে ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতায়
বাবুর চরিত্র ও শিশুকে বাঁচানোর ঘটনার প্রত্যক্ষ সাদৃশ্য পাওয়া যায়।
ঘ. “সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই”- চণ্ডিদাসের এ কথাটির মধ্য
দিয়ে মানবিক মূল্যবোধের অসামান্য প্রকাশ ঘটেছে। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘মসনদ’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘মসনদ’ শব্দের অর্থ রাজাসন বা সিংহাসন।
গ. উদ্দীপকে রহমানের সাথে ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার রণবীর চৌহানের
সাদৃশ্য পাওয়া যায়।
ঘ. মানুষের কল্যাণে যিনি নিয়োজিত থাকেন, যোগ্য সম্মান তারই প্রাপ্য।
কথাটি মানবিক মানদণ্ডে সবসময় সবকালেই সত্য হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে। যুগে
যুগে এই সত্যের প্রকাশ আমরা বিভিন্নভাবে দেখতে পাই। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কবিশেখর কার উপাধি? |
|
ক. কবিশেখর কবি কালিদাস রায়ের উপাধি।
গ. উদ্দীপকে আমরা হাবিব ও রায়হানের মধ্যে বোধোদয়ের ঘটনা দেখি। আবার
‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতায় সম্রাট বাবুর ও রণবীর চৌহানের মধ্যে বোধোদয়ের
ঘটনা ঘটে। এই দুটি ঘটনাই সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতায় ও আলোচ্য উদ্দীপকে আমরা দেখতে পাই যে,
কোনো জীবন ধ্বংস করার চেয়ে সেই জীবনটা নিরাপদ করা অনেক বেশি কঠিন। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. পানিপথ যুদ্ধক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত? |
|
ক.পানিপথ যুদ্ধক্ষেত্র দিল্লির উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।
গ. মহানুভবতা প্রদর্শনের দিক থেকে উদ্দীপকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আরিফ
‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সম্রাট বাবুর চরিত্রের প্রতিনিধি।
ঘ. কেবল মহানুভবতার পরিচয়দানের সূত্রে উদ্দীপকের মোহাম্মদ আরিফ
‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার পুরোপুরি সম্রাট বাবুর হয়ে উঠতে পারেনি। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘খানুয়ার প্রান্তর’ কী? |
|
ক. ‘খানুয়ার প্রান্তর’ বলতে মূলত আগ্রার পশ্চিমে অবস্থিত রণক্ষেত্র বা
যুদ্ধক্ষেত্রকে বোঝায়।
গ. ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতায় বর্ণিত অন্যের জন্য নিজের জীবন বাজি রাখার
দিকটি উদ্দীপকের সামান কুনারের মধ্যে ফুটে উঠেছে।
ঘ. উদ্দীপকে সামান কুনানের মহানুভবতার দিকটি উঠে আসলেও ‘বাবুরের
মহত্ত্ব’ কবিতায় বাবুরের মহানুভবতার পাশাপাশি ক্ষমাশীলতার দিকটিও
চিত্রিত হয়েছে। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতাটির উৎস কী? |
|
ক. ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতাটির উৎস ‘পর্ণপুট’ কাব্যগ্রন্থ।
গ. উদ্দীপকে 'বাবুরের মহত্ত্ব' কবিতায় বর্ণিত বাবুর চরিত্রের সাদৃশ্য
ফুটে উঠেছে।
ঘ. উদ্দীপকে ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার মূলভাব সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত
হয়েছে বলে আমি মনে করি। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. বাবুর পানিপথের যুদ্ধে কাকে পরাজিত করেন? |
|
ক. নবাবুর পানিপথের যুদ্ধে সুলতান ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করেন।
গ. উদ্দীপকটি বুড়ির ষড়যন্ত্র এবং নিজ কর্মকাণ্ডে অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা
চাওয়ার এবং মহানবি তাকে ক্ষমা করার দিক দিয়ে ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার
সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. উদ্দীপক এবং ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতায় প্রকাশিত মহানবি ও বাবুরের
মহানুভবতা আমাদের যথার্থই অনুপ্রাণিত করে মহৎ আদর্শে জীবন গড়ার
জন্য। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. চিতোরের তরুণ যোদ্ধার নাম কী? |
|
ক. চিতোরের তরুণ যোদ্ধার নাম রণবীর চৌহান।
গ. উদ্দীপকটি ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সম্রাট বাবুরের মহানুভবতার
দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. ‘মানুষের প্রতি প্রেম, ভালোবাসা ও ক্ষমতার অতুলনীয় দৃষ্টান্ত
স্থাপনে এবং মনুষ্যত্বের মহিমা কীর্তনে যুগে যুগে ক্ষণজন্মা পুরুষের
আবির্ভাব হয়েছে।’- উক্তিটি উদ্দীপক ও ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার আলোকে
যথার্থ। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. রাজপথে কে বাবুরের সন্ধান করছিল? |
|
ক. রাজপথে রণবীর চৌহান বাবুরের সন্ধান করছিল। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. শিশুটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাবুরকে কীসের ঘর্ষণ সহ্য করতে হয়েছিল? |
|
ক. শিশুটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাবুরকে হাতির শুঁড়ের ঘর্ষণ সহ্য করতে
হয়েছিল। গ. ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতায় বর্ণিত বাবুর সম্রাট হয়েও রাস্তার একটি ছেলেকে বাঁচতে এগিয়ে যান, কিন্তু উদ্দীপকের রাসেল সাধ্য থাকার পরও ডুবন্ত শিশুটিকে বাঁচাতে যায়নি- প্রসঙ্গটি ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতায় বাবুরের মাঝে যে আদর্শ ও মহানুভবতার প্রকাশ ঘটেছে তা উদ্দীপকের রবিনের মাঝেও লক্ষণীয়- প্রসঙ্গটি আলোচনা করো। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. বাবুরের আসল নাম কী? |
|
ক. বাবুরের আসল নাম জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ। গ. ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতায় বাবুরের যে মহানুভবতার পরিচয় পাওয়া যায় তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতা অবলম্বনে বাবুর চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো। |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘গুপ্ত কৃপাণ' অর্থ কী? |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. সম্রাট বাবুর কত বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন? |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. সংগ্রাম সিংকে বাবুর কোথায় পরাজিত করেন? |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কালিদাস রায় কোন উপাধিতে ভূষিত হন? |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতাটি কালিদাস রায়ের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে
সংকলিত? |
| ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. রাজপথ থেকে যুবকটিকে উঠিয়ে বাবুর কী বলেছিলেন? |
| তথ্যসূত্র : |
|---|
|
১. সাহিত্য পাঠ: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ড, ঢাকা, ২০২৫। ২. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, এপ্রিল, ২০১৮। ৩. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ১৮তম, ২০১৫। |




