বন্দনা- শাহ মুহম্মদ সগীর
|
| বন্দনা : শাহ মুহম্মদ সগীর |
বন্দনা
শাহ মুহম্মদ সগীর
দ্বিতীয়ে
প্রণাম
করোঁ মাও বাপ
পাএ।
যান দয়া
হন্তে জন্ম হৈল
বসুধায়॥
পিঁপিড়ার ভয়ে মাও না
থুইলা
মাটিত।
কোল্ দিআ বুক দিআ জগতে
বিদিত॥
অশক্য
আছিলু
মুই দুর্বল
ছাবাল।
তান দয়া হন্তে হৈল এ
ধড় বিশাল॥
না খাই খাওয়াএ পিতা না পরি পরাএ।
কত দুক্ষে একে একে বছর
গোঞাএ॥
পিতাক
নেহায়
জিউ জীবন
যৌবন।
কনে বা সুধিব
তান ধারক
কাহন॥
ওস্তাদে প্রণাম করোঁ পিতা হন্তে
বাড়।
দোসর-জনম দিলা
তিঁহ সে
আহ্মার॥
আহ্মা পুরবাসী আছ
জথ পৌরজন।
ইষ্ট মিত্র আদি জথ সভাসদগণ॥
তান সভান পদে
মোহার বহুল
ভকতি।
সপুটে প্রণাম মোহার
মনোরথ গতি ॥
মুহম্মদ সগীর হীন বহোঁ পাপ ভার।
সভানক পদে দোয়া মাগোঁ
বার বার॥
| ‘বন্দনা’ কবিতার পাঠবিশ্লেষণ: |
|---|
|
দ্বিতীয়ে প্রণাম করোঁ মাও বাপ পাএ। দ্বিতীয়ত সালাম করি মা-বাবাকে, যাদের দয়ার দ্বারা পৃথিবীতে আমার জন্ম হলো।
পিঁপিড়ার ভয়ে মাও না থুইলা মাটিত। পোকামাকড় থেকে রক্ষা করতে মা খুব সাবধানে সুরক্ষিত রাখতেন, কোলে করে, বুকে করে রেখেছেন, যা পৃথিবীর সবাই জানে।
অশক্য আছিলু মুই দুর্বল ছাবাল। সাধ্যহীন, সামর্থহীন দুর্বল শিশু ছিলাম আমি, তাঁর দয়া ও যত্নের দ্বারা এ দেহ এত বড় হলো।
না খাই খাওয়াএ পিতা না পরি পরাএ। পিতা না খেয়ে আমাকে খাওয়াতেন, নিজে পোশাক না কিনে আমাকে পরাতেন, বছরের পর বছর কত দুঃখ সয়ে পার করেছেন সময়।
পিতাক নেহায় জিউ জীবন যৌবন। বাবা তাঁর মন-প্রাণ, জীবন-যৌবন সব বিসর্জন দিলেন, কাকে না জানাব তাঁর জীবনী ধারণ করা কাহিনি/গল্প।
ওস্তাদে প্রণাম করোঁ পিতা হন্তে বাড়। শিক্ষককে সম্মান কর পিতার চেয়ে বেশি।
আহ্মা পুরবাসী আছ জথ পৌরজন। তিনিও দ্বিতীয়বার জন্ম দিয়েছেন অশিক্ষার অন্ধকার থেকে বের করে আলোতে নিয়ে এসে, শিক্ষার আলো দিয়ে, সাধারণ নগরবাসী যতজন নাগরিকই আছেন।
তান সভান পদে মোহার বহুল ভকতি। আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব ও বয়োজেষ্ঠ মন্ত্রী আমলাগণ, তাদের সবার পায়ে আমার অনেক শ্রদ্ধা/কদমবুচি।
মুহম্মদ সগীর হীন বহোঁ পাপ ভার। আমার মনের ইচ্ছা তাদের নিজের হাতে কদমবুচি করা, খুবই সাধারণ গুরুত্বহীন আমি অনেক পাপে পাপী, সভায় উপস্থিত সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি বহুবার। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার উৎস নির্দেশ: |
|---|
| শাহ মুহম্মদ সগীরের ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যের ‘বন্দনা’ পর্ব থেকে গৃহীত এই কবিতাংশ ‘বন্দনা’ নামে সংকলিত হয়েছে। ‘বন্দনা’ পর্ব যথেষ্ট বড়ো, এখানে শুধু গুরুজনদের প্রতি বন্দনার অংশটুকু স্থান পেয়েছে। |
| শব্দার্থ ও টীকা: |
|---|
|
➠ বন্দনা- স্তুতি; প্রশংসা; প্রশংসা গীত। ➠ প্রণাম- নত হয়ে গুরুজনের পদধূলি গ্রহণ; অভিবাদন। ➠ মাও- মায়ে। ➠ করোঁ- করি। ➠ পাএ- পায়ে; চরণে। ➠ যান- যার। ➠ হন্তে- হতে; থেকে। ➠ বসুধায়- পৃথিবীতে। ➠ থুইলা- রাখল। ➠ মাটিত- মাটিতে। ➠ দিআ- দিয়ে ➠ বিদিত- জ্ঞাত; সবার জানা। ➠ অশক্য- অশক্ত; দুর্বল। ➠ আছিলু- ছিলাম। ➠ মুই- আমি। ➠ ছাবাল- ছাওয়াল; ছেলে; সন্তান। ➠ তান- তাঁর। ➠ হন্তে- দ্বারা। ➠ ধড়- শরীর। ➠ বিশাল- বড়। ➠ দুক্ষে- দুঃখে। ➠ গোঙাও- গুজরান করে; অতিবাহিত করে। ➠ পিতাক- পিতাকে। ➠ নেহায়- স্নেহ; অতিক্রম করে; বিসর্জন দেয়ে। ➠ জিউ- আয়ু; জীবিত থাকা; প্রাণ; মন। ➠ কনে- কখনও। ➠ ধারক- ধারের; ঋণের। ➠ কাহন- ষোলপণ; টাকা। ➠ বাড়- বাড়া, বেশি। ➠ দোসর- দ্বিতীয়। ➠ দোসর-জনম- দ্বিতীয় জন্ম। ➠ দিলা- দিলেন। ➠ সে আন্ধার- শৈশবের সে অশিক্ষা/অজ্ঞতা। ➠ তিঁহ- তিনিও। ➠ আহ্মার- আমার। ➠ পুরবাসী- নগরবাসী। ➠ আছ- আছেন। ➠ জথ- যতজন। ➠ পৌরজন- নাগরিক। ➠ ইস্ট- আত্মীয়। ➠ মিত্র- বন্ধু। ➠ আদি- বয়স্ক। ➠ সভাসদ- রাজার মন্ত্রীসভার সদস্যগণ। ➠ তান- তাঁদের, ➠ সভান- সবার; সকলের। ➠ পদে- পায়ে। ➠ মোহার- আমার। ➠ বহুল- অনেক। ➠ ভকতি>ভক্তি- মান্য বা শ্রদ্ধেয় ব্যক্তির প্রতি অনুরাগ; শ্রদ্ধা। ➠ গতি- স্বভাব। ➠ সপুটে- করজোড়ে; নিজের হাতে। ➠ মনোরথ- ইচ্ছা; অভিলাষ। ➠ গতি- স্বভাব। ➠ হীন- গুরুত্বহীন। ➠ বহোঁ- বহন করে। ➠ পাপ ভার- পাপের বোঝা। ➠ সভানক- সবার। ➠ পদে- পায়ে। ➠ মাগোঁ- প্রার্থনা করা। ➠ পিঁপিড়ার ভয়ে মাও না ধুইলা মাটিত- মায়ের স্নেহ মমতার তুলনা নেই। মায়ের সদাজাগ্রত কল্যাণদৃষ্টি সন্তানের জীবনপথের পাথেয় স্বরূপ। শিশুকে মা বহু যত্নে লালন-পালন করেন। পিঁপড়ার ভয়ে মা সন্তানকে মাটিতে রাখেনি- এই কথা উল্লেখ করে কবি মায়ের সেই স্নেহ মমতা ও কল্যাণ দৃষ্টিকেই বড় করে তুলেছেন। ➠ অশক্য আছিলু মুই দুর্বল ছাবাল- এখানে কবি মানব শিশুর শৈশবকালীন অসহায় অবস্থার প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। মায়ের আদর-যত্ন ও পরিচর্যা লাভ করে শিশু ধীরে ধীরে পরিণত মানুষ হয়ে উঠে। কবি তাঁর স্নেহময়ী মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে এই পঙক্তিটি ব্যবহার করেছেন। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার পাঠ-পরিচিতি: |
|---|
| কবি ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যের প্রারম্ভে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর প্রশংসা করেছেন। সংকলিত এই কবিতাংশে জন্মদাতা পিতামাতার ও জ্ঞানদাতা শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। পিতামাতা অশেষ দুঃখকষ্ট স্বীকার করে পরম যত্নে সন্তানকে বড়ো করে তোলেন। শিক্ষক জ্ঞানদান করে তাকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। তাই তাঁদের প্রতি অফুরন্ত শ্রদ্ধা দেখাতে হবে। কবি তাঁর কাব্য রচনায় সাফল্য লাভের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন। শ্রদ্ধাবোধ ও কৃতজ্ঞতা মনুষ্যত্বের প্রধান ধর্ম। কবিতাংশে তা-ই প্রকাশিত হয়েছে। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার কবি পরিচিতি: |
|---|
| শাহ মুহম্মদ সগীর আনুমানিক ১৪-১৫ শতকের কবি। মুসলমান কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালে (১৩৯৩-১৪০৯ খ্রিষ্টাব্দ) ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্য রচনা করেন। কাব্যটি পঞ্চদশ শতকের প্রথম দশকে রচিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। কাব্যের রাজবন্দনায় ‘মহামতি গ্যেছ’ বলে যাঁকে উল্লেখ করা হয়েছে তিনি গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ বলে অনুমিত। শাহ মুহম্মদ সগীরের কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ করে ড. মুহাম্মদ এনামুল হক তাঁকে চট্টগ্রামের অধিবাসী বলে বিবেচনা করেছেন। শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যে দেশি ভাষায় ধর্মীয় উপাখ্যান বর্ণনা করতে চেয়েছিলেন, তবে কাব্যে ধর্মীয় পটভূমি থাকলেও তা হয়ে উঠেছে মানবিক প্রেমোপাখ্যান। |
| বহুনির্বাচনি প্রশ্ন : |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
| ‘বন্দনা’ কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: |
|---|
| প্রশ্ন-১: শাহ মুহম্মদ সগীর কত শতকের কবি? উত্তর: শাহ মুহম্মদ সগীর আনুমানিক ১৪-১৫ শতকের। প্রশ্ন-২: মুসলমান কবিদের মধ্যে কে প্রাচীনতম? উত্তর: মুসলমান কবিদের মধ্যে শাহ মুহম্মদ সগীর প্রাচীনতম। প্রশ্ন-৩: ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্য কে রচনা করেন? উত্তর: ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্য শাহ মুহম্মদ সগীর রচনা করেন। প্রশ্ন-৪: শাহ মুহম্মদ সগীর কোন সুলতানের রাজত্বকালে কাব্য রচনা করেন? উত্তর: শাহ মুহম্মদ সগীর গৌড়ের সুলতান গিয়াস উদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালে কাব্য রচনা করেন। প্রশ্ন-৫: ‘শাহ মুহম্মদ সগীরের কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায়’— এটি কার ধারণা? উত্তর: এটি ড. মুহাম্মদ এনামুল হকের ধারণা। প্রশ্ন-৬: ‘বন্দনা’ কবিতা মতে, কার মাধ্যমে আমরা পৃথিবীতে এসেছি? উত্তর: ‘বন্দনা’ কবিতা মতে, আমরা মা-বাবার মাধ্যমে পৃথিবীতে এসেছি। প্রশ্ন-৭: ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত—‘দুর্বল ছাবাল’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? উত্তর: ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত—‘দুর্বল ছাবাল’ বলতে দুর্বল সন্তান বোঝানো হয়েছে। প্রশ্ন-৮: ‘বন্দনা’ কবিতা মতে, সন্তান কার ঋণ ষোলো আনা শোষ করতে পারে না? উত্তর: ‘বন্দনা’ কবিতা মতে, সন্তান পিতা-মাতার ঋণ ষোলো আনা শোধ করতে পারে না। প্রশ্ন-৯: একজন শিশুকে কে শিক্ষা দিয়ে বড়ো করে তোলেন? উত্তর: শিক্ষক একজন শিশুকে শিক্ষা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। প্রশ্ন-১০: ‘বন্দনা’ কবিতায় ‘পিতা হন্তে বাড়’—কার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে? উত্তর: ‘বন্দনা’ কবিতায় ‘পিতা হন্তে বাড়’—ওস্তাদ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে। প্রশ্ন-১১: ‘বন্দনা’ কবিতায় দ্বিতীয়ে পিতামাতাকে বন্দনা করা হলে প্রথমে কে? উত্তর: ‘বন্দনা’ কবিতায় দ্বিতীয়ে পিতামাতাকে বন্দনা করা হলে প্রথমে মহান আল্লাহ। প্রশ্ন-১২: ‘তান দয়া’—এখানে কার দয়ার কথা বলা হয়েছে? উত্তর: পিতামাতার দয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রশ্ন-১৩: ‘বন্দনা’ কবিতায় মা সন্তানকে মাটিতে রাখেন না কেন? উত্তর: বিপদ হতে পারে ভেবে মা সন্তানকে মাটিতে রাখেন না। প্রশ্ন-১৪: ‘অশক্য’ শব্দটি দ্বারা ‘বন্দনা’ কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে? উত্তর: ‘অশক্য’ শব্দটি দ্বারা ‘বন্দনা’ কবিতায় শিশুর অসহায় অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে?। প্রশ্ন-১৫: শিক্ষকের শিক্ষাদানকে দোসর জনম বলার কারণ কী? উত্তর: শিক্ষক শিক্ষার মাধ্যমে বড়ো করে তোলেন বলে। প্রশ্ন-১৬: ‘বন্দনা’ কবিতার মূল প্রতিপাদ্য কী? উত্তর: 'বন্দনা' কবিতার মূল প্রতিপাদ্য পিতামাতার প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন। প্রশ্ন-১৭: ‘পুরাবাসী’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘পুরাবাসী’ শব্দের অর্থ নগরবাসী। প্রশ্ন-১৮: ‘ছাবাল’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘ছাবাল’ শব্দের অর্থ সন্তান। প্রশ্ন-১৯: ‘তান’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘তান’ শব্দের অর্থ তাঁর। প্রশ্ন-২০: ‘থুইলা’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘থুইলা’ শব্দের অর্থ রাখলা। প্রশ্ন-২১: ছোটবেলা মানুষ কিরূপ থাকে? উত্তর: ছোটবেলা মানুষ দুর্বল থাকে। প্রশ্ন-২২: ‘আহ্মা’ শব্দটির উচ্চারণ কী? উত্তর: ‘আহ্মা’ শব্দটির উচ্চারণ আমহা। প্রশ্ন-২৩: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবির নাম কী? উত্তর: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবির নাম শাহ মুহম্মদ সগীর। প্রশ্ন-২৪: ‘বন্দনা’ কবিতায় পিতার চেয়েও কাকে বেশি শ্রদ্ধা দেখাতে বলা হয়েছে? উত্তর: ‘বন্দনা’ কবিতায় পিতার চেয়েও মাকে বেশি শ্রদ্ধা দেখাতে বলা হয়েছে। প্রশ্ন-২৫: ‘সপুটে’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘সপুটে’ শব্দের অর্থ করজোড়ে। প্রশ্ন-২৬: ‘বন্দনা’ কবিতায় কোন অঞ্চলের শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায়? উত্তর: বন্দনা কবিতায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। প্রশ্ন-২৭: ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যের কোন অংশটুকু ‘বন্দনা’ কবিতায় স্থান পেয়েছে? উত্তর: ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যের গুরুজনের প্রতি বন্দনার অংশটুকু স্থান পেয়েছে। প্রশ্ন-২৮: ‘বন্দনা’ কবিতায় কবি কাদের নিকট বারবার দোয়া চেয়েছেন? উত্তর: ‘বন্দনা’ কবিতায় কবি সভানক অর্থাৎ সবার নিকট বারবার দোয়া চেয়েছেন। প্রশ্ন-২৯: ‘তিঁহ’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘তিহ’ শব্দের অর্থ তিনিও। প্রশ্ন-৩০: কার দয়াতে একজন শিশু বসুধায় আসে? উত্তর: পিতামাতার দয়াতে একজন শিশু বসুধায় আসে। প্রশ্ন-৩১: শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ কীর্তি কোনটি? উত্তর: শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ কীর্তি 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্যগ্রন্থ। প্রশ্ন-৩২: ‘বন্দনা’ কবিতা মতে, কার ভয়ে মা তার সন্তানকে মাটিতে রাখেন না? উত্তর: ‘বন্দনা’ কবিতা মতে, পিপড়ার ভয়ে মা তার সন্তানকে মাটিতে রাখেন না। প্রশ্ন-৩৩: ‘বন্দনা’ কবিতাটি কে রচনা করেছেন? উত্তর: ‘বন্দনা’ কবিতাটি রচনা করেছেন শাহ মুহম্মদ সগীর। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার অনুধাবনমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
প্রশ্ন-১: ‘দোসর জন্ম’—বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন-২: ‘কত দুক্ষে একে একে বছর গোঞাএ’—কেন এ কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-৩: ‘ওস্তাদে প্রণাম করোঁ পিতা হস্তে বাড়’—কেন?
প্রশ্ন-৪: দ্বিতীয়ে প্রণাম করোঁ মাও বাপ পাত্র—ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-৫: ‘কনে বা সুধিব তান ধারক কাহন’—ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-৬: ‘বন্দনা’ কবিতায় শিক্ষককে দ্বিতীয় জন্মদাতা বলার কারণ কী?
প্রশ্ন-৭: ‘বন্দনা’ কবিতায় দ্বিতীয়ে পিতামাতাকে প্রণাম করতে বলার কারণ কী?
প্রশ্ন-৮: ‘দুর্বল ছাবাল’ কথাটি ‘বন্দনা’ কবিতায় কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
প্রশ্ন-৯: ‘যান দয়া হস্তে জন্ম হৈল বসুধায়’—ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-১০: ‘পিঁপড়ার ভয়ে মাও না থুইলা মাটিত’—এই চরণ দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?
প্রশ্ন-১১: ‘দুর্বল ছাবাল’ বলতে কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন-১২: যান দয়া হন্তে জন্ম হৈল বসুধায়—বলতে কী বোঝ?
প্রশ্ন-১৩: কনে না সুধিব তান ধারক কাহন—কেন? ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-১৪: ‘অশক্য আছিলু মুই দুর্বল ছাবাল। তান দয়া হন্তে হৈল এ ধড় বিশাল।’—চরণটি ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-১৫: ‘ওস্তাদে প্রণাম করোঁ পিতা হন্তে বাড়’—কেন? |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও : |
|
ক.‘বন্দনা’ কবিতায় পিতার চেয়েও মাকে বেশি শ্রদ্ধা দেখাতে বলা হয়েছে। খ. দোসর অর্থ দ্বিতীয়। ➠ দোসর জন্ম অর্থ দ্বিতীয় জন্ম। বন্দনা কবিসংকলিত এই কবিতাংশে জন্মদাতা পিতামাতার ও জ্ঞানদাতা শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন । পিতামাতা অশেষ দুঃখকষ্ট স্বীকার করে পরম যত্নে সন্তানকে বড় করে তোলেন। শিক্ষক জ্ঞানদান করে তাকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। তাই তাঁদের প্রতি অফুরন্ত শ্রদ্ধা দেখাতে হবে। তাই শিক্ষক দোসর জন্ম দিয়ে থাকে। গ. উদ্দীপকের বায়েজিদের মাঝে 'বন্দনা' কবিতার যে দিক প্রকাশ পেয়েছে হলো স্নেহময়ী মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। ➠ উদ্দীপকে বায়োজিতের মা পানি খেতে চান। পানি ঘরে না পাওয়ায় বায়োজিদ পানি আনতে যান। তারপরে দেখেন তার মা ঘুমিয়ে পড়েন । তিনি তার মাকে ডাকলেন না।মায়ের কষ্ট যাতে না হয় সেজন্য বায়োজিদ তার মায়ের মাথার কাছে পানির গ্লাস ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। যেন ঘুম থেকে জাগলেই পানি দিতে পারেন। মা যেন পিপাসায় কষ্ট না পান। ➠ অন্যদিকে মা অনেক কষ্টে সন্তানদের লালন-পালন করে গড়ে তুলেন। মায়ের আদর যত্ন ও পরিচর্যা লাভ করে শিশু ধীরে ধীরে মানুষ হয়ে ওঠে। তাই আমাদের মায়ের এই কষ্টের প্রতিদান হিসেবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে এবং বৃদ্ধ বয়সে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে যেমনটা তারা শিশু এবং কৈশোর কালে করিয়েছেন। সাফল্য লাভের জন্য পিতা-মাতার কাছে দোয়া চাইতে হবে। শ্রদ্ধাবোধ ও কৃতজ্ঞতা মনুষ্যত্বের প্রধান ধর্ম। ঘ. উদ্দীপকে প্রকাশিত দিকটিই ‘বন্দনা’ কবিতার একমাত্র দিক নয়। ➠ মন্তব্যটির পক্ষে আমার যুক্তি হলো উদ্দীপকে বায়োজিদ তার মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও মমতা প্রকাশ পেয়েছে। মা যেন কষ্ট না পায় এজন্য সারারাত মায়ের মাথার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন পানির গ্লাস নিয়ে। কিন্তু বন্দনা কবিতায় কবি শুধু মায়ের কথাই বলেননি এখানে বলেছেন পিতা শিক্ষক এবং গুরুজনদের। ‘বন্দনা’ পর্ব যথেষ্ট বড়, এখানে শুধু গুরুজনদের প্রতি বন্দনার অংশটুকু স্থান পেয়েছে। কবি তাঁর মূল কাব্যের প্রারম্ভে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর প্রশংসা করেছেন। ➠ সংকলিত এই কবিতাংশে জন্মদাতা পিতামাতার ও জ্ঞানদাতা শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। পিতামাতা অশেষ দুঃখকষ্ট স্বীকার করে পরম যত্নে সন্তানকে বড় করে তোলেন। শিক্ষক জ্ঞানদান করে তাকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। তাই তাঁদের প্রতি অফুরন্ত শ্রদ্ধা দেখাতে হবে। কবি তাঁর কাব্য রচনায় সাফল্য লাভের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন। শ্রদ্ধাবোধ ও কৃতজ্ঞতা মনুষ্যত্বের প্রধান ধর্ম। কবিতাংশে তা-ই প্রকাশিত হয়েছে। ➠ এজন্যই উদ্দীপকে প্রকাশিত দিকটিই ‘বন্দনা’ কবিতার একমাত্র দিক নয়। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘সপুটে’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘সপুটে’ শব্দের অর্থ করজোড়ে।
গ. উদ্দীপকের শেষ দুটি চরণে ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত কবির শ্রদ্ধা-ভক্তি ও ভালোবাসার স্বরূপটিই প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ. উদ্দীপক এবং কবিতায় কৃতজ্ঞতা স্বরূপ ভক্তি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হলেও মর্মার্থে আমরা কিছুটা ভিন্নতা লক্ষ করি। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘বন্দনা’ কবিতায় কোন অঞ্চলের শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায়? |
|
ক. বন্দনা কবিতায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
গ. ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত পিতামাতার স্নেহ-বাৎসল্য উদ্দীপকে যথাযথভাবেই প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ. নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও পিতামাতা তার সন্তানের মঙ্গল করতে সচেষ্ট হন। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যের কোন অংশটুকু ‘বন্দনা’ কবিতায় স্থান পেয়েছে? |
|
ক. ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যের গুরুজনের প্রতি বন্দনার অংশটুকু স্থান পেয়েছে।
গ. উদ্দীপকে হাফিজ সাহেবের ঘটনা বর্ণনায় ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত সন্তানের জন্য পিতামাতার স্নেহ-ভালোবাসার বিষয়টি অনুপস্থিত রয়েছে।
ঘ. উদ্দীপকটি ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত বিষয়ের আংশিক ধারণ করতে পেরেছে। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘বন্দনা’ কবিতায় কবি কাদের নিকট বারবার দোয়া চেয়েছেন? |
|
ক. ‘বন্দনা’ কবিতায় কবি সভানক অর্থাৎ সবার নিকট বারবার দোয়া চেয়েছেন।
গ. ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত স্নেহ-ভালোবাসা উদ্দীপকের জাফর চরিত্রে প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ. ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত পিতামাতার স্নেহ-ভালোবাসা এবং শিক্ষকের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে কবি তাদের প্রণাম করতে বলেছেন, যা উদ্দীপকে কমান্ডার জাফর ও শিক্ষকের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘তিঁহ’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘তিহ’ শব্দের অর্থ তিনিও।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত পিতামাতা যেন ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত পিতামাতার অনুরূপ।
ঘ. উদ্দীপকে আগন্তুকের কর্মকা-ে ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত পিতামাতার স্নেহ-ভালোবাসা ও শিক্ষকের মহানুভবতা পরিলক্ষিত হয়। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কার দয়াতে একজন শিশু বসুধায় আসে? |
|
ক. পিতামাতার দয়াতে একজন শিশু বসুধায় আসে।
গ. ‘বন্দনা’ কবিতায় বর্ণিত পিতামাতার স্নেহ-বাৎসল্য উদ্দীপকে যথাযথভাবেই প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ. নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও পিতামাতা তার সন্তানের মঙ্গল করতে সচেষ্ট হন। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ কীর্তি কোনটি? |
|
ক. শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ কীর্তি ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যগ্রন্থ।
গ. ‘বন্দনা’ কবিতায় সন্তানের প্রতি পিতামাতার ভালোবাসা ও আত্মোৎসর্গের বিষয়টির বিপরীত দৃশ্য উদ্দীপকের স্তবক—১ এ প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ. সন্তানের প্রতি মা-বাবার স্নেহ মমতার বিষয়টি ‘বন্দনা’ কবিতায় প্রধানরূপে প্রতিফলিত হয়েছে, যা উদ্দীপকের স্তবক—২ এ পরিলক্ষিত হয় কিন্তু স্তবক—১ তার ব্যতিক্রম। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘বন্দনা’ কবিতা মতে, কার ভয়ে মা তার সন্তানকে মাটিতে রাখেন না? |
|
ক. ‘বন্দনা’ কবিতা মতে, পিপড়ার ভয়ে মা তার সন্তানকে মাটিতে রাখেন না।
গ. শিক্ষক জ্ঞান দান করে আমাদের মানুষ করে তোলেন, ফলে একজন মানব শিশুর সেটি হয় দ্বিতীয় জন্মের মতো। তাই তাদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা থাকতে হয়।
ঘ. উদ্দীপকটি ‘বন্দনা’ কবিতার বিষয় পুরোপুরিভাবেই ধারণ করেছে। সন্তানের জন্য পিতামাতার মঙ্গল চিন্তা এবং গুরুজনদের ভক্তি শ্রদ্ধা করার বিষয়টি এখানে প্রাধান্য লাভ করেছে। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘বন্দনা’ কবিতাটি কে রচনা করেছেন? |
|
ক. ‘বন্দনা’ কবিতাটি রচনা করেছেন শাহ মুহম্মদ সগীর।
গ. সন্তানের মঙ্গল কামনার দিক থেকে উদ্দীপকের দুইজন বাদশার মনের আকুতির সাথে কবির মিল আছে।
ঘ. প্রশ্নোদ্ধৃত উক্তিটি যথার্থ। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. শাহ মুহম্মদ সগীর কার রাজত্বকালে ‘ইউসুফ-জোলেখা’ কাব্য রচনা করেছেন? |
|
ক. শাহ মুহম্মদ সগীর গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালে ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্য রচনা করেছেন।
গ. উপরের চিত্রে অবস্থিত (?) স্থান ‘বন্দনা’ কবিতার সন্তানের জীবনে মাতাপিতার ভূমিকার দিকটিকে ইঙ্গিত করে।
ঘ. ‘বন্দনা’ কবিতায় মাতাপিতার বন্দনা ছাড়া আরও বিষয় উঠে আসায় মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘বন্দনা’ কবিতায় কাকে পিতার চেয়েও বেশি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কথা বলা হয়েছে? |
|
ক. ‘বন্দনা’ কবিতায় শিক্ষককে পিতার চেয়েও বেশি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কথা বলা হয়েছে।
গ. উদ্দীপকে ‘বন্দনা’ কবিতার শিক্ষাগুরুর প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ. উদ্দীপক ও ‘বন্দনা’ কবিতায় ফুটে ওঠা শিক্ষকের ভূমিকা বিবেচনায় মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্য কার রাজত্বকালে রচিত হয়? |
|
ক. ‘ইউসুফ জোলেখা’ গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালে রচিত হয়।
গ. উদ্দীপকের সাথে ‘বন্দনা’ কবিতার মাতার ভূমিকা সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও পিতার ভূমিকা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. উদ্দীপকে শুধু মাতাপিতার-বিষয়ক আলোচনা ফুটে ওঠায় মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি দ্বিতীয় প্রণাম করতে বলেছেন কোথায়? |
|
ক. কবি দ্বিতীয় প্রণাম করতে বলেছেন মা-বাবার পায়ে।
গ. উদ্দীপকটিতে ‘বন্দনা’ কবিতার শিক্ষকের প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ. শিক্ষক মানবশিশুকে প্রকৃত মানবে পরিণত করতে প্রয়াসী হন বলে মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘বন্দনা’ কবিতাংশটি কোন কাব্য থেকে সংকলন করা হয়েছে? |
|
ক. ‘বন্দনা’ কবিতাংশটি 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্য থেকে সংকলন করা হয়েছে।
গ. উদ্দীপকটিতে ‘বন্দনা’ কবিতার সাদৃশ্যগত দিকটি হলো পিতৃস্নেহ।
ঘ. উদ্দীপকে পিতৃস্নেহের পরিচয় ছাড়া অন্যান্য বিষয় অনুপস্থিত বিধায় আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘বন্দনা’ কবিতায় পিতার চেয়েও কাকে বেশি শ্রদ্ধা দেখাতে বলা হয়েছে? |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘অশক্য’ শব্দের অর্থ কী? |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. পিঁপড়ার ভয়ে কে কবিকে মাটিতে রাখেননি? |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘দোসর’ শব্দের অর্থ কী? |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. শাহ মুহম্মদ সগীর কোন শতকের কবি? |
| ‘বন্দনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘বন্দনা’ কবিতা কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে? |
| তথ্যসূত্র : |
|---|
|
১. বাংলা সাহিত্য: নবম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড,
ঢাকা, ২০২৬। ২. ইউসুফ-জোলেখা, শাহ মুহাম্মদ সগীর, ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক (সম্পাদিত), ৭ম মুদ্রণ, ২০২১, মাওলা ব্রাদার্স, ঢাকা। ৩. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, এপ্রিল, ২০১৮। ৪. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ১৮তম, ২০১৫। ৫. বানান আন্দেলন, বানান অ্যাপ। |

