প্রার্থনা- কায়কোবাদ
|
| প্রার্থনা |
প্রার্থনা
কায়কোবাদ
বিভো, দেহ হৃদে বল!
না জানি ভকতি, নাহি জানি স্তুতি,
কী দিয়া করিব, তোমার আরতি
আমি নিঃসম্বল!
তোমার দুয়ারে আজি রিক্ত করে
দাঁড়ায়েছি প্রভো, সঁপিতে তোমারে
শুধু আঁখি জল,
দেহ হৃদে বল!
বিভো, দেহ হৃদে বল!
দারিদ্র্য পেষণে, বিপদের ক্রোড়,
অথবা সম্পদে, সুখের সাগরে
ভুলিনি তোমারে এক পল,
জীবনে মরণে, শয়নে স্বপনে
তুমি মোর পথের সম্বল,
দেহ হৃদে বল!
বিভো, দেহ হৃদে বল!
কত জাতি পাখি, নিকুঞ্জ বিতানে
সদা আত্মহারা তব গুণগানে,
আনন্দে বিহ্বল!
ভুলিতে তোমারে, প্রাণে অবসাদ,
তরুলতা শিরে, তোমারি প্রসাদ
চারু ফুল ফল!
দেহ হৃদে বল!
বিভো, দেহ হৃদে বল!
তোমারি নিঃশ্বাস বসন্তের বায়ু,
তব স্নেহ কণা জগতের আয়ু,
তব নামে অশেষ মঙ্গল!
গভীর বিষাদে, বিপদের ক্রোড়ে,
একাগ্র হৃদয়ে স্মরিলে তোমারে
নিভে শোকানল!
দেহ হৃদে বল!
(সংক্ষেপিত)
![]() |
| চিত্রকর: তাজরীয়া বিনতে নেজাম অ্যাঞ্জেল; ৯ম শ্রেণি |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার উৎস নির্দেশ: |
|---|
| ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি কবির ‘অশ্রুমালা’(১৮৯৬) কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার শব্দার্থ ও টীকা: |
|---|
|
➠ প্রার্থনা- মুনাজাত, আবেদন। ➠ বিভো- বিভু, স্রষ্টা। এখানে ‘বিভো’ বলে কবি স্রষ্টাকে সম্বোধন করেছেন। ➠ দেহ- দাও। ➠ হৃদে- হৃদয়ে, মনে। ➠ বল- শক্তি, জোর। ➠ ভকতি- ভক্তি। ➠ স্তুতি- ভক্তি; প্রশংসা। ➠ আরতি- প্রার্থনা। ➠ নিঃসম্বল- সম্বলহীন; নিঃস্ব; দরিদ্র। ➠ রিক্ত করে- শূন্য হাতে। ➠ প্রভো- প্রভু। ➠ সঁপিতে- আত্মদান করতে, সমর্পন করতে। ➠ আঁখি- চোখ। ➠ পেষণে- অত্যাচারে। ➠ ক্রোড়- কোল। ➠ পল- মুহূর্তকাল, নিমেষ, চব্বিশ সেকেন্ড সময়। ➠ শয়নে- ঘুমে। ➠ স্বপনে- স্বপ্নে। ➠ সম্বল- অবলম্বন। ➠ নিকুঞ্জ- বাগান। ➠ বিতান- সমষ্টি। ➠ সদা- সবসময়। ➠ আত্মহারা- আত্মবিস্মৃতি, আত্মভোলা। ➠ তব- তোমার। ➠ বিহ্বল- আত্মহারা; অভিভূত। ➠ অবসাদ- ক্লান্তিজনিত বিষণ্ন ভাব। ➠ তরুলতা- লতাকুঞ্জ। ➠ শিরে- গাছের শীর্ষে বা চূড়ায়। ➠ প্রসাদ- অনুগ্রহ; এখানে সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট ফুল-ফলকে বোঝাচ্ছে। ➠ চারু- সুন্দর। ➠ তব- তোমার। ➠ জগতের আয়ু- পৃথিবীর স্থায়িত্ব যে প্রভুর দয়ার ওপর নির্ভরশীল বোঝানো হয়েছে। সৃষ্টার দয়া ও স্নেহের ওপর নির্ভর করছে জগতের টিকে থাকা না থাকা। ➠ অশেষ- যার শেষ নেই, অন্তহীন। ➠ বিষাদ- বিষণ্নতা, দুঃখবোধ। ➠ বিপদের ক্রোড়ে- বিপদের সময়ে। ➠ একাগ্র- একনিষ্ঠ। ➠ স্মরিলে- স্মরণ করলে, মনে করলে। ➠ একাগ্র হৃদয়ে স্মরিলে তোমারে- সৃষ্টিকর্তার নিকট একাগ্র হৃদয়ে প্রার্থনা করলে শোক বা দুঃখ দূর হয়। ➠ শোকানল- শোক রূপ অনল, যে শোক হৃদয়কে দগ্ধ করে। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার পাঠের উদ্দেশ্য: |
|---|
| ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি পাঠ করে শিক্ষার্থীরা স্রষ্টার মহিমা সম্পর্কে জানবে এবং সমগ্র সৃষ্টি যে স্রষ্টার প্রতি নিবেদিত তা উপলব্ধি করবে। তারা স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণ করবে এবং সৎ ও সুন্দর জীবন গঠনে তৎপর হবে। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার পাঠ-পরিচিতি: |
|---|
| কবি ‘প্রার্থনা’ কবিতায় স্রষ্টার অপার মহিমার কথা বর্ণনা করে স্রষ্টার উদ্দেশ্যে প্রার্থনা জানিয়েছেন। কবি ভক্তি বা প্রশংসা করতে না জেনেও কেবল চোখের জলে নিজেকে নিবেদন করেন। বিপদে, আপদে, সুখে, শান্তিতে সব সময় তিনি বিধাতার কাছ থেকে শক্তি কামনা করেন। গাছে গাছে পাখি, বনে বনে ফুল সবই বিধাতাকে স্মরণ করে। তাঁর অফুরন্ত দয়ায় জগতের সব কিছু চলছে। তাঁর কাছেই সকলে সাহায্য প্রার্থনা করে। তাঁর অপার করুণা লাভ করেই বিশ্ব সংসারের প্রতিটি জীব ও উদ্ভিদ প্রাণধারণ করে আছে। তাঁর দয়া ছাড়া আমরা এক মুহূর্তও চলতে পারি না। সুখে-দুখে, শয়নে-স্বপনে তিনি আমাদের একমাত্র ভরসা। আমরা রিক্ত হস্তে পরম ভক্তি ভরে তাঁর কাছে প্রার্থনা জানাই: হে প্রভু, আমাদের দেহে ও হৃদয়ে শক্তি দাও। আমরা যেন তোমার আরাধনায় নিজেকে নিবেদন করতে পারি। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার কবি পরিচিতি: |
|---|
|
কায়কোবাদ ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার আগলা পূর্বপাড়া
গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আসল নাম মুহম্মদ কাজেম আল কুরায়শী। প্রবেশিকা
পর্যন্ত লেখাপড়া করে তিনি ডাকবিভাগে চাকরি নেন। অনেক দিন ধরে তিনি নিজগ্রাম
আগলাতে পোস্টমাস্টারের দায়িত্ব পালন করেন। ছেলেবেলা থেকেই কবিতা লেখায় তাঁর
হাতেখড়ি হয়। তারপর আপন স্বভাবে তিনি ক্রমাগত লিখে গেছেন। তাঁর রচিত মহাশ্মশান
বিখ্যাত মহাকাব্য। তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে
অশ্রুমালা, শিবমন্দির, অমিয়ধারা, মহররম শরীফ
ইত্যাদি। ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে কবি কায়কোবাদ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন: |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
![]() |
| চিত্রকর: তাহিয়াত বিনতে হাসান সুবাহ; ৭ম শ্রেণি |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: |
|---|
| প্রশ্ন-১: কবি কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্যের নাম কী? উত্তর : কবি কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্যের নাম ‘মহাশ্মশান’। প্রশ্ন-২: কবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’কোন ধরনের কাব্য? উত্তর: কবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ হলো মহাকাব্য। প্রশ্ন-৩: প্রভুর গুণগানে আত্মহারা কে? উত্তর : নানা জাতির পাখি প্রভুর গুণগানে আত্মহারা। প্রশ্ন-৪: ‘হৃদে’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর : ‘হৃদে’ শব্দের অর্থ হৃদয়ে বা মনে। প্রশ্ন-৫: কবি সুখের সাগরে কাকে ভুলে যান না? উত্তর : কবি সুখের সাগরে সৃষ্টিকর্তাকে ভুলে যান না। প্রশ্ন-৬: ‘বিভো’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর : ‘বিভো’ শব্দের অর্থ প্রভু। প্রশ্ন-৭: কবি কী করতে জানেন না? উত্তর : কবি ভক্তি ও স্তুতি করতে জানেন না। প্রশ্ন-৮: ‘প্রার্থনা’ কবিতায় নিঃসম্বল কে? উত্তর : প্রার্থনা কবিতায় নিঃসম্বল কবি নিজেই। প্রশ্ন-৯: কবি রিক্ত হাতে কার দুয়ারে দাঁড়িয়েছেন? উত্তর : কবি রিক্ত হাতে প্রভুর দুয়ারে দাঁড়িয়েছেন। প্রশ্ন-১০: কবি প্রভুকে কী দিতে বলেছেন? উত্তর : কবি প্রভুকে মনে বল দিতে বলেছেন। প্রশ্ন-১১: কবি কখন প্রভুকে ভোলেননি? উত্তর : কবি সুখের সময় ও দুঃখের দিনে প্রভুকে ভোলেননি। প্রশ্ন-১২: কবির পথের সম্বল কে? উত্তর : কবির পথের সম্বল তার প্রভু। প্রশ্ন-১৩: পশুপাখি কার গুণগানে আত্মহারা? উত্তর : পশুপাখি প্রভুর গুণগানে আত্মহারা। প্রশ্ন-১৪: তরুলতার শিরে প্রভুর কী আছে? উত্তর : তরুলতার শিরে প্রভুর প্রসাদ, ফুল-ফল আছে। প্রশ্ন-১৫: কবিতায় প্রভুর নিঃশ্বাস কী? উত্তর : প্রভুর নিঃশ্বাস হচ্ছে বসন্তের বায়ু। প্রশ্ন-১৬: কবির মতে জগতের আয়ু কী? উত্তর : কবির মতে জগতের আয়ু হলো প্রভুর স্নেহকণা। প্রশ্ন-১৭।: কার নামে অশেষ মঙ্গল নিহিত? উত্তর : প্রভুর নামে অশেষ মঙ্গল নিহিত। প্রশ্ন-১৮: কখন প্রভুকে স্মরণ করলে হৃদয়ের শোকানল নিভে? উত্তর : গভীর বিষাদে আর বিপদের মধ্যে প্রভুকে স্মরণ করলে হৃদয়ের শোকানল নিভে। প্রশ্ন-১৯: ‘পল’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর : ‘পল’ শব্দের অর্থ মুহূর্তকাল। প্রশ্ন-২০: কী দিয়ে কবি নিজেকে প্রভুর হাতে সঁপে দিতে চান? উত্তর : শুধু চোখের জল দিয়ে কবি নিজেকে প্রভুর হাতে সঁপে দিতে চান। প্রশ্ন-২১: স্তুতি কথার অর্থ কী? উত্তর: স্তুতি কথার অর্থ প্রশংসা। প্রশ্ন-২২: মহাশ্মশান কবি কায়কোবাদের কী ধরনের রচনা? উত্তর: ‘মহাশ্মশান’ কবি কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্য। প্রশ্ন-২৩: কবি কায়কোবাদের গ্রামের নাম কী? উত্তর: কবি কায়কোবাদের গ্রামের নাম আগলা পূর্বপাড়া। প্রশ্ন-২৪: ‘নিকুঞ্জ’ অর্থ কী? উত্তর: ‘নিকুঞ্জ’ অর্থ বাগান। প্রশ্ন-২৫: কায়কোবাদের আসল নাম কী? উত্তর: কায়কোবাদের আসল নাম মুহম্মদ কাজেম আল কুরায়শী। প্রশ্ন-২৬: একাগ্র হৃদয়ে স্রষ্টাকে স্মরণ করলে কী নিভে যায়? উত্তর: একাগ্র হৃদয়ে স্রষ্টাকে স্মরণ করলে শোকানল নিভে যায়। প্রশ্ন-২৭: একাগ্র হৃদয়ে কাকে স্মরণ করলে শোকানল নিভে? উত্তর: একাগ্র হৃদয়ে স্রষ্টাকে স্মরণ করলে শোকানল নিভে যায়। প্রশ্ন-২৮: ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি কোন কাব্য থেকে সংকলিত? উত্তর: ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি ‘অশ্রুমালা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত। প্রশ্ন-২৯: কবি কায়কোবাদ কোথায় মৃত্যুবরণ করেন? উত্তর: কবি কায়কোবাদ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। প্রশ্ন-৩০: ‘প্রার্থনা’ কবিতায় কবি কী বর্ণনা করেছেন? উত্তর: ‘প্রার্থনা’ কবিতায় কবি স্রষ্টার অপার মহিমা বর্ণনা করেছেন। প্রশ্ন-৩১: গাছে গাছে পাখি কাকে স্মরণ করে? উত্তর: গাছে গাছে পাখি বিধাতাকে স্মরণ করে। প্রশ্ন-৩২: শোকানল শব্দটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? উত্তর: শোকানল শব্দটি দ্বারা শোক হৃদয়কে দগ্ধ করে বোঝানো হয়েছে। প্রশ্ন-৩৩: কবি কায়কোবাদের জন্ম কোন জেলায়? উত্তর: কবি কায়কোবাদের জন্ম ঢাকা জেলায়। প্রশ্ন-৩৪: কবি কায়কোবাদের গ্রামের নাম কী? উত্তর: কবি কায়কোবাদের গ্রামের নাম আগলা পূর্বপাড়া। প্রশ্ন-৩৫: কবি কায়কোবাদের লেখালেখির হাতেখড়ি হয় কখন? উত্তর: ছেলেবেলা থেকেই কবি কায়কোবাদের লেখালেখির হাতেখড়ি হয়। প্রশ্ন-৩৬: মহান আল্লাহর কী ছাড়া আমরা এক মুহূর্তও চলতে পারি না? উত্তর: মহান আল্লাহর দয়া ছাড়া আমরা এক মুহূর্তও চলতে পারি না। প্রশ্ন-৩৭: কবি কায়কোবাদ কোন পর্যন্ত পড়ালেখা করেন? উত্তর: কবি কায়কোবাদ প্রবেশিকা পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। প্রশ্ন-৩৮: কোথায় কবি কায়কোবাদ পোস্টমাস্টারি করতেন? উত্তর: কবি কায়কোবাদ নিজ গ্রামে পোস্টমাস্টারি করতেন। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার অনুধাবনমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
১. ‘তোমার দুয়ারে আজি রিক্ত করে’—বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
২। ‘সদা আত্মহারা তব গুণ গানে’— বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
৩। কবির শোকানল কিভাবে নিভে যায়? বুঝিয়ে লেখো।
৪। ‘প্রার্থনা’ কবিতার কবি স্রষ্টার কাছে কেন বল প্রার্থনা করেছেন?
৫। ‘জীবনে মরণে, শয়নে স্বপনে
৬। ‘ভুলিতে তোমারে, প্রাণে অবসাদ’— কথাটি বলার কারণ ব্যাখ্যা করো।
৭। ‘কত জাতি পাখি, নিকুঞ্জ বিতানে
৮। ‘তরুলতা শিরে, তোমারি প্রসাদ
৯. “তব নামে অশেষ মঙ্গল”—কথাটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
১০. ‘বিভো, দেহ হৃদে বল’—বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
১১. ‘ভুলিনি তোমারে এক পল’—বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
১২. ‘সদা আত্মহারা তব গুণগানে’—কথাটি ব্যাখ্যা কর।
১৩. ‘তোমারি নিঃশ্বাস বসন্তের বায়ু বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
১৪. ‘সদা আত্মহারা তব গুণগানে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
১৫. কবির শোকানল কিভাবে নিভে যায়?
১৬. ‘প্রার্থনা’ কবিতার কবি স্রষ্টার কাছে কেন বল প্রার্থনা করেছেন?
১৭. ‘জীবনে-মরণে, শয়নে-স্বপনে তুমি মোর পথের সম্বল’—কবি কোথায় এ কথা বলেছেন?
১৮. ‘ভুলিতে তোমারে, প্রাণে অবসাদ’—কথাটি বলার কারণ ব্যাখ্যা করো।
১৯. ‘কত জাতি পাখি, নিকুঞ্জ বিতানে সদা আত্মহারা তব গুণগানে’—ব্যাখ্যা করো।
২০. ‘তরুলতা শিরে, তোমারি প্রসাদ চারু ফুল ফল।’—পঙক্তিটি ব্যাখ্যা করো। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. স্তুতি কথার অর্থ কী? |
|
ক. স্তুতি কথার অর্থ প্রশংসা।
গ. বিপদে-আপদে, সুখে-শান্তিতে সবসময় বিধাতার কাছ থেকে শক্তি কামনা করার
দিকটি ‘প্রার্থনা’ কবিতায় বর্ণিত হয়েছে যা উদ্দীপকের সঙ্গে
সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. উদ্দীপকটি ‘প্রার্থনা’ কবিতার যেকোনো অবস্থায় স্রষ্টাকে স্মরণ করার
বিশেষ দিককে নির্দেশ করেছে মাত্র, সমগ্রভাব নয়। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
(ক) ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? |
|
ক. ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি ‘অশ্রুমালা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
গ. ‘প্রার্থনা’ কবিতায় নত হয়ে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা জানানোর দিক দিয়ে
কবিতার সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. ‘প্রভু তুমি অন্তর্যামী আমাদের অন্তরের কালিমা দূর কর, উদ্দীপকে
উল্লিখিত ইমাম সাহেবের এই মোনাজাত ‘প্রার্থনা’ কবিতায়ও সত্য হয়ে উঠেছে। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
(ক) কবি কায়কোবাদের গ্রামের নাম কী? |
|
ক. কবি কায়কোবাদের গ্রামের নাম আগলা পূর্বপাড়া।
গ. স্রষ্টার মহিমা ও গুণগান প্রকাশের দিক দিয়ে উদ্দীপকের কবিতাংশের সাথে
‘প্রার্থনা’ কবিতার ভাবার্থের মিল রয়েছে।
ঘ. মনের প্রশান্তি লাভের দিক দিয়ে উদ্দীপকের চরণটি ‘প্রার্থনা’ কবিতার
চরণের সাথে সম্পর্কিত। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
(ক) ‘নিকুঞ্জ’ অর্থ কী? |
|
ক. ‘নিকুঞ্জ’ অর্থ বাগান।
গ. প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্য প্রকাশের দিক দিয়ে উদ্দীপকের রুনুর ভাবনা
‘প্রার্থনা’ কবিতার তৃতীয় স্তবকের ভাব ধারণ করেছে।
ঘ. “উদ্দীপকটি ‘প্রার্থনা’ কবিতায় সমগ্রভাব প্রকাশে ব্যর্থ হয়েছে।”- কথাটি
যুক্তিযুক্ত। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
(ক) মহাশ্মশান কবি কায়কোবাদের কী ধরনের রচনা? |
|
ক. ‘মহাশ্মশান’ কবি কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্য।
গ. মানুষ সর্বাবস্থায় সৃষ্টিকর্তার দয়া ও অনুগ্রহের মধ্যেই বেঁচে থাকে।
সেদিক দিয়ে উদ্দীপকের হাফিজের ক্ষোভ দূর হওয়া ‘প্রার্থনা’ কবিতায় প্রকাশিত
কবি কায়কোবাদের অনুভবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. “সুখ-দুঃখ, আনন্দ, বেদনা, ক্ষোভ-বিষাদ যাই আসুক না কেন- ঈশ্বর প্রেম
মানুষকে মুক্তি দেয়”- এ উক্তিটি যথার্থ। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
উদ্দীপক-২:
ক. একাগ্র হৃদয়ে স্রষ্টাকে স্মরণ করলে কী নিভে যায়? |
|
ক. একাগ্র হৃদয়ে স্রষ্টাকে স্মরণ করলে শোকের আগুন নিভে যায়।
গ. ‘প্রার্থনা’ কবিতায় বর্ণিত স্রষ্টার অপার মহিমা ও সৃষ্টির প্রতি ভক্তি
নিবেদনের দিকটি ১নং উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।
ঘ. স্রষ্টার গুণগান করে বিধাতার প্রতি নিজেকে নিবেদন করার ভাব ২নং
উদ্দীপক ও ‘প্রার্থনা’ কবিতায় প্রকাশিত হয়েছে। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘প্রার্থনা’ কবিতা কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে? |
|
ক.‘প্রার্থনা’ কবিতাটি ‘অশ্রুমালা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
গ. ‘প্রার্থনা’ কবিতায় সৃষ্টির মধ্য দিয়ে স্রষ্টাকে উপলব্ধি করার দিকটি
ফুটে উঠেছে।
ঘ. উদ্দীপকের ‘প্রার্থনা’ কবিতা স্রষ্টার মহিমাকে শ্রদ্ধাভরে প্রকাশ করা
হয়েছে। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘বিভো’ অর্থ কী? |
|
ক. ‘বিভো’ অর্থ স্রষ্টা।
গ. উদ্দীপকে ‘প্রার্থনা’ কবিতায় বিধৃত স্রষ্টার কাছে কবির নিজেকে
নিবেদনের দিকটি ফুটে উঠেনি।
ঘ. উদ্দীপক এবং ‘প্রার্থনা’ কবিতায় স্রষ্টার অনন্ত, অসীম ও প্রেমময় সভার
মহিমা বিশ্লেষিত হয়েছে। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘প্রসাদ’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘প্রসাদ’ শব্দের অর্থ অনুগ্রহ।
গ. স্রষ্টার কাছে সাহায্য ও ক্ষমা প্রার্থনা করার দিকটি উদ্দীপকটিতে
প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ. উদ্দীপকে স্রষ্টার কাছে ক্ষমা ও সাহায্য চাওয়ার দিকটি প্রকাশিত হয়েছে
যা ‘প্রার্থনা’ কবিতার খণ্ডাংশকে ধারণ করে। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. একাগ্র হৃদয়ে স্রষ্টাকে স্মরণ করলে কী নিভে যায়? |
|
ক. একাগ্র হৃদয়ে স্রষ্টাকে স্মরণ করলে শোকানল নিভে যায়।
গ. ১নং উদ্দীপকে ‘প্রার্থনা’ কবিতার স্রষ্টার অপার মহিমা এবং তাঁর প্রতি সৃষ্টির গুণগানের দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ. ২নং উদ্দীপকটি ‘প্রার্থনা’ কবিতার মূলভাবকে ধারণ করে—মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি কোন কাব্য থেকে সংকলিত? |
|
ক. ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি ‘অশ্রুমালা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।
গ. উদ্দীপকটিতে ‘প্রার্থনা’ কবিতায় প্রকাশিত রিক্ততার কথা স্বীকার করে স্রষ্টার কাছে করুণা প্রার্থনা জানানোর ভাবটির প্রতিফলন ঘটেছে।
ঘ. ‘প্রার্থনা’ কবিতায় প্রকাশিত কবির অনুভূতির একটি খ-চিত্র উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে।—এ মন্তব্যটির সাথে আমি একমত। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. একাগ্র হৃদয়ে স্রষ্টাকে স্মরণ করলে কী নেভে? |
|
ক. একাগ্র হৃদয়ে স্রষ্টাকে স্মরণ করলে শোকানল নিভে যায়।
গ. উদ্দীপকে ‘প্রার্থনা’ কবিতার স্রষ্টার প্রতি কবির নিজেকে নিবেদন করার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ. ‘স্রষ্টার কাছে মাথা নত করলে অন্তরে প্রশান্তি জাগে।’—মন্তব্যটি উদ্দীপক এবং ‘প্রার্থনা’ কবিতার ভাববস্তু অনুসারে যথার্থ। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. একাগ্র হৃদয়ে স্রষ্টাকে স্মরণ করলে কী নিভে যায়? |
|
ক. একাগ্র হৃদয়ে স্রষ্টাকে স্মরণ করলে শোকানল নিভে যায়।
গ. ১নং উদ্দীপকে ‘প্রার্থনা’ কবিতার স্রষ্টার অপার মহিমা এবং তাঁর প্রতি সৃষ্টির গুণগানের দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ. ২নং উদ্দীপকটি ‘প্রার্থনা’ কবিতার মূলভাবকে ধারণ করে—‘প্রার্থনা’ কবিতার আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কায়কোবাদের আসল নাম কী? |
|
ক. কায়কোবাদের আসল নাম মুহম্মদ কাজেম আল কুরায়শী।
গ. উদ্দীপকের দীপেন বাবুর মধ্যে ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃষ্টিকর্তার প্রতি পূর্ণ আস্থার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
ঘ. উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি ‘প্রার্থনা’ কবিতার ভাবার্থকে পুরোপুরি সমর্থন করে করে বলে আমি মনে করি। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্যের নাম কী? |
|
ক. কবি কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্যের নাম ‘মহাশ্মশান’।
গ. দৃশ্যকল্প-১ এর সাথে ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃষ্টিকর্তার প্রতি কবির যে অনুরাগ প্রকাশিত হয়েছে তার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. ‘দৃশ্যকল্প-২ কায়কোবাদের প্রত্যাশাকেই ধারণ করেছে।’—মন্তব্যটি যথাযথ। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. স্তুতি কথার অর্থ কী? |
|
ক. স্তুতি কথার অর্থ প্রশংসা।
গ. ‘প্রার্থনা’ কবিতায় বিপদ-আপদ, সুখ-শান্তি-সব পরিস্থিতিতেই সৃষ্টিকর্তার কাছে শক্তি প্রার্থনা করার বিষয়টি ফুটে উঠেছে, যা উদ্দীপকের সাথে একেবারে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. উদ্দীপকটি শুধুমাত্র ‘প্রার্থনা’ কবিতার এক বিশেষ দিককে, অর্থাৎ স্রষ্টাকে যেকোনো অবস্থাতেই স্মরণ করার গুরুত্বকে নির্দেশ করেছে, তবে এটি সমগ্রভাব তুলে ধরেনি। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. মহাশ্মশান কবি কায়কোবাদের কী ধরনের রচনা? |
|
ক. ‘মহাশ্মশান’ কবি কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্য।
গ. মানুষ সর্বাবস্থায় সৃষ্টিকর্তার দয়া ও অনুগ্রহের মধ্যেই বেঁচে থাকে। সেদিক দিয়ে উদ্দীপকের হাফিজের ক্ষোভ দূর হওয়া ‘প্রার্থনা’ কবিতায় প্রকাশিত কবি কায়কোবাদের অনুভবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. “সুখ-দুঃখ, আনন্দ, বেদনা, ক্ষোভ-বিষাদ যাই আসুক না কেন- ঈশ্বর প্রেম মানুষকে মুক্তি দেয়”—এ উক্তিটি যথার্থ। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? |
|
ক. ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি ‘অশ্রুমালা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
গ. ‘প্রার্থনা’ কবিতায় নত হয়ে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা জানানোর দিক দিয়ে কবিতার সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. ‘প্রভু তুমি অন্তর্যামী আমাদের অন্তরের কালিমা দূর কর, উদ্দীপকে উল্লিখিত ইমাম সাহেবের এই মোনাজাত ‘প্রার্থনা’ কবিতায়ও সত্য হয়ে উঠেছে। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি কায়কোবাদের গ্রামের নাম কী? |
|
ক. কবি কায়কোবাদের গ্রামের নাম আগলা পূর্বপাড়া।
গ. স্রষ্টার মহিমা ও গুণগান প্রকাশের দিক দিয়ে উদ্দীপকের কবিতাংশের সাথে ‘প্রার্থনা’ কবিতার ভাবার্থের মিল রয়েছে।
ঘ. মনের প্রশান্তি লাভের দিক দিয়ে উদ্দীপকের চরণটি ‘প্রার্থনা’ কবিতার চরণের সাথে সম্পর্কিত। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘নিকুঞ্জ’ অর্থ কী? |
|
ক. ‘নিকুঞ্জ’ অর্থ বাগান।
গ. প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্য প্রকাশের দিক দিয়ে উদ্দীপকের রুনুর ভাবনা ‘প্রার্থনা’ কবিতার তৃতীয় স্তবকের ভাব ধারণ করেছে।
ঘ. “উদ্দীপকটি ‘প্রার্থনা’ কবিতায় সমগ্রভাব প্রকাশে ব্যর্থ হয়েছে।”—কথাটি যুক্তিযুক্ত। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কায়কোবাদের প্রকৃত নাম কী? |
|
ক. কায়কোবাদের প্রকৃত নাম- মুহম্মদ কাজেম আল কুরায়শী। গ. ‘প্রার্থনা’ কবিতা অনুসারে সৃষ্টিকর্তার করুণা কামনা করার কারণটি ব্যাখ্যা করো। ঘ ‘প্রার্থনা’ কবিতায় বর্ণিত সর্বাবস্থায় সৃষ্টিকর্তার কাছে আশ্রয় চাওয়ার প্রসঙ্গটি বিশ্লেষণ করো। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত? |
|
ক. ‘প্রার্থনা’ কবিতাটি ‘অশ্রুমালা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত। গ. ‘প্রার্থনা’ কবিতায় স্রষ্টার ওপর কবির অগাধ বিশ্বাস ও আনুগত্যের যেদিক উপস্থাপিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘প্রার্থনা’ কবিতা অবলম্বনে স্রষ্টার মহানুভবতার পরিচয় দাও। |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কায়কোবাদের জন্ম কত সালে? |
| ‘প্রার্থনা’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ কী ধরনের গ্রন্থ? |
| তথ্যসূত্র: |
|---|
|
১. সাহিত্য কণিকা: অষ্টম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড,
ঢাকা, ২০২৬। ২. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, এপ্রিল, ২০১৮। ৩. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ১৮তম, ২০১৫। |

.jpg)
%20ID-%20220101.jpg)
