বঙ্গভূমির প্রতি- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
|
| বঙ্গভূমির প্রতি |
বঙ্গভূমির প্রতি
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার উৎস নির্দেশ: |
|---|
| মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘নানা কবিতা’র গীতিকবিতা অংশের একটি কবিতা হলো ‘বঙ্গভূমির প্রতি’। আরেকটি বিখ্যাত গীতি কবিতা হলো ‘আত্ম-বিলাপ’। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার শব্দার্থ ও টীকা: |
|---|
|
➠ মা- কবি জন্মভূমিকে মা বলে সম্বোধন করেছেন। ➠ মিনতি- বিনীত প্রার্থনা। ➠ পদে- পায়ে। ➠ সাধিতে- পূরণ করতে। ➠ সাধ- ইচ্ছা। ➠ পরমাদ- প্রমাদ; ভুল-ভ্রান্তি। ➠ কোকনদ- লাল পদ্মফুল। ➠ মনঃকোকনদে- মন রূপ লাল পদ্মফুল। ➠ মধুহীন করো না গো তব মনঃকোকনদে।- দেশমাতা কবিকে যেন তাঁর মায়া-মমতা থেকে বঞ্চিত না করেন- আলোচ্য চরণটিতে এই প্রার্থনা ফুটে উঠেছে। ➠ জীব-তারা- প্রাণ, নিজের জীবন। ➠ খসে- ত্যাগ হওয়া; চলে যাওয়া। ➠ নাহি- নাই। ➠ খেদ- দুঃখ। ➠ তাহে- তাতে। ➠ অমর- চিরজীবী, মৃত্যুহীন, অবিনশ্বর। ➠ নীর- পানি; জল। ➠ জীবন-নদ- জীবন ও নদী আপন রীতিতে প্রবাহমান ও গতিশীল; স্থির নয়। ➠ শমন- মৃত্যুর দেবতা বা যম। ➠ ডরি শমনে- মৃত্যুকে ভয় করি। ➠ মক্ষিকা- মাছি। ➠ সদা- সবসময়। ➠ সর্বজন- জনগণ। ➠ সেবে- সেবা করে, এখানে ‘স্মরণ করা’ অর্থে। ➠ যাচিব- প্রার্থনা করবো। ➠ তব- তোমার। ➠ শ্যামা জন্মদে- শ্যামল জন্মভূমি অর্থে। ➠ জন্মদে- জন্মদাত্রী, মাতা। ➠ বর- আশীর্বাদ। ➠ দেহ- দাও ➠ বরদে- বর বা আশীর্বাদ দাত্রী। ➠ সুবরদে- যিনি সুন্দর আশীর্বাদ দান করেন। ➠ মানস- মনের একান্তে। ➠ তামরস- পদ্ম। ➠ শরদে- শরৎকাল বোঝাতে। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার পাঠের উদ্দেশ্য: |
|---|
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতা পাঠের মাধ্যমে স্বদেশের প্রতি শিক্ষার্থীর মনে শ্রদ্ধা ও বিনয়ভাব জেগে উঠবে। বিদেশের ঐশ্বর্য ও জৌলুস সত্ত্বেও নিজ দেশের প্রতি মনের গভীরে আগ্রহবোধ সৃষ্টি হবে। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার পাঠ-পরিচিতি: |
|---|
| মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় স্বদেশের প্রতি কবির শ্রদ্ধা ও একাগ্রতা তীব্রভাবে প্রকাশ পেয়েছে। দেশকে কবি মা হিসেবে কল্পনা করে নিজেকে ভেবেছেন তার সন্তান। প্রবাসী মধুসূদন ভেবেছেন-মা যেমন সন্তানের কোনো দোষ মনে রাখেন না, দেশমাতৃকাও তাঁর সব দোষ ক্ষমা করে দেবেন। অবশ্য তিনি বিনয়ের সঙ্গে এও বলেছেন যে, তাঁর এমন কোনো মহৎ গুণ নেই, যে-কারণে তিনি স্মরণীয় হতে পারেন। বিনয়ী কবি তাই দেশমাতৃকার কাছে এই বলে প্রণতি জানাচ্ছেন, তিনি যেন দেশমাতৃকার স্মৃতিতে পদ্মফুলের মতো ফুটে থাকেন। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার কবি পরিচিতি: |
|---|
|
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক। তিনি মহাকাব্য,
গীতিকাব্য, সনেট, পত্রকাব্য, নাটক, প্রহসন ইত্যাদি রচনা করে চিরস্মরণীয় হয়ে
আছেন। শৈশব থেকে তাঁর মনে কবি হওয়ার তীব্র বাসনা ছিল। তিনি মনে করেছিলেন,
বিলেত না গেলে কবি হওয়া যাবে না। বিলেতে গেলে সুবিধা হবে-এ আশায় তিনি
খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ
করেন। ফলে তাঁর নামের আগে ‘মাইকেল’ শব্দটি যুক্ত হয়। পরে তিনি সত্য উপলব্ধি
করতে পারেন এবং বাংলায় সাহিত্য রচনায় ব্রতী হন। বাংলা, ইংরেজি ছাড়াও তিনি
হিব্রু, ফরাসি, জার্মান, ইটালিয়ান, তামিল, তেলেগু ইত্যাদি ভাষায় পারদর্শী
ছিলেন। তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম মহাকাব্য
‘মেঘনাদবধ কাব্য’
রচনা করেন। তাঁর রচিত কাব্য: তিলোত্তমাসম্ভব, ব্রজাঙ্গনা, চতুর্দশপদী কবিতাবলি। তাছাড়া ‘The Captive Ladie’ ও ‘Visions of the Past’ তাঁর দুটি ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ। পত্রকাব্য : বীরাঙ্গনা। নাটক: শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী, কৃষ্ণকুমারী, মায়াকানন। প্রহসন: একেই কি বলে সভ্যতা, বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ। ইংরেজি নাটক ও নাট্যানুবাদ: রিজিয়া, রত্নাবলি, নীলদর্পণ। গদ্য অনুবাদ: হেক্টর বধ। তিনি ১৮২৪ খ্রিষ্টাব্দে যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার কর্ম অনুশীলন: |
|---|
| ক. ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ শীর্ষক কবিতাটি নিয়ে আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন কর (শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে। শুদ্ধ উচ্চারণ, উচ্চারণে স্পষ্টতা, শ্রবণযোগ্যতা, বোধগম্যতা, আবেগ-অনুভূতির প্রকাশ ইত্যাদি বিবেচনায় রাখতে হবে।) |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন : |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন |
|---|
|
প্রশ্ন-১: ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতাটির কবি কে? উত্তর: ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতাটির কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। প্রশ্ন-২: ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় কবি কাকে ‘মা’ হিসেবে কল্পনা করেছেন? উত্তর: ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় কবি নিজ দেশকে ‘মা’ হিসেবে কল্পনা করেছেন। প্রশ্ন-৩: কোথায় না গেলে কবি হওয়া যাবে না বলে মধুসূদন মনে করেছিলেন? উত্তর: বিলেত না গেলে কবি হওয়া যাবে না বলে মধুসূদন মনে করেছিলেন। প্রশ্ন-৪: মধুসূদন নিজ ধর্ম ত্যাগ করে কোন ধর্ম গ্রহণ করেন? উত্তর: মধুসূদন নিজ ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন। প্রশ্ন-৫: খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করার কারণে মধুসূদনের নামের পূর্বে কোন শব্দটি যুক্ত হয়? উত্তর: খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করার কারণে মধুসূদনের নামের পূর্বে ‘মাইকেল’ শব্দটি যুক্ত হয়। প্রশ্ন-৬: বাংলা ভাষায় প্রথম মহাকাব্য রচনাকারী কে? উত্তর: বাংলা ভাষায় প্রথম মহাকাব্য রচনাকারী হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। প্রশ্ন-৭: মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্যটির নাম কী? উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্যটির নাম হচ্ছে ‘বীরাঙ্গনা’। প্রশ্ন-৮: বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রথাবিরোধী লেখক কে? উত্তর: বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রথাবিরোধী লেখক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। প্রশ্ন-৯: কবি মধুসূদন দত্ত দেশমাতৃকার স্মৃতিতে কীভাবে থাকতে চান? উত্তর: কবি মধুসূদন দত্ত দেশমাতৃকার স্মৃতিতে লাল পদ্মফুলের মতো ফুটে থাকতে চান। প্রশ্ন-১০: বঙ্গভূমি কবিতায় কোন ঋতুর উল্লেখ রয়েছে? উত্তর: বঙ্গভূমি কবিতায় বসন্ত ও শরৎ ঋতুর উল্লেখ রয়েছে। প্রশ্ন-১১: নরকুলে কে ধন্য হয়? উত্তর: যে কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকতে পারে সেই নরকুলে ধন্য হয়। প্রশ্ন-১২: কবি শমনে ভয় পান না কেন? উত্তর: দেশ জননী কবিকে মনে রাখলে তিনি শমনেও ভয় পান না। প্রশ্ন-১৩: কবির দেহ আকাশ থেকে জীব তারা খসে পড়লেও তার খেদ না করার কারণ কী? উত্তর: জন্মিলে মরিতে হবে ভেবে কবির দেহ আকাশ হতে জীব তারা খসে পড়লেও তিনি খেদ করেন না। প্রশ্ন-১৪: ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতাটির কবি কে? উত্তর: ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতাটির কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। প্রশ্ন-১৫: ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় কবি কাকে ‘মা’ হিসেবে কল্পনা করেছেন? উত্তর: ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় কবি নিজ দেশকে ‘মা’ হিসেবে কল্পনা করেছেন। প্রশ্ন-১৬: কোথায় না গেলে কবি হওয়া যাবে না বলে মধুসূদন মনে করেছিলেন? উত্তর: বিলেত না গেলে কবি হওয়া যাবে না বলে মধুসূদন মনে করেছিলেন। প্রশ্ন-১৭: মধুসূদন নিজ ধর্ম ত্যাগ করে কোন ধর্ম গ্রহণ করেন? উত্তর: মধুসূদন নিজ ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন। প্রশ্ন-১৮: খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করার কারণে মধুসূদনের নামের পূর্বে কোন শব্দটি যুক্ত হয়? উত্তর: খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করার কারণে মধুসূদনের নামের পূর্বে ‘মাইকেল’ শব্দটি যুক্ত হয়। প্রশ্ন-১৯: বাংলা ভাষায় প্রথম মহাকাব্য রচনাকারী কে? উত্তর: বাংলা ভাষায় প্রথম মহাকাব্য রচনাকারী হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। প্রশ্ন-২০: মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্যটির নাম কী? উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্যটির নাম হচ্ছে ‘বীরাঙ্গনা’। প্রশ্ন-২১: বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রথাবিরোধী লেখক কে? উত্তর: বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রথাবিরোধী লেখক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। প্রশ্ন-২২: কবি মধুসূদন দত্ত দেশমাতৃকার স্মৃতিতে কীভাবে থাকতে চান? উত্তর: কবি মধুসূদন দত্ত দেশমাতৃকার স্মৃতিতে লাল পদ্মফুলের মতো ফুটে থাকতে চান। প্রশ্ন-২৩: বঙ্গভূমি কবিতায় কোন ঋতুর উল্লেখ রয়েছে? উত্তর: বঙ্গভূমি কবিতায় বসন্ত ও শরৎ ঋতুর উল্লেখ রয়েছে। প্রশ্ন-২৪: নরকুলে কে ধন্য হয়? উত্তর: যে কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকতে পারে সেই নরকুলে ধন্য হয়। প্রশ্ন-২৫: কবি শমনে ভয় পান না কেন? উত্তর: দেশ জননী কবিকে মনে রাখলে তিনি শমনেও ভয় পান না। প্রশ্ন-২৬: কবির দেহ আকাশ থেকে জীব তারা খসে পড়লেও তার খেদ না করার কারণ কী? উত্তর: জন্মিলে মরিতে হবে ভেবে কবির দেহ আকাশ হতে জীব তারা খসে পড়লেও তিনি খেদ করেন না। প্রশ্ন-২৭: বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মহাকাব্যের নাম কী? উত্তর: বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মহাকাব্যের নাম ‘মঙ্গলবধ মহাকাব্য।’ প্রশ্ন-২৮: ‘মানস’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘মানস’ শব্দের অর্থ মন। প্রশ্ন-২৯: ‘শমন’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘শমন’ শব্দের অর্থ মৃত্যুর দেবতা। প্রশ্ন-৩০: বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মহাকাব্যের নাম কী? উত্তর: বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মহাকাব্যের নাম মেঘনাদবধ কাব্য। প্রশ্ন-৩১: ‘কোকনদ’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘কোকনদ’ শব্দের অর্থ লাল পদ্ম। প্রশ্ন-৩২: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্যের নাম লেখ। উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্যের নাম বীরাঙ্গনা। প্রশ্ন-৩৩: কোন নদের নীর চিরস্থির নয়? উত্তর: জীবন-নদের নীর চিরস্থায়ী নয়। প্রশ্ন-৩৪: কবি নিজেকে কী হিসেবে দেশমাতৃকার কাছে উপস্থাপন করেছেন? উত্তর: কবি নিজেকে দাস হিসেবে দেশমাতৃকার কাছে উপস্থাপন করেছেন। প্রশ্ন-৩৫: কবি মধুসূদনের মনে কখন থেকে কবি হওয়ার বাসনা ছিল? উত্তর: কবি মধুসূদনের মনে শৈশব থেকেই কবি হওয়ার বাসনা ছিল। প্রশ্ন-৩৬: কবি কীসে ভয় পান না? উত্তর: কবি শমন বা মৃত্যুর দেবতাকে ভয় পান না। প্রশ্ন-৩৭: কবি কীসের জলে ফুটতে চেয়েছেন? উত্তর: কবি দেশমাতৃকার স্মৃতির জলে ফুটতে চেয়েছেন। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার অনুধাবনমূলক প্রশ্ন : |
|---|
|
প্রশ্ন-১: কবি স্বদেশকে মা হিসেবে কল্পনা করেছেন কেন?
প্রশ্ন-২: ‘তবে যদি দয়া কর, ভুল দোষ, গুণ ধর’ বলতে কী বোঝ?
প্রশ্ন-৩: স্বদেশের প্রতি কবির শ্রদ্ধা ও একাগ্রতা প্রকাশের কারণ কী?
প্রশ্ন-৪: কবি বর প্রার্থনা করেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-৫: কবি দেশমাতৃকার স্মৃতিতে অমর হয়ে থাকতে চান কেন?
প্রশ্ন-৬: ‘রেখো, মা, দাসেরে মনে, এ মিনতি করি পদে’। কবির এ মিনতির কারণ কী?
প্রশ্ন-৭: ‘জন্মিলে মরিতে হবে
অমর কে কোথা কবে’—এ কথার মাধ্যমে কবি কী বুঝাতে চেয়েছেন?
প্রশ্ন-৮: “সেই ধন্য নরকুলে
প্রশ্ন-৯: প্রবাসে কবির জীবনাবসান ঘটলেও খেদ নেই কেন?
প্রশ্ন-১০: ‘সাধিতে মনের সাধ; ঘটে যদি পরমাদ’—ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-১১: কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কীভাবে বাংলা সাহিত্য রচনায় ব্রতী হন?
প্রশ্ন-১২: ‘সেই ধন্য নরকুলে লোকে যারে নাহি ভুলে—কথাটি ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-১৩: ‘কিন্তু কোন গুণ আছে, যাচিব যে তব কাছে’—ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন-১৪: কবি স্বদেশকে মা হিসেবে কল্পনা করেছেন কেন?
প্রশ্ন-১৫: ‘তবে যদি দয়া কর, ভুল দোষ, গুণ ধর’—বলতে কী বোঝ?
প্রশ্ন-১৬: স্বদেশের প্রতি কবির শ্রদ্ধা ও একাগ্রতা প্রকাশের কারণ কী? |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মহাকাব্যের নাম কী? |
|
ক. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মহাকাব্যের নাম মেঘনাদবধ কাব্য।
গ. কবিতাংশ দুটিতে দেশপ্রেমমূলক আবেগ বহিঃপ্রকাশের দিক দিয়ে অমিল লক্ষ
করা যায়।
ঘ. ‘কবিতাংশ দুটির মূল সুর একই’ এ মন্তব্যটি যথাযথ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘কোকনদ’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘কোকনদ’ শব্দের অর্থ লাল পদ্ম।
গ. ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় বঙ্গমাতাকে কবি মৃত্যুর পর মনে রাখতে
বলেছেন। অপরদিকে উদ্দীপকের কবি বাংলার রূপ মাধুরীর দিকে তাকিয়ে
শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করার কথা বলেছেন।
ঘ. “উদ্দীপকের কবিতা এবং ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতা রচনা করার পেছনে একই
চেতনা কাজ করেছে।” -মন্তব্যটি যথাযথ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্যের নাম লেখ। |
|
ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্যের নাম বীরাঙ্গনা।
গ. ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার জন্মভূমির প্রতি কবির কৃতজ্ঞতার ভাবানুভূতি
উদ্দীপকে প্রকাশিত হয়েছে।
ঘ. কবিতাংশটি “ ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সামগ্রিক ভাবকে প্রকাশ
করেনি”-মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কোন নদের নীর চিরস্থির নয়? |
|
ক. জীবন-নদের নীর চিরস্থায়ী নয়।
গ. উদ্দীপকে ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার কবির পরদেশের মোহে দেশ ত্যাগের
বিষয়টির সাথে মিল রয়েছে।
ঘ. উদ্দীপকে যে দেশাত্মবোধের পরিচয় পাওয়া যায় ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতাতে
একই দেশাত্মবোধের পরিচয় পাওয়া যায়। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘শমন’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘শমন’ শব্দের অর্থ মৃত্যুর দেবতা।
গ. উদ্দীপকের কবিতাংশের কবির প্রত্যাশা এবং ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার
কবির প্রত্যাশা একই ধারায় প্রবাহিত।
ঘ. “উদ্দীপকের কবিতাংশ ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সামগ্রিক ভাব প্রকাশ
করেনি” মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি নিজেকে কী হিসেবে দেশমাতৃকার কাছে উপস্থাপন করেছেন? |
|
ক. কবি নিজেকে দাস হিসেবে দেশমাতৃকার কাছে উপস্থাপন করেছেন।
গ. উদ্দীপকটি ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় মর্মযন্ত্রণার দিকটি প্রকাশ
পেয়েছে।
ঘ. “উদ্দীপকে ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সমগ্র ভাবের প্রকাশ ঘটেনি”
মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি মধুসূদনের মনে কখন থেকে কবি হওয়ার বাসনা ছিল? |
|
ক. কবি মধুসূদনের মনে শৈশব থেকেই কবি হওয়ার বাসনা ছিল।
গ. ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় কবি মৃত্যু ও অমরত্ব সম্পর্কিত দুটি গভীর
সত্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। উদ্দীপকেও এ দুটি ভাবেরই প্রকাশ ঘটেছে, যা
‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্য সৃষ্টি করেছে।
ঘ. উদ্দীপক ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় ইঙ্গিতকৃত জন্মমৃত্যু সম্পর্কিত
ভাবটি আমার কাছে সমর্থনযোগ্য। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি কীসে ভয় পান না? |
|
ক. কবি শমন বা মৃত্যুর দেবতাকে ভয় পান না।
গ. স্বদেশপ্রেমের ফলে মনের মধ্যে জন্ম নেয়া আকুলতার দিক দিয়ে উদ্দীপক ও
বঙ্গভূমির প্রতি কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. ‘দেশের প্রতি প্রেমভাব প্রদর্শন সত্ত্বেও উদ্দীপক ও ‘বঙ্গভূমির প্রতি’
কবিতার মধ্যে ভাবের অমিল রয়েছে’ মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি কীসের জলে ফুটতে চেয়েছেন? |
|
ক. কবি দেশমাতৃকার স্মৃতির জলে ফুটতে চেয়েছেন।
গ. ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সঙ্গে উদ্দীকের বিষয়গত বৈসাদৃশ্য
বিদ্যমান।
ঘ. “‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার কবির মানসিক যাতনার সমাধান রয়েছে
উদ্দীপকে।” মন্তব্যটি যথাযথ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘মানস’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘মানস’ শব্দের অর্থ মন।
গ. বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশ্যের দিক দিয়ে রিপনের সঙ্গে মাইকেল মধুসূদন দত্তের
সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. ‘কিছু বৈসাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের রিপন মধুসূদন দত্তেরই প্রতিচ্ছবি।’
মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মহাকাব্যের নাম কী? |
|
ক. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মহাকাব্যের নাম ‘মঙ্গলবধ মহাকাব্য।’
গ. উদ্দীপকের প্রথম কবিতাংশে কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁর জন্মভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন।
ঘ. হ্যাঁ, আমি একমত যে উদ্দীপকের দ্বিতীয় কবিতাংশ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে’) এবং ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার মূল সুর একই। উভয় কবিতায় কবির অমরত্বের আকাক্সক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘মানস’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘মানস’ শব্দের অর্থ মন।
গ. বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশ্যের দিক দিয়ে রিপনের সঙ্গে মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. ‘কিছু বৈসাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের রিপন মধুসূদন দত্তেরই প্রতিচ্ছবি।’ মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘শমন’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘শমন’ শব্দের অর্থ মৃত্যুর দেবতা।
গ. উদ্দীপকের কবিতাংশের কবির প্রত্যাশা এবং ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার কবির প্রত্যাশা একই ধারায় প্রবাহিত।
ঘ. “উদ্দীপকের কবিতাংশ ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সামগ্রিক ভাব প্রকাশ করেনি”—মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মহাকাব্যের নাম কী? |
|
ক. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মহাকাব্যের নাম মেঘনাদবধ কাব্য।
গ. কবিতাংশ দুটিতে দেশপ্রেমমূলক আবেগ বহিঃপ্রকাশের দিক দিয়ে অমিল লক্ষ করা যায়।
ঘ. ‘কবিতাংশ দুটির মূল সুর একই’—এ মন্তব্যটি যথাযথ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘কোকনদ’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘কোকনদ’ শব্দের অর্থ লাল পদ্ম।
গ. ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় বঙ্গমাতাকে কবি মৃত্যুর পর মনে রাখতে বলেছেন। অপরদিকে উদ্দীপকের কবি বাংলার রূপ মাধুরীর দিকে তাকিয়ে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করার কথা বলেছেন।
ঘ. “উদ্দীপকের কবিতা এবং ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতা রচনা করার পেছনে একই চেতনা কাজ করেছে।”—মন্তব্যটি যথাযথ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্যের নাম লেখ। |
|
ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্যের নাম বীরাঙ্গনা।
গ. ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার জন্মভূমির প্রতি কবির কৃতজ্ঞতার ভাবানুভূতি উদ্দীপকে প্রকাশিত হয়েছে।
ঘ. কবিতাংশটি “ ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সামগ্রিক ভাবকে প্রকাশ করেনি”—মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কোন নদের নীর চিরস্থির নয়? |
|
ক. জীবন-নদের নীর চিরস্থায়ী নয়।
গ. উদ্দীপকে ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার কবির পরদেশের মোহে দেশ ত্যাগের বিষয়টির সাথে মিল রয়েছে।
ঘ. উদ্দীপকে যে দেশাত্মবোধের পরিচয় পাওয়া যায় ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতাতে একই দেশাত্মবোধের পরিচয় পাওয়া যায়। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি নিজেকে কী হিসেবে দেশমাতৃকার কাছে উপস্থাপন করেছেন? |
|
ক. কবি নিজেকে দাস হিসেবে দেশমাতৃকার কাছে উপস্থাপন করেছেন।
গ. উদ্দীপকটি ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় মর্মযন্ত্রণার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ. “উদ্দীপকে ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সমগ্র ভাবের প্রকাশ ঘটেনি”—মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-১৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি মধুসূদনের মনে কখন থেকে কবি হওয়ার বাসনা ছিল? |
|
ক. কবি মধুসূদনের মনে শৈশব থেকেই কবি হওয়ার বাসনা ছিল।
গ. ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় কবি মৃত্যু ও অমরত্ব সম্পর্কিত দুটি গভীর সত্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। উদ্দীপকেও এ দুটি ভাবেরই প্রকাশ ঘটেছে, যা ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্য সৃষ্টি করেছে।
ঘ. উদ্দীপক ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় ইঙ্গিতকৃত জন্মমৃত্যু সম্পর্কিত ভাবটি আমার কাছে সমর্থনযোগ্য। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি কীসে ভয় পান না? |
|
ক. কবি শমন বা মৃত্যুর দেবতাকে ভয় পান না।
গ. স্বদেশপ্রেমের ফলে মনের মধ্যে জন্ম নেয়া আকুলতার দিক দিয়ে উদ্দীপক ও বঙ্গভূমির প্রতি কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. ‘দেশের প্রতি প্রেমভাব প্রদর্শন সত্ত্বেও উদ্দীপক ও ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার মধ্যে ভাবের অমিল রয়েছে’—মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কবি কীসের জলে ফুটতে চেয়েছেন? |
|
ক. কবি দেশমাতৃকার স্মৃতির জলে ফুটতে চেয়েছেন।
গ. ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সঙ্গে উদ্দীকের বিষয়গত বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান।
ঘ. “‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার কবির মানসিক যাতনার সমাধান রয়েছে উদ্দীপকে।”—মন্তব্যটি যথাযথ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কী ধরনের কবিতা? |
|
ক. ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ একটি গীতিকবিতা।
গ. উদ্দীপকে ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার দেশমাতৃকার স্মৃতিতে কবির চিরকাল পদ্মফুলের মতো ফুটে থাকার আকাক্সক্ষার দিকটি অনুপস্থিত।
ঘ. উদ্দীপক ও ‘বাভূমির প্রতি’ কবিতার মূল-চেতনা একই ধারায় প্রবাহিত—মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. বাংলা ভাষার প্রথম মহাকাব্যের নাম কী? |
|
ক. বাংলা ভাষার প্রথম মহাকাব্যের নাম ‘মেঘনাদবধ কাব্য’।
গ. উদ্দীপকে ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার কবির জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ. “উদ্দীপকে ফুটে ওঠা দিকটি ছাড়াও ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতায় আরও নানা দিকের সমাবেশ ঘটেছে” মন্তব্যটি যুক্তিযুক্ত। |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন? |
| ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন-২৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. ‘নীর’ শব্দের অর্থ কী? |
| তথ্যসূত্র: |
|---|
|
১. সাহিত্য কণিকা: অষ্টম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড,
ঢাকা, ২০২৬। ২. মধুসূদন কাব্যসমগ্র: (ড. রতন সিদ্দিকী সম্পাদিত) বিশ্বসাহিত্য ভবন, ঢাকা, ৬ষ্ঠ মুদ্রণ, ২০১৬। ৩. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ঢাকা, এপ্রিল, ২০১৮। ৪. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ঢাকা, ১৮তম, ২০১৫। |
