মানবধর্ম- লালন শাহ্
|
| মানবধর্ম |
‘মানবধর্ম’
লালন শাহ্
সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে।
লালন কয়, জেতের কী রূপ, দেখলাম না এ নজরে॥
কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়,
তাইতে কি জাত ভিন্ন বলায়,
যাওয়া কিংবা আসার বেলায়
জেতের চিহ্ন রয় কার রে॥
গর্তে গেলে কূপজল কয়,
গঙ্গায় গেলে গঙ্গাজল হয়,
মূলে এক জল, সে যে ভিন্ন নয়,
ভিন্ন জানায় পাত্র-অনুসারে॥
জগৎ বেড়ে জেতের কথা,
লোকে গৌরব করে যথা তথা,
লালন সে জেতের ফাতা
বিকিয়েছে সাধ বাজারে ॥
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার উৎস নির্দেশ: |
|---|
| ‘সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে’ গানটি ‘মানবধর্ম’ কবিতা হিসেবে এ গ্রন্থে গৃহীত হয়েছে। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার শব্দার্থ ও টীকা: |
|---|
|
➠ মানবধর্ম- মানুষের স্বাভাবিক ধর্ম গুণ ভাব প্রভৃতি গুণাবলি, মানবতা। ➠ কয়- বলে। ➠ জেতের- জাতের। এখানে জাতি বা ধর্মকে বোঝানো হয়েছে। ➠ মালা- রুদ্রাক্ষ প্রভৃতি গুটিকা দ্বারা রচিত মালার দানা গণনা করে ঈশ্বরের নাম জপ করা। ➠ তসবি- আল্লাহর নাম বা দোয়া দরুদ পাঠের সময়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা গণনার জন্য দানা বা গুটির মালাবিশেষ। ➠ যাওয়া কিংবা আসার বেলায়- জন্ম বা মৃত্যুর সময়। ➠ রয়- থাকে। ➠ কূপজল- কুয়োর পানি। ➠ গঙ্গাজল- গঙ্গা নদীর পানি। এখানে পবিত্র অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। গঙ্গার জল হিন্দুদের কাছে পবিত্রতার প্রতীক। ➠ জেতের ফাতা- জাত বা ধর্মের বৈশিষ্ট্য অর্থে। ➠ ফাতা- পার্থক্য। ➠ বিকিয়েছে সাধ বাজারে- যেখানে-সেখানে জাত-পরিচয়কে বিলিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ➠ মুসলমানের জাত- ১. আশরাফ (সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি), ২. আতরাফ(নিম্নবংশের লোক)। ➠ - । |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার পাঠের উদ্দেশ্য: |
|---|
| এই কবিতা পাঠের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বুঝতে সক্ষম হবে যে, ধর্ম বা সম্প্রদায়গত পরিচিতির চেয়ে মানুষ হিসেবে পরিচয়টাই বড়। তারা জাত-পাত বা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি বা মিথ্যে গর্ব করা থেকে বিরত থাকবে। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার পাঠ-পরিচিতি: |
|---|
| ‘সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে’ গানটি ‘মানবধর্ম’ কবিতা হিসেবে এ গ্রন্থে গৃহীত হয়েছে। এ কবিতায় লালন ফকির মানুষের জাত-পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। লালন নিজে কোন ধর্মের বা জাতের এমন প্রশ্ন আগেও ছিল, এখনো আছে। লালন বলেছেন, জাতকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন না। মনুষ্যধর্মই মুলকথা। কারো গলায় মালা, কারো হাতে তসবি থাকে। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন জাতের পরিচয় বহন করে। কিন্তু জন্ম বা মৃত্যুর সময় মানুষের জাতের কোনো চিহ্ন থাকে না। মানুষ জাত ও ধর্মভেদে যে ভিন্নতার কথা বলে লালন তা বিশ্বাস করেন না। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার কবি-পরিচিতি |
|---|
|
লালন শাহ্ মানবতাবাদী মরমি কবি। সাধক সিরাজ সাঁই বা সিরাজ
শাহর শিষ্যত্ব গ্রহণ করার পর তিনি লালন সাঁই বা লালন শাহ্ নামে পরিচিতি
অর্জন করেন। গানে তিনি নিজেকে ফকির লালন হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।
প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যালাভ না করলেও নিজের চিন্তা ও সাধনায় তিনি হিন্দু ও
মুসলমানের ধর্মীয় শাস্ত্র সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান অর্জন করেন। এই জ্ঞানের
সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির মিলনে তিনি নতুন এক দর্শন প্রচার করেন।
গানের মধ্য দিয়ে তাঁর এই দর্শন প্রকাশ পেয়েছে। অধ্যাত্মভাব ও
মরমি রসব্যঞ্জনা তাঁর গানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। তিনি সহস্রাধিক গান রচনা করেন। লালন শাহ্ ১৭৭২ খ্রিষ্টাব্দে ঝিনাইদহ, মতান্তরে কুষ্টিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে কুষ্টিয়ার ছেউরিয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার কর্ম-অনুশীলন : |
|---|
| ক. তোমার চারদিকে নানা শ্রেণিপেশা ও ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের মানুষ রয়েছে। এদের সম্পর্কে তোমার সহপাঠীদের মনোভাব জেনে একটি গবেষণা নিবন্ধ তৈরি কর। শিক্ষকদের সহযোগিতায় প্রশ্নমালা তৈরি করে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে এবং তার আলোকে বিচার-বিশ্লেষণ করে উপস্থাপন করতে হবে। জাতি, ধর্ম, গোত্র, শ্রেণি, পেশা নির্বিশেষে সকল মানুষই যে শ্রদ্ধা ও সম্মান পাওয়ার যোগ্য-এই দৃষ্টিকোণ থেকে কাজটি করতে হবে। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন: |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
প্রশ্ন-১: সব লোকে লালনের কী নিয়ে প্রশ্ন তোলে? উত্তর: সব লোকে লালনের জাত নিয়ে প্রশ্ন তোলে। প্রশ্ন-২: জগৎ বেড়ে কীসের কথা? উত্তর: জগৎ বেড়ে জেতের কথা। প্রশ্ন-৩: লালনের গানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী? উত্তর: লালনের গানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো অধ্যাত্মভাব ও মরমি রসব্যঞ্জনা। প্রশ্ন-৪: লালন শাহ্ কোনটিকে গুরুত্বহীন মনে করেন? উত্তর: লালন শাহ্ জাতকে গুরুত্বহীন মনে করেন। প্রশ্ন-৫: লালন শাহ্ কীসের মাধ্যমে দর্শন প্রকাশ করেছেন? উত্তর: লালন শাহ্ গানের মাধ্যমে দর্শন প্রকাশ করেছেন। প্রশ্ন-৬: লালন শাহ্ গানে নিজেকে কী হিসেবে উল্লেখ করেছেন? উত্তর: লালন শাহ্ গানে নিজেকে ফকির লালন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রশ্ন-৭: লালনের রচিত গানের সংখ্যা কত? উত্তর: লালনের রচিত গানের সংখ্যা সহস্রাধিক। প্রশ্ন-৮: ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূলকথা কী? উত্তর: ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূলকথা হলো মনুষ্যধর্ম। প্রশ্ন-৯: সব লোকে লালনের কী নিয়ে প্রশ্ন তোলে? উত্তর: সব লোকে লালনের জাত নিয়ে প্রশ্ন তোলে। প্রশ্ন-১০: জগৎ বেড়ে কীসের কথা? উত্তর: জগৎ বেড়ে জেতের কথা। প্রশ্ন-১১: লালনের গানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী? উত্তর: লালনের গানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো অধ্যাত্মভাব ও মরমি রসব্যঞ্জনা। প্রশ্ন-১২: লালন শাহ্ কোনটিকে গুরুত্বহীন মনে করেন? উত্তর: লালন শাহ্ জাতকে গুরুত্বহীন মনে করেন। প্রশ্ন-১৩: লালন শাহ্ কীসের মাধ্যমে দর্শন প্রকাশ করেছেন? উত্তর: লালন শাহ্ গানের মাধ্যমে দর্শন প্রকাশ করেছেন। প্রশ্ন-১৪: লালন শাহ গানে নিজেকে কী হিসেবে উল্লেখ করেছেন? উত্তর: লালন শাহ গানে নিজেকে ফকির লালন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রশ্ন-১৫: লালনের রচিত গানের সংখ্যা কত? উত্তর: লালনের রচিত গানের সংখ্যা সহস্রাধিক। প্রশ্ন-১৬: ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূলকথা কী? উত্তর: ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূলকথা হলো মনুষ্যধর্ম। প্রশ্ন-১৭: ‘কূপজল’ অর্থ কী? উত্তর: ‘কূপজল’ অর্থ কুয়োর পানি। প্রশ্ন-১৮: জল কোথায় গেলে তাকে গঙ্গাজল বলা হয়? উত্তর: জল গঙ্গায় গেলে তাকে গঙ্গাজল বলা হয়। প্রশ্ন-১৯: লোকে কীসের কথা নিয়ে গৌরব করে? উত্তর: লোকে জাতের কথা নিয়ে গৌরব করে। প্রশ্ন-২০: লালন শাহের গানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী? উত্তর: আধ্যাত্মভাব ও মরমি রসব্যঞ্জনা লালন শাহের গানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। প্রশ্ন-২১: লালন শাহ কী ধরনের মরমি কবি? উত্তর: লালন শাহ মানবতাবাদী মরমি কবি। প্রশ্ন-২২: লালন শাহ্ কী ধরনের কবি? উত্তর: লালন শাহ্ মানবতাবাদী মরমি কবি। প্রশ্ন-২৩: লালন শাহ্-এর গুরু কে ছিলেন? উত্তর: লালন শাহের গুরু ছিলেন সিরাজ সাঁই। প্রশ্ন-২৪: লালন জেতের ফাতা কোথায় বিকিয়েছেন? উত্তর: লালন জেতের ফাতা সাত বাজারে বিকিয়েছেন। প্রশ্ন-২৫: কোন জল হিন্দুদের কাছে পবিত্রতার প্রতীক? উত্তর: গঙ্গার জল হিন্দুদের কাছে পবিত্রতার প্রতীক। প্রশ্ন-২৬: লালন শাহ্ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন? উত্তর: লালন শাহ্ ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার অনুধাবনমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
প্রশ্ন-১: ‘লালন সে জেতের ফাতা বিকিয়েছে সাত বাজারে’ ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-২: লালনকে কেন কোনো জাত বা ধর্মের বলা যায় না?
প্রশ্ন-৩: ‘লালন কয় জেতের কী রূপ, দেখলাম না এ নজরে’ ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-৪: লালন ‘মানবধর্ম’ কবিতায় জাতের সাথে জলের তুলনা করেছেন
কীভাবে?
প্রশ্ন-৫: মালা, তসবি গলায় থাকলেই জাতি ভিন্ন হয় না কীভাবে?
প্রশ্ন-৬: জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-৭: ‘সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে’—ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-৮: ‘মানবধর্ম’ কবিতায় লালনের কী ধরনের মানসিকতা লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-৯: জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয় কেন?
প্রশ্ন-১০: ‘যাওয়া কিংবা আসার বেলায়’ বলতে লালন কী বুঝিয়েছেন?
প্রশ্ন-১১: কবি মানুষকে জাত-ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন কেন?
প্রশ্ন-১২: ‘কূপজল’ ও ‘গঙ্গাজল’ কীভাবে অভিন্ন সত্তা? বুঝিয়ে লেখো।
প্রশ্ন-১৩: ‘ভিন্ন জানায় পাত্র-অনুসারে’—পঙ্ক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-১৪: ‘লোকে গৌরব করে যথা-তথা’—বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন-১৫: জলের মাধ্যমে ‘মানবধর্ম’ কবিতায় কীভাবে মানুষকে রূপায়িত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-১৬: ‘লালন সে জেতের ফাতা বিকিয়েছে সাত বাজারে’—ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-১৭: লালনকে কেন কোনো জাত বা ধর্মের বলা যায় না?
প্রশ্ন-১৮: ‘লালন কয় জেতের কী রূপ, দেখলাম না এ নজরে’—ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-১৯: লালন ‘মানবধর্ম’ কবিতায় জাতের সাথে জলের তুলনা করেছেন কীভাবে?
প্রশ্ন-২০: মালা, তসবি গলায় থাকলেই জাতি ভিন্ন হয় না—কীভাবে? |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘কূপজল’ অর্থ কী? |
|
ক. ‘কূপজল’ অর্থ কুয়োর পানি।
গ. উদ্দীপকে পৃথিবীর সকল ধর্ম ও জাতির মানুষকে এক ‘মানুষ জাতি’ হিসেবে
মনে করা হয়েছে। যা ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূল ভাবের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. উদ্দীপক ও ‘মানবধর্ম’ কবিতায় মানুষের সংকীর্ণ সম্প্রদায়গত পরিচয়ের
চেয়েও মানুষ হিসেবে মানুষের পরিচয়কেই সবচেয়ে বড় করে তোলা হয়েছে। মানুষের
চেয়ে অন্য কোনো পরিচয় এখানে প্রাধান্য পায়নি। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লালন শাহ্ কী ধরনের মরমি কবি? |
|
ক. লালন শাহ মানবতাবাদী মরমি কবি।
গ. উদ্দীপকে সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের আচরণে ‘মানবধর্ম’ কবিতার জাতপাতের
ভেদাভেদ না করার বিপরীত দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ. ‘মানবধর্ম’ কবিতায় উদ্দীপকের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের বিভেদমূলক
মনমানসিকতার পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে- উক্তিটি যথার্থ। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লালন শাহ্ কী ধরনের কবি? |
|
ক. লালন শাহ্ মানবতাবাদী মরমি কবি।
গ. উদ্দীপকে ‘মানবধর্ম’ কবিতার মানুষ হিসেবে মনুষ্যত্বের শ্রেষ্ঠত্বের
দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ. উদ্দীপকে ফুটে উঠা দিকটিতে ‘মানবধর্ম’ কবিতার মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব যে
মানুষ পরিচয়ে সে বিষয়টি ফুটে উঠেছে মাত্র। কবিতায় প্রকাশিত অন্য বিষয়গুলো
ফুটে ওঠেনি। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লোকে কীসের কথা নিয়ে গৌরব করে? |
|
ক. লোকে জাতের কথা নিয়ে গৌরব করে।
গ. সকল প্রকার হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে মানবতার প্রাধান্য দেয়ার দিক দিয়ে
উদ্দীপক ও ‘মানবধর্ম’ কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. “উদ্দীপকটি ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূল ভাবের ধারক” মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লালন জেতের ফাতা কোথায় বিকিয়েছেন? |
|
ক. লালন জেতের ফাতা সাত বাজারে বিকিয়েছেন।
গ. উদ্দীপকেও মানুষের জন্ম ও মৃত্যু নিয়ে আলোচনা রয়েছে, যা ‘মানবধর্ম’
কবিতার সঙ্গে ভাবগত সাদৃশ্য সৃষ্টি করে।
ঘ. উদ্দীপকের লেখক ও ‘মানবধর্ম’ কবিতার কবি একই মতবাদে বিশ্বাসী। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কোন জল হিন্দুদের কাছে পবিত্রতার প্রতীক? |
|
ক. গঙ্গার জল হিন্দুদের কাছে পবিত্রতার প্রতীক।
গ. জাতের বিভেদ না করে মানবধর্মে উদ্দীপ্ত হওয়ার দিক দিয়ে সম্রাট বাবরের
সঙ্গে লালন শাহ্ সাদৃশ্য আছে।
ঘ. ‘ও মেথরের সন্তান ওকে তুলে নেয়ার দরকার নেই’ উদ্দীপকের এ কথাটিতে
জাতিভেদ প্রথার নিষ্ঠুরতা প্রকাশ পেয়েছে। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লালন শাহ্ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন? |
|
ক. লালন শাহ্ ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
গ. উদ্দীপকের প্রথম কবিতাংশের সাথে ‘মানবধর্ম’ কবিতার সাদৃশ্য লক্ষ করা
যায়।
ঘ. উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশে ‘মানবধর্ম’ কবিতার মনুষ্যত্ববোধ প্রস্ফুটিত
হয়েছে। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. জল কোথায় গেলে তাকে গঙ্গাজল বলা হয়? |
|
ক. জল গঙ্গায় গেলে তাকে গঙ্গাজল বলা হয়।
গ. উদ্দীপকটিতে ‘মানবধর্ম’ কবিতায় মানুষের আসল পরিচয়ের দিকটি ফুটে
উঠেছে।
ঘ. উদ্দীপকটিতে ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূলসুর ধ্বনিত হয়েছে। উক্তিটি
যথার্থ। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘কূপজল’ অর্থ কী? |
|
ক. ‘কূপজল’ অর্থ কুয়োর পানি।
গ. উদ্দীপকে পৃথিবীর সকল ধর্ম ও জাতির মানুষকে এককভাবে ‘মানুষ জাতি’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূল ভাবের সঙ্গে গভীরভাবে সংগতিপূর্ণ।
ঘ. উদ্দীপক ও ‘মানবধর্ম’ কবিতায় মানুষের সংকীর্ণ সম্প্রদায়গত পরিচয়ের চেয়ে তার মানবিক পরিচয়কেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানে মানুষের পরিচয় ধর্ম, বর্ণ বা জাতিগত বিভেদের ঊর্ধ্বে স্থান পেয়েছে। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. জল কোথায় গেলে তাকে গঙ্গাজল বলা হয়? |
|
ক. জল গঙ্গায় গেলে তাকে গঙ্গাজল বলা হয়।
গ. উদ্দীপকটিতে ‘মানবধর্ম’ কবিতায় মানুষের আসল পরিচয়ের দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ. উদ্দীপকটিতে ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূলসুর ধ্বনিত হয়েছে। উক্তিটি যথার্থ। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লোকে কীসের কথা নিয়ে গৌরব করে? |
|
ক. লোকে জাতের কথা নিয়ে গৌরব করে।
গ. সকল প্রকার হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে মানবতার প্রাধান্য দেয়ার দিক দিয়ে উদ্দীপক ও ‘মানবধর্ম’ কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. “উদ্দীপকটি ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূল ভাবের ধারক”—মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লালন শাহের গানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী? |
|
ক. আধ্যাত্মভাব ও মরমি রসব্যঞ্জনা লালন শাহের গানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
গ. উদ্দীপকে পৃথিবীর সকল ধর্ম ও জাতির মানুষকে এক ‘মানুষ জাতি’ হিসেবে মনে করা হয়েছে। যা ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূল ভাবের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. মানুষে মানুষে যে কৃত্রিম ভেদাভেদ তা মানবধর্মের বিশাল আঙিনায় এসে ধুলায় লুটোপুটি খায়। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লালন শাহ কী ধরনের মরমি কবি? |
|
ক. লালন শাহ মানবতাবাদী মরমি কবি।
গ. উদ্দীপকে সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের আচরণে ‘মানবধর্ম’ কবিতার জাতপাতের ভেদাভেদ না করার বিপরীত দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ. ‘মানবধর্ম’ কবিতায় উদ্দীপকের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের বিভেদমূলক মনমানসিকতার পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে- উক্তিটি যথার্থ। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লালন শাহ্ কী ধরনের কবি? |
|
ক. লালন শাহ্ মানবতাবাদী মরমি কবি।
গ. উদ্দীপকে ‘মানবধর্ম’ কবিতার মানুষ হিসেবে মনুষ্যত্বের শ্রেষ্ঠত্বের দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ. উদ্দীপকে ফুটে উঠা দিকটিতে ‘মানবধর্ম’ কবিতার মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব যে মানুষ পরিচয়ে সে বিষয়টি ফুটে উঠেছে মাত্র। কবিতায় প্রকাশিত অন্য বিষয়গুলো ফুটে ওঠেনি। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : ক. লালন শাহ্-এর গুরু কে ছিলেন? খ. ‘কূপজল’ ও ‘গঙ্গাজল’ কীভাবে অভিন্ন সত্তা? বুঝিয়ে লেখো। গ. উদ্দীপকে ‘মানবধর্ম’ কবিতার কোন আদর্শবোধের পরিচয় মেলে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. “উদ্দীপকের মূলভাব ও ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূলভাব যেন একই ধারায় প্রবাহিত।” মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো। |
|
ক. লালন শাহের গুরু ছিলেন সিরাজ সাঁই।
গ. উদ্দীপকে ‘মানবধর্ম’ কবিতার মানবতাবোধের পরিচয় মেলে।
ঘ. উদ্দীপকের মূলভাব হলো মানবতাবোধ, যা ‘মানবধর্ম’ কবিতারও মূলভাব। তাই বলা যায় মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লালন জেতের ফাতা কোথায় বিকিয়েছেন? |
|
ক. লালন জেতের ফাতা সাত বাজারে বিকিয়েছেন।
গ. উদ্দীপকেও মানুষের জন্ম ও মৃত্যু নিয়ে আলোচনা রয়েছে, যা ‘মানবধর্ম’ কবিতার সঙ্গে ভাবগত সাদৃশ্য সৃষ্টি করে।
ঘ. উদ্দীপকের লেখক ও ‘মানবধর্ম’ কবিতার কবি একই মতবাদে বিশ্বাসী। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কোন জল হিন্দুদের কাছে পবিত্রতার প্রতীক? |
|
ক. গঙ্গার জল হিন্দুদের কাছে পবিত্রতার প্রতীক।
গ. জাতের বিভেদ না করে মানবধর্মে উদ্দীপ্ত হওয়ার দিক দিয়ে সম্রাট বাবরের সঙ্গে লালন শাহ্র সাদৃশ্য আছে।
ঘ. ‘ও মেথরের সন্তান ওকে তুলে নেয়ার দরকার নেই’—উদ্দীপকের এ কথাটিতে জাতিভেদ প্রথার নিষ্ঠুরতা প্রকাশ পেয়েছে। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লালন শাহ্ কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন? |
|
ক. লালন শাহ্ ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
গ. উদ্দীপকের প্রথম কবিতাংশের সাথে ‘মানবধর্ম’ কবিতার সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
ঘ. উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশে ‘মানবধর্ম’ কবিতার মনুষ্যত্ববোধ প্রস্ফুটিত হয়েছে। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লালন শাহ কী ধরনের কবি? |
|
ক. লালন শাহ্ মানবতাবাদী মরমি কবি।
গ. উদ্দীপকে ‘মানবধম’ কবিতার জাত-প্রথার উর্ধ্বে মানবতার দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ. শ্রেণিবৈষমাহীন সমাজ এবং মানবতাবাদের বিষয়ে উদ্দীপক ও ‘মানবধর্ম’ কবিতার মূলসুর একই। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. জগৎ জুড়ে লোকে কী নিয়ে গৌরব করে? |
|
ক. জগৎ জুড়ে লোকে জাতের কথা নিয়ে গৌরব করে।
গ. সাম্যবাদী চেতনার বিষয়ে উদ্দীপকের সাথে ‘মানবধর্ম’ কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. “উদ্দীপকের মহাত্মা গান্ধীর চেতনা যেন ‘মানবধর্ম’ কবিতার কবির চেতনার অনুরূপ মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. লালন শাহ্’র গুরু কে ছিলেন? |
| ‘মানবধর্ম’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘জগৎ’ শব্দের অর্থ কী? |
| তথ্যসূত্র: |
|---|
|
১. সাহিত্য কণিকা: অষ্টম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড,
বাংলাদেশ, ২০২৫। ২. বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ। ৩. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, এপ্রিল, ২০১৮। ৪. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ১৮তম, ২০১৫। |
