সাম্যবাদী- কাজী নজরুল ইসলাম
|
| সাম্যবাদী |
সাম্যবাদী
কাজী নজরুল ইসলাম
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান,
যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম ক্রিশ্চান।
গাহি সাম্যের গান!
কে তুমি?- পার্সি? জৈন? ইহুদি? সাঁওতাল, ভীল, গারো?
কনফুসিয়াস্? চার্বাক-চেলা? বলে যাও, বল আরও!
বন্ধু, যা খুশি হও,
পেটে-পিঠে, কাঁধে-মগজে যা-খুশি পুঁথি ও কেতাব বও,
কোরান-পুরাণ-বেদ-বেদান্ত-বাইবেল-ত্রিপিটক-
জেন্দাবেস্তা-গ্রন্থ-সাহেব পড়ে যাও যত সখ,-
কিন্তু কেন এ পণ্ডশ্রম, মগজে হানিছ শূল?
দোকানে কেন এ দর-কষাকষি? পথে ফোটে তাজা ফুল!
তোমাতে রয়েছে সকল কেতাব সকল কালের জ্ঞান,
সকল শাস্ত্র খুঁজে পাবে সখা খুলে দেখ নিজ প্রাণ!
তোমাতে রয়েছে সকল ধর্ম, সকল যুগাবতার,
তোমার হৃদয় বিশ্ব-দেউল সকলের দেবতার।
কেন খুঁজে ফের দেবতা-ঠাকুর মৃত-পুঁথি-কঙ্কালে?
হাসিছেন তিনি অমৃত-হিয়ার নিভৃত অন্তরালে!
বন্ধু, বলিনি ঝুট,
এইখানে এসে লুটাইয়া পড়ে সকল রাজমুকুট
এই হৃদয়ই সে নীলাচল, কাশী, মথুরা, বৃন্দাবন,
বুদ্ধ-গয়া এ, জেরুজালেম এ, মদিনা, কাবা-ভবন,
মজ্জিদ এই, মন্দির এই, গির্জা এই হৃদয়,
এইখানে বসে ঈসা মুসা পেল সত্যের পরিচয়।
এই রণ-ভূমে বাঁশির কিশোর গাহিলেন মহা-গীতা,
এই মাঠে হলো মেষের রাখাল নবিরা খোদার মিতা।
এই হৃদয়ের ধ্যান-গুহা মাঝে বসিয়া শাক্যমুনি
ত্যজিল রাজ্য মানবের মহা-বেদনার ডাক শুনি।
এই কন্দরে আরব-দুলাল শুনিতেন আহ্বান,
এইখানে বসি গাহিলেন তিনি কোরানের সাম-গান!
মিথ্যা শুনিনি ভাই,
এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাই। শব্দার্থ ও টীকা
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার উৎস নির্দেশ : |
|---|
| আবদুল কাদির সম্পাদিত বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘নজরুল রচনাবলি’র প্রথম খণ্ড থেকে ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি সংকলন করা হয়েছে। ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত ‘সাম্যবাদী’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত এ কবিতাটিতে বৈষম্যবিহীন অসাম্প্রদায়িক মানব সমাজ গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার শব্দার্থ ও টীকা : |
|---|
|
➠ সাম্য- সমদর্শিতা। সমতা। ➠ সাম্যবাদ- জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে রাষ্ট্রের সকল মানুষের সমান অধিকার থাকা উচিত এই মতবাদ। ➠ পার্সি- পারস্যদেশের বা ইরানের নাগরিক। ➠ জৈন- জিন বা মহাবীর প্রতিষ্ঠিত ধর্মমতাবলম্বী জাতি। ➠ ইহুদি- প্রাচীন হিব্রু বা জু-জাতি ও ধর্ম-সম্প্রদায়ের মানুষ। ➠ সাঁওতাল, ভীল- ভারতীয় উপমহাদেশের আদিম নৃগোষ্ঠীবিশেষ। ➠ গারো- গারো পর্বত অঞ্চলের অধিবাসী। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীবিশেষ। ➠ কনফুসিয়াস- চীনা দার্শনিক। এখানে তাঁর অনুসারীদের বোঝানো হয়েছে। ➠ চার্বাক- একজন বস্তুবাদী দার্শনিক ও মুনি। তিনি বেদ, আত্মা, পরলোক ইত্যাদিতে আস্থাশীল ছিলেন না। ➠ জেন্দাবেস্তা- পারস্যের অগ্নি উপাসকদের ধর্মগ্রন্থ আবেস্তা এবং তার ভাষা জেন্দা। ➠ ‘সকল শাস্ত্র খুঁজে পাবে সখা খুলে দেখ নিজ প্রাণ!’- ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ কোরান শরিফ, হিন্দুদের বেদ, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বাইবেল-এভাবে পৃথিবীর নানা জাতির নানা ধর্মগ্রন্থ। কবি এখানে বলতে চেয়েছেন সকল ধর্মগ্রন্থের মূলমন্ত্র মানুষের হৃদয়ের মধ্যেই সংকলিত আছে তা হচ্ছে মানবতাবোধ, সমতার দৃষ্টিভঙ্গি। ➠ যুগাবতার- বিভিন্ন যুগে অবতীর্ণ মহাপুরুষ বা আবতার। ➠ দেউল- দেবালয়। মন্দির। ➠ ঝুট- মিথ্যা। ➠ নীলাচল- জগন্নাথক্ষেত্র। নীলবর্ণযুক্ত পাহাড়। যে বিশাল পাহাড়ের পরিসীমা নির্ধারণ করা যায় না। ➠ কাশী, মথুরা, বৃন্দাবন, গয়া- হিন্দুদের ধর্মীয় কয়েকটি পবিত্র স্থান। ➠ জেরুজালেম- বায়তুল-মোকাদ্দস। ফিলিস্তিনে অবস্থিত এই স্থানটি মুসলমান, খ্রিষ্টান ও ইহুদিদের নিকট সমভাবে পুণ্যস্থান। ➠ ‘মজ্জিদ এই, মন্দির এই, গির্জা এই হৃদয়’- মানুষের হৃদয়ই মসজিদ, মন্দির গির্জা বা অন্যান্য তীর্থক্ষেত্রের মতো পবিত্র। ➠ ‘বাঁশির কিশোর গাহিলেন মহা-গীতা’- হিন্দুধর্মের অবতার শ্রীকৃষ্ণের মুখনিঃসৃত বাণীই শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা। ➠ শাক্যমুনি- শাকবংশে জন্ম যার। বুদ্ধদেব। ➠ কন্দরে- পর্বতের গুহা। (হৃদয়ের) গভীর গোপন স্থান। ➠ ‘আরব-দুলাল’- আরব সন্তান। এখানে হজরত মুহম্মদ (স) কে বোঝানো হয়েছে। ➠ ‘কোরানের সাম-গান’- পবিত্র কোরানের সাম্যের বাণী। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার পাঠ-পরিচিতি ও মূলভাব : |
|---|
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় বৈষম্যবিহীন অসাম্প্রদায়িক মানব সমাজ গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে। কবি এই ‘সাম্যের গান’ গেয়েই গোটা মানব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে আগ্রহী। কবির বিশ্বাস মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে পরিচিত হয়ে ওঠার চেয়ে সম্মানের আর কিছু হতে পারে না। নজরুলের এই আদর্শ আজও প্রতিটি সত্যিকার মানুষের জীবনপথের প্রেরণা। কিন্তু মানুষ এখনও সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে রাজনীতি করছে, মানুষকে শোষণ করছে, একের বিরুদ্ধে অন্যকে উস্কে দিচ্ছে। ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠীর দোহাই দিয়ে মানুষকে পরস্পর থেকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে। নজরুল এই কবিতায় সুস্পষ্টভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন: "মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেতে সুরাসুর"। তাই তিনি জোর দেন অন্তর-ধর্মের ওপর। ধর্মগ্রন্থ পড়ে যে জ্ঞান মানুষ আহরণ করতে পারে, তাকে যথোপযুক্তভাবে উপলব্ধি করতে হলে প্রয়োজন প্রগাঢ় মানবিকতাবোধ। মানুষের হৃদয়ের চেয়ে যে শ্রেষ্ঠ কোনো তীর্থ নেই, এই প্রতীতি কবির স্বোপার্জিত অনুভব। এ কারণেই কবি মানবিক মেলবন্ধনের এক অপূর্ব সংগীত পরিবেশন করতে আগ্রহী। এ গানে মানুষে মানুষে সব ব্যবধান ঘুচে যাবে। মানবতার সুবাস ছড়ানো আত্মার উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এই জীবনকে পবিত্রতম করে তোলা সম্ভব, এই মর্মবাণীকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই এই কবিতায় নজরুলের অন্বিষ্ট। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার কবি পরিচিতি : |
|---|
|
কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৫শে মে, ১৩০৬ সনের ১১ই জ্যৈষ্ঠ,
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে
জন্মগ্রহণ করেন। ছেলেবেলায় তিনি লেটো গানের দলে যোগ দেন। পরে বর্ধমান ও
ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার দরিরামপুর হাই স্কুলে লেখাপড়া করেন। ১৯১৭ সালে
তিনি সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগ দিয়ে করাচি যান। সেখানেই তাঁর সাহিত্য
জীবনের সূচনা ঘটে। তাঁর লেখায় তিনি সামাজিক অবিচার ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে
সোচ্চার হয়েছেন। এজন্য তাঁকে 'বিদ্রোহী কবি' বলা হয়। বাংলা সাহিত্য জগতে
তাঁর আবির্ভাব এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করে। মাত্র তেতাল্লিশ বছর বয়সে কবি
দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার
পর অসুস্থ কবিকে ঢাকায় আনা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান
করা হয়। তাঁকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা
হয়। তাঁর রচিত কাব্যগুলোর মধ্যে
অগ্নি-বীণা, বিষের বাঁশি, ছায়ানট, প্রলয়-শিখা, চক্রবাক,
সিন্ধু-হিন্দোল
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ব্যথার দান, রিক্তের বেদন, শিউলিমালা, মৃত্যুক্ষুধা ইত্যাদি তাঁর
রচিত গল্প ও উপন্যাস।
যুগবাণী, দুর্দিনের যাত্রী, রুদ্র-মঙ্গল ও রাজবন্দীর জবানবন্দী
তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ। ১৯৭৬ সালের ২৯শে আগস্ট কবি ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁকে পরিপূর্ণ সামরিক মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন : |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন : |
|---|
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটির রচয়িতা কে? উত্তর : কাজী নজরুল ইসলাম। ২. কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে জন্মগ্রহণ করেন? উত্তর : ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ৩. কাজী নজরুল ইসলাম পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন? উত্তর : পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ৪. কাজী নজরুল ইসলাম কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন? উত্তর : কাজী নজরুল ইসলাম বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ৫. চুরুলিয়া কোন মহকুমার অন্তর্গত? উত্তর : চুরুলিয়া আসানসোল মহকুমার অন্তর্গত। ৬. কাজী নজরুল ইসলামের পিতার নাম কী? উত্তর : কাজী ফকির আহমদ। ৭. কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে পিতাকে হারান? উত্তর : আট বছর বয়সে পিতাকে হারান। ৮. কাজী নজরুল ইসলাম কত বঙ্গাব্দে নিম্ন প্রাইমারি পাস করেন। উত্তর : ১৩১৬ বঙ্গাব্দে নিম্ন প্রাইমারি পাস করেন। ৯. কত বছর বয়সে লেটো গানের দলে যোগ দেন? উত্তর : বারো বছর বয়সে লেটো গানের দলে যোগ দেন। ১০. কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন? উত্তর : ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন। ১১. কাজী নজরুল ইসলাম কী হিসেবে বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন? উত্তর : একজন সৈনিক হিসেবে বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন। ১২. কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে মস্তিষ্কের ব্যাধিতে আক্রান্ত হন? উত্তর : ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে মস্তিষ্কের ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। ১৩. কাজী নজরুল ইসলামকে কখন ঢাকায় আনা হয়? উত্তর : বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর কাজী নজরুল ইসলামকে ঢাকায় আনা হয়। ১৪. কোন কবিকে বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবির’ মর্যাদায় ভূষিত করা হয়? উত্তর : কাজী নজরুল ইসলামকে। ১৫. ‘বাউণ্ডেলের আত্মকথা’ গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? উত্তর : ‘সওগাত’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৬. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কবিতার নাম কী? উত্তর : প্রথম কবিতার নাম ‘মুক্তি’। ১৭. ‘মুক্তি’ কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? উত্তর : ‘বঙ্গীয় মুসলমান পত্রিকায়’ প্রকাশিত হয়। ১৮. ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কত বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়? উত্তর : ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ১৩২৮ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়। ১৯. ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? উত্তর : ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ২০. ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থটি কার রচিত? উত্তর : ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত। ২১. ‘বাঁধনহারা’ উপন্যাসটি কার রচিত? উত্তর : ‘বাঁধনহারা’ উপন্যাসটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত। ২২. কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন? উত্তর : কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৬০ সালে ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন। ২৩. কাজী নজরুল ইসলাম কোথায় মৃত্যুবরণ করেন? উত্তর : ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। ২৪. কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন? উত্তর : ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। ২৫. ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবি কীসের গান গেয়েছেন? উত্তর : ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবি সাম্যের গান গেয়েছেন। ২৬. সকল কেতাব ও কালের জ্ঞান কোথায় রয়েছে? উত্তর : সকল কেতাব ও কালের জ্ঞান মানুষের মধ্যে রয়েছে। ২৭. কবির মতে, এ হৃদয়ের চেয়ে বড় কী নেই? উত্তর : কবির মতে, এ হৃদয়ের চেয়ে বড় মন্দির-কাবা নেই। ২৮. কোরানের সাম-গান কে গেয়েছেন? উত্তর : কোরানের সাম-গান হযরত মুহাম্মদ (স.) গেয়েছেন। ২৯. আরব-দুলাল কোথায় বসে আহ্বান শুনতেন? উত্তর : আরব-দুলাল কন্দরে বসে আহ্বান শুনতেন। ৩০. কে মহা-বেদনার ডাক শুনতেন? উত্তর : শাক্যমুনি মহা-বেদনার ডাক শুনতেন। ৩১. ‘পণ্ডশ্রম’ অর্থ কী? উত্তর : ‘পণ্ডশ্রম’ অর্থ বিফল পরিশ্রম। ৩২. বিভিন্ন যুগে অবতীর্ণ মহাপুরুষদের কী বলা হয়? উত্তর : বিভিন্ন যুগে অবতীর্ণ মহাপুরুষদের যুগাবতার বলা হয়। ৩৩. বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক ও প্রচারক কে? উত্তর : বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক ও প্রচারক গৌতম বুদ্ধ। ৩৪. মুসলমান, খ্রিষ্টান ও ইহুদিদের কাছে সমভাবে সম্মানিত পুণ্যস্থান কোনটি? উত্তর : সমভাবে সম্মানিত পুণ্যস্থান জেরুজালেম। ৩৫. ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতা? উত্তর : ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতা। ৩৬. শ্রীকৃষ্ণ কোন ধর্মের অনুসারীদের অবতার পুরুষ? উত্তর : শ্রীকৃষ্ণ সনাতন ধর্মের অনুসারীদের অবতার পুরুষ। ৩৭. শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা কার মুখনিঃসৃত বাণী? উত্তর : শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা শ্রীকৃষ্ণের মুখনিঃসৃত বাণী। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার অনুধাবনমূলক প্রশ্ন : |
|---|
|
১. কবি ‘সাম্যের গান’ গেয়েছেন কেন?
২. “যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম-ক্রীশ্চান।”-ব্যাখ্যা কর।
৩. “কে তুমি?-পার্সী? জৈন? ইহুদী?” -কবি এগুলো বলেছেন কেন?
৪. কনফুসিয়াস কেন বিখ্যাত?
৫. “পেটে-পিটে, কাঁধে-মগজে যা-খুশি পুঁথি ও কেতাব বও” চরণটিতে কবি কী
বুঝিয়েছেন?
৬. ‘কোরান-পুরান-বেদ-বেদান্ত’ চর্চাকে কবি কী হিসেবে দেখেছেন?
৭. ‘পণ্ডশ্রম’ কথাটি কবি কেন ব্যবহার করেছেন?
৮. মগজে হানিছ শূল-বলতে কী বোঝ?
৯. “তোমাতে রয়েছে সকল কেতাব সকল কালের জ্ঞান”-বুঝিয়ে দাও।
১০. মানুষের মাঝেই সকল ধর্ম কথাটি কেন বলা হয়েছে?
১১. “তোমার হৃদয় বিশ্ব-দেউল সকলের দেবতার।” -কেন বলা হয়েছে?
১২. “কেন খুঁজে ফের দেবতা-ঠাকুর মৃত-পুঁথি-কঙ্কালে?”-ব্যাখ্যা কর।
১৩. “এইখানে এসে লুটাইয়া পড়ে সকল রাজমুকুট।” কেন?
১৪. “এইখানে বসে ঈসা মুসা পেল সত্যের পরিচয়। কেন? ব্যাখ্যা কর।
১৫. “এই মাঠে হল মেষের রাখাল নবীরা খোদার মিতা।”- বলতে কী বুঝ?
১৬. শাক্যমুনি সিংহাসন ত্যাগ করলেন কেন?
১৭. “এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির-কাবা নাই।”-কবি এটি কেন বলেছেন? |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘যুগাবতার’ অর্থ কী? |
|
যুগাবতার এর অর্থ হলো বিভিন্ন যুগে অবতীর্ণ মহাপুরুষ।
উদ্দীপকে ‘সাম্যবাদী’ কবিতার মানবতার স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে
সাম্যবাদী সমাজ প্রতীক্ষার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে।
উদ্দীপকে ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সাম্যবাদী ও মানবতাবাদী চেতনার প্রকাশ
ঘটেছে, যা হৃদয়ে লালন করার মাধ্যমে আমরা সুন্দর সুখী সমাজ গড়ে তুলতে
পারব। সুখী সুন্দর সমাজ গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো মানুষে মানুষে
সাম্য প্রতিষ্ঠা। যে সমাজে মানুষে মানুষে বিভেদ বিদ্যমান যে সমাজে আছে
কেবল অশান্তি, হানাহানি। তাই সুন্দর সমাজ গঠনের জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন
সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠা করা। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২ |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় মগজে কী হানার কথা বলা হয়েছে? |
|
‘সাম্যবাদী’ কবিতায় মগজে শূল হানার কথা বলা হয়েছে।
মানুষের অন্তরের ঐশ্বর্য প্রকাশের দিক দিয়ে উদ্দীপকের মূলবক্তব্য
‘সাম্যবাদী’ কবিতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
উক্তিটি আলোচ্য উদ্দীপক ও ‘সাম্যবাদী’ কবিতার আলোকে সঠিক ও যথার্থ। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৩ |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ইরানের নাগরিকদের কী বলে? |
|
ইরানের নাগরিকদের পার্সি বলে।
উদ্দীপকে ‘সাম্যবাদী’ কবিতার মানবহৃদয়ে স্রষ্টার অস্তিত্বের দিকটি
প্রতিফলিত হয়েছে।
উদ্দীপকটি ‘সাম্যবাদী’ কবিতার পূর্ণচিত্র নয়-মন্তব্যটি সঠিক ও
যুক্তিযুক্ত। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৪ |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. জিন বা মহাবীর প্রতিষ্ঠিত ধর্মমতাবলম্বী জাতিকে কী বলে? |
|
জিন বা মহাবীর প্রতিষ্ঠিত ধর্মমতাবলম্বী জাতিকে জৈন বলে।
উদ্দীপকটিতে নানা ধর্মসম্প্রদায়গত ভেদ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলার
মাধ্যমে মানুষ জাতির ঐক্যের দিকটিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, যা কবির
প্রত্যাশার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
“উদ্দীপকটি ‘সাম্যবাদী’ কবিতার আংশিক রূপায়ণ”-মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৫ |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. আরব দুলাল কে?
আরব দুলাল হলেন মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)। |
|
উদ্দীপকের অপরের কল্যাণে আত্মোৎসর্গ করার মহৎ প্রচেষ্টা ‘সাম্যবাদী’
কবিতায় উল্লিখিত শাক্যমুনির জনকল্যাণের জন্য রাজ্য ত্যাগের দিকটিকে
নির্দেশ করে।
“মুজাহিদ ও শাক্যমুনির আত্মত্যাগ যেন একসূত্রে গাঁথা।”-উক্তিটি
যথার্থ। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৬ |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. পারস্যের অগ্নি উপাসকদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী? |
|
পারস্যের অগ্নি উপাসকদের ধর্মগ্রন্থের নাম আবেস্তা।
দেবতাকে পেতে পথের প্রান্তে, অর্থাৎ অনন্তের পথে ধাবিত হওয়ার দরকার নেই
বরং মানুষের হৃদয়েই তার অবস্থান-উদ্দীপকের এই দিকটি ‘সাম্যবাদী’ কবিতায়
ফুটে উঠেছে।
“দু’চরণের এ উদ্দীপকটি ‘সাম্যবাদী’ কবিতার একটি সমার্থক দলিল।”
-উক্তিটি সঠিক। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৭ |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘নজরুল রচনাবলি’ গ্রন্থের সম্পাদক কে? |
|
নজরুল রচনাবলি গ্রন্থের সম্পাদক আবদুল কাদির।
মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের মধ্য দিয়ে উদ্দীপক ও ‘সাম্যবাদী’ কবিতার
মধ্যে সাদৃশ্য প্রতীয়মান হয়।
“উদ্দীপকে মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের যে অমৃত সার্থক বাণী প্রকাশ
পেয়েছে তা ‘সাম্যবাদী’ কবিতারও মূল উপজীব্য”-মন্তব্যটি সঠিক। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৮ |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে লেটো গানের দলে যোগ দেন? |
|
কাজী নজরুল ইসলাম বারো বছর বয়সে লেটো গানের দলে যোগ দেন।
উদ্দীপক ও ‘সাম্যবাদী’ কবিতার মধ্যে সাদৃশ্য হলো আপন হিয়ার মাঝে লুকিয়ে
থাকা পরমাত্মার সন্ধান না জেনে বাহিরে স্রষ্টার অস্তিত্ব খোঁজার চেষ্টা
করা।
‘আমরা আপন অস্তিত্বের বিশ্বাসী নই বলেই স্রষ্টাকে বাহিরে খুঁজে ফিরি’-
মন্তব্যটি ‘সাম্যবাদী’ কবিতার আলোকে যথার্থ। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৯ |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবি কীসের গান গেয়েছেন? |
|
‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবি সাম্যের গান গেয়েছেন।
উদ্দীপকে ‘সাম্যবাদী’ কবিতার প্রথম অংশে উচ্চারিত কবির অসাম্প্রদায়িক
মানবসমাজের প্রত্যাশা প্রতিফলিত হয়েছে।
“উদ্দীপকটি ‘সাম্যবাদী’ কবিতার ভাবার্থের দর্পণ।”মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১০ |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবির মতে আমাদের হৃদয় কী? |
|
‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবির মতে আমাদের হৃদয় সকলের দেবতার বিশ্ব-দেউল।
উদ্দীপকটি ‘সাম্যবাদী’ কবিতার মানুষের অন্তরাত্মার তথা মানবাত্মার
শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়-যেখানে স্বয়ং স্রষ্টার অধিষ্ঠান, তাকেই ইঙ্গিত করে।
“উদ্দীপকটি ‘সাম্যবাদী’ কবিতার একটি বিশেষ দিক, অর্থাৎ মানবের
অন্তরাত্মা বা মানবাত্মা অনুসন্ধানের দিকটিকে প্রতিকার করেছে মাত্র।”
মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১১ |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. শাক্যমুনি কে? |
|
শাক্যমুনি হলেন বৌদ্ধধর্ম দর্শনের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ।
উদ্দীপকটিতে ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় বর্ণিত জাত-পাত-ধর্ম-বর্ণ ও নানা
সম্প্রদায়ে বিভক্ত বাইরের মানুুষের চেয়ে অন্তরের অন্তস্থলের নিভৃত কোণে
বাস করা মানবিক হৃদয়সম্পন্ন মানুষের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
“উদ্দীপক ও ‘সাম্যবাদী’ কবিতা উভয়ের মূলসুর এক ও অভিন্ন।” প্রশ্নোক্ত
মন্তব্যটি যথার্থ নয়। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১২ |
|---|
|
উদ্দীপকটি পড় এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘বাউণ্ডেলের আত্মকথা’ গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? |
|
ক. ‘বাউণ্ডেলের আত্মকথা’ গল্পটি ‘সওগাত’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। গ. প্রথমে মনোযোগসহকারে উদ্দীপকটি পড়ে কবিতার মূল বিষয়বস্তু বের কর। এরপর কবিতাটি ভালোভাবে পড়ে লক্ষ কর ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় মূলত কবি কোন বিষয়ের সমতার কথা বলেছেন। দেখবে এখানে কিছুটা ভিন্নতা বা বৈসাদৃশ্য রয়েছে। এরপর যুক্তিসহকারে সে বৈসাদৃশ্যগুলো সাজিয়ে লেখ। ঘ. প্রথমে অত্যন্ত মনোযোগের সাথে পড়ে কবিতার কবির মূল চাওয়া কী তা ধরার চেষ্টা কর। এবার ‘সাম্যবাদী’ কবিতা পড়ে দেখ এখানেও কবি একই বিষয় কামনা করেছেন ভিন্ন বিষয়বস্তু উপস্থাপন করে। এবার মূল্যায়ন অংশে যুক্তি সহকারে তোমার উত্তরের সপক্ষে বিষয়টি তুলে ধরে সরল ভাষায় প্রশ্নের উত্তর সম্পন্ন কর। |
| ‘সাম্যবাদী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৩ |
|---|
|
উদ্দীপকটি পড় এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ক. কনফুসিয়াস কে? |
|
ক. কনফুসিয়াস হলেন প্রাচীন একজন দার্শনিক। গ. প্রথমে উদ্দীপকটি ভালোভাবে পড়ে আজম সাহেবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বোঝার চেষ্টা কর। এবার ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি গভীর মনোযোগসহ পড়ে দেখ এখানেই এমন শ্রেণির এক ধরনের মানুষ আছে। এবার আজম সাহেবের চরিত্র বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে উক্ত মানুষগুলোর সাদৃশ্যগুলো দেখিয়ে উত্তর সমাপ্ত কর। ঘ. উদ্দীপকটি ভালোভাবে পড়ে দেখ, এখানে জাতি-ধর্মের ভেদাভেদের বিষয়টি রয়েছে। এবার ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি পড়ে উচ্চতর জ্ঞান দিয়ে অনুধাবন করে দেখ এ ভেদাভেদ ধ্বংস করার জন্যই কবি এই কবিতাটি লিখেছেন। এবার মূল্যায়ন অংশে কবির মনোভাবের সঙ্গে এই বিষয়টি মিলিয়ে উত্তরের পক্ষে যৌক্তিক অবস্থান তুলে ধর। |
| তথ্যসূত্র : |
|---|
|
১. সাহিত্য পাঠ: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ড, ঢাকা, ২০২৫। ২. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, এপ্রিল, ২০১৮। ৩. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ১৮তম, ২০১৫। |
