চাষার দুক্ষু : রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
|
| চাষার দুক্ষু |
চাষার দুক্ষু
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের উৎস নির্দেশ : |
|---|
|
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত ‘চাষার দুক্ষু’ শীর্ষক রচনাটি বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘রোকেয়া রচনাবলি’ গ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের শব্দার্থ ও টীকা : |
|---|
|
➠ ছেইলা- ছেলে। সন্তানসন্ততি অর্থে। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের পাঠ-পরিচিতি ও মূলভাব : |
|---|
|
তাঁর শিক্ষা ও সামাজিক কাজকর্ম থেকে শুরু করে লেখালেখির জগৎ উৎসর্গীকৃত হয়েছে পশ্চাৎপদ নারীসমাজের মুক্তি ও সমৃদ্ধির জন্য। কিন্তু ‘চাষার দুক্ষু’ শীর্ষক প্রবন্ধটি তৎকালীন দারিদ্র্যপীড়িত কৃষকদের বঞ্চনার মর্মন্তুদ দলিল হয়ে আছে। ভারতবর্ষের সভ্যতা ও অগ্রগতির ফিরিস্তি তুলে ধরে তিনি দেখিয়েছেন, সেখানে কৃষকদের অবস্থা কত শোচনীয়। পাকা বাড়ি, রেলওয়ে, ট্রামওয়ে, স্টিমার, এরোপ্লেন, মোটর গাড়ি, টেলিফোন, টেলিগ্রাফসহ আরও যে কত আবিষ্কার ভারতবর্ষের শহুরে মানুষের জীবন সমৃদ্ধ ও সচ্ছল করে তুলেছে তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু সেই ভারতবর্ষেই কৃষকদের পেটে খাদ্য জোটে না, শীতে বস্ত্র নেই, অসুখে চিকিৎসা নেই। এমনকি তাদের পান্তাভাতে লবণও জোটে না। সমুদ্র তীরবর্তী লোকেরা সমুদ্রজলে চাল ধুইয়ে লবণের অভাব মেটানোর চেষ্টা করেন। টাকায় পঁচিশ সের চাল মিললেও রংপুরের কৃষকগণ চাল কিনতে না পেরে লাউ, কুমড়া, পাট শাক, লাউ শাক সিদ্ধ করে খেয়ে জঠর-যন্ত্রণা নিবারণ করে। কৃষকদের এই চরম দারিদ্র্যের জন্য তিনি সভ্যতার নামে এক শ্রেণির মানুষের বিলাসিতাকে দায়ী করেছেন। আবার কোনো কোনো কৃষককে এ বিলাসিতার বিষে আক্রান্ত করেছে। এছাড়া গ্রামীণ কুটির শিল্পের বিপর্যয়ও কৃষকদের দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ। কুটির শিল্পকে ধ্বংস করে দিয়ে আত্মনির্ভরশীল গ্রাম-সমাজকে চরম সংকটের মধ্যে ফেলেছে ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী। কৃষকদের এই মুমূর্ষু অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন গ্রামে গ্রামে পাঠশালা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। আর গ্রামীণ কুটির শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখারও পরামর্শ দিয়েছেন। এ প্রবন্ধে রোকেয়ার অসাধারণ পাণ্ডিত্য, যুক্তিশীলতা ও চিন্তার বিস্ময়কর অগ্রসরতার প্রতিফলন ঘটেছে। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের কবি পরিচিতি : |
|---|
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের বহুনির্বাচনি প্রশ্ন : |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন : |
|---|
১. ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের লেখকের মতে, কত বছর পূর্বে ভারতবাসী অসভ্য বর্বর ছিল? |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন : |
|---|
|
১. ‘ইহার অপর পৃষ্ঠাও আছে’-উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
২. জুটমিলের কর্মচারীদের নবাবি জীবনযাপন ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে লেখককে
ভাবিয়ে তুলত কেন?
৩. শুঁটকি মাছ অতি উপাদেয় তরকারি বলে পরিগণিত হওয়ার কারণ বুঝিয়ে লেখ।
৪. ‘পাছায় জোটে না ত্যানা, কিন্তু মাথায় ছাতা’-উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো
হয়েছে?
৫. এখন আর ‘আসাম সিল্ক’ পাওয়া যায় না কেন?
৬. চাষার দারিদ্র্য কীভাবে ঘুচবে? -ব্যাখ্যা কর।
৭. চাষার উদরে অন্ন না থাকার কারণ কী? |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. রংপুর অঞ্চলে রেশমকে স্থানীয় ভাষায় কী বলে? |
|
ক. স্থানীয় ভাষায় ‘এন্ডি’ বলে।
গ. ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পুনরুদ্ধারের
মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের দিকটি শিল্পীর মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ. ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক গ্রামীণ কুটির শিল্পের মাধ্যমে
দারিদ্র্য বিমোচনের দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. কত বছর পূর্বে ভারতবাসী অসভ্য বর্বর ছিল বলে জনশ্রুতি আছে? |
|
ক. দেড়শ বছর পূর্বে ভারতবাসী অসভ্য ও বর্বর ছিল বলে জনশ্রুতি আছে।
গ. শুধু বস্তুগত উন্নতিকেই সভ্যতা বলা সম্পর্কে উদ্দীপকের বক্তব্যের
সাথে ‘চাষার দুক্ষু’ রচনার বৈসাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. বস্তুগত উন্নতি সভ্যতার অন্যতম নির্ণায়ক হলেও শুধু বস্তুগত উন্নতিই
যে সভ্যতা নয় এ বিষয়টি উদ্দীপক ও ‘চাষার দুক্ষু’ রচনায় পরিলক্ষিত
হয়। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. সমাজের মেরুদণ্ড কে? |
|
ক. সমাজের মেরুদণ্ড চাষা।
গ. উদ্দীপকটিতে ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের ধান-পাট উৎপাদনকারী চাষার
অন্নহীন, বস্ত্রহীন থাকা বিষয়ের প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে।
ঘ. “উদ্দীপকের ‘আলু তার বসুন্ধরা যার’ আর ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের
‘ধান্য তার বসুন্ধরা যার’ মূলত চাষার একান্ত দুঃখগাঁথা।”-
প্রশ্নোল্লিখিত এ মন্তব্যটি যথার্থ ও সঠিক। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. আসাম এবং রংপুরে বিশেষ এক প্রকার রেশমকে স্থানীয় ভাষায় কী বলে? |
|
ক. রেশমকে স্থানীয় ভাষায় ‘এন্ডি’ বলে।
গ. উদ্দীপকটি ‘চাষার দুক্ষু’ রচনায় আমাদের বিলাসিতা অর্থাৎ সভ্যতার
সঙ্গে সঙ্গে অনুকরণপ্রিয়তার দিকটিকে নির্দেশ করে।
ঘ. সভ্যতার নামে শহুরে বাবুয়ানা জীবনযাপনের বিলাসিতার অনুকরণপ্রিয়তার
ঘোড়া-রোগ গ্রামবাংলার চাষাদেরকে দারিদ্র্যের জালে আবদ্ধ করে রাখছে। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘ত্যানা’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ছেঁড়া কাপড়।
গ. উদ্দীপকের মতো ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের কৃষকরাও একই দুরবস্থার
শিকার।
ঘ. উক্তিটি আমাদের দেশের কৃষক-শ্রমিকের বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘পখাল ভাত’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘পখাল ভাত’ শব্দের অর্থ পান্তা ভাত।
গ. উদ্দীপকের ফজর আলীর বাস্তবতা আর ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে উল্লিখিত
বিহার অঞ্চলের কৃষকদের জীবন বাস্তবতা মোটামুটি একই রকম।
ঘ. ‘অভাবের কাছে জীবনের মূল্য বড় কম’- উদ্দীপকের এ উক্তিটি ‘চাষার
দুক্ষু’ প্রবন্ধের আলোকে যথাযথ। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘এন্ডি’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘এন্ডি’ শব্দের অর্থ মোটা রেশমি কাপড়।
গ. উদ্দীপকের সন্ধ্যারাণীর সঙ্গে ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের আসাম ও
রংপুর অঞ্চলের বাঙালি রমণীদের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
ঘ. কালের বিবর্তনে এ হস্তশিল্প জাদুঘরে স্থান পাচ্ছে উক্তিটি যথার্থ
ভাবেই সত্যি। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. সভ্যতার আগমনে রমণীরা ক্ষারের পরিবর্তে কীসের ব্যবহার শুরু
করেছিল? |
|
ক. সভ্যতার আগমনে রমণীরা ক্ষারের পরিবর্তে সোডা ব্যবহার করতে শুরু
করেছিল।
গ. বিলাসিতার দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের মিল
রয়েছে।
ঘ. ‘আধুনিক সভ্যতা ও বিলাসিতা একে অপরের সহোদর’-উক্তিটি উদ্দীপক ও
‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের আলোকে যুক্তিযুক্ত। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘জঠর’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘জঠর’ শব্দের অর্থ হলো উদর।
গ. উদ্দীপকের চাষা এবং ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের পল্লিবাসী কৃষক পরের
কল্যাণে জীবন অতিবাহিত করার বিষয়টিকে রূপায়িত করেন।
ঘ. চাষারা সমাজের সকলের জন্য অন্নের সংস্থান করেন বলে তারাই সমাজের
মেরুদণ্ড। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে লেখকের মতে, আমাদের সামান্য অসুখ হলে কতজন
ডাক্তার নাড়ি টেপে? |
|
ক. আট-দশ জন ডাক্তার নাড়ি টেপে। গ. উদ্দীপকটি ভালোভাবে পড়ে মোড়ল চরিত্রের বৈশিষ্ট্য অনুধাবন কর। এরপর এর সঙ্গে ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সাদৃশ্য নির্ণয় করে তা সংক্ষেপে বর্ণনা কর। ঘ. উদ্দীপকটি ভালোভাবে পড়ে হাবিব চরিত্রের উদ্দেশ্য নির্ণয় কর। ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে বেগম রোকেয়ার মানসিকতা নির্ণয় কর। দেখবে উভয়ে একই মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। এ বিষয়টিই যত্নসহকারে বিশ্লেষণ করি। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. জমিরনের মা মেয়ের জন্য কী জোটাতে পারতো না? |
|
ক. এক পয়সার তেল জোটাতে পারত না। গ. সর্বপ্রথম উদ্দীপকের শেষ চরণের ভাবার্থ ভালোভাবে অনুধাবন করার চেষ্টা কর। তারপর এর সাথে ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের যে বিষয়টির সম্পর্ক রয়েছে তা সংক্ষেপে তুলে ধর। ঘ. উদ্দীপকটি মনোযোগ সহকারে পড়ে প্রশ্নোক্ত চরণটি অনুধাবন কর। তারপর ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধ পড়ে তার মূলসুর কী তা নির্ণয় কর। দেখবে উভয়ের মূলসুর একই ধারায় প্রবাহিত। এ বিষয়টিই তুমি মূল্যায়ন অংশে সহজ ও সুন্দর করে লেখ। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘অনুকরণপ্রিয়তা’ নামক ভূতটি কাদের কাঁধে চেপেছে? |
|
ক. চাষাদের কাঁধে চেপেছে। গ. প্রথমে উদ্দীপকের সংগ্রাম কথাটির বিষয়বস্তু ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা কর। এরপর উক্ত বিষয়টির সঙ্গে ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের বিষয়গত মিল নির্ণয় করে তা উপস্থাপন কর। ঘ. উদ্দীপকটি ভালোভাবে পড়ে তা ভালোভাবে আয়ত্ত কর। এরপর ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সঙ্গে মিল-অমিল নির্ণয় কর। এ বিষয়টি যত্নসহকারে তুলে ধর। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে উল্লিখিত সমুদ্রতীরবর্তী গ্রাম কোনটি? |
|
ক. সমুদ্রতীরবর্তী গ্রাম সাত ভায়া। গ. উদ্দীপকটি ভালোভাবে পড়ে মোড়ল চরিত্রটি অনুধাবন কর। এরপর ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধটি মনোযোগ সহকারে পড়ে উদ্দীপকের মোড়ল চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্য নির্ণয় করে তা উপস্থাপন কর। ঘ. উদ্দীপকের সবুর আলীর জীবন কীভাবে অতিবাহিত হয়েছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত কর। এরপর এর সঙ্গে ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের কৃষকদের জীবনের সাদৃশ্য খুঁজে বের কর। এ বিষয়টিই প্রমাণিত অংশে লিপিবদ্ধ কর। |
| ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১: |
|---|
| তথ্যসূত্র : |
|---|
|
১. সাহিত্য পাঠ: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ড, ঢাকা, ২০২৫। ২. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, এপ্রিল, ২০১৮। ৩. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ১৮তম, ২০১৫। |
