আমি কিংবদন্তির কথা বলছি- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
|
| আমি কিংবদন্তির কথা বলছি |
আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি।
তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল
তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল।
তিনি অতিক্রান্ত পাহাড়ের কথা বলতেন
অরণ্য এবং শ্বাপদের কথা বলতেন
পতিত জমি আবাদের কথা বলতেন
তিনি কবি এবং কবিতার কথা বলতেন।
জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা
কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে।
আমি উচ্চারিত সত্যের মতো
স্বপ্নের কথা বলছি।
উনোনের আগুনে আলোকিত
একটি উজ্জ্বল জানালার কথা বলছি।
আমি আমার মায়ের কথা বলছি,
তিনি বলতেন প্রবহমান নদী
যে সাঁতার জানে না তাকেও ভাসিয়ে রাখে।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে নদীতে ভাসতে পারে না।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে মাছের সঙ্গে খেলা করতে পারে না।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে মায়ের কোলে শুয়ে গল্প শুনতে পারে না।
আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি।
আমি বিচলিত স্নেহের কথা বলছি
গর্ভবতী বোনের মৃত্যুর কথা বলছি
আমি আমার ভালোবাসার কথা বলছি।
ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়
যুদ্ধ আসে ভালোবেসে
মায়ের ছেলেরা চলে যায়,
আমি আমার ভাইয়ের কথা বলছি।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে সন্তানের জন্য মরতে পারে না।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে ভালোবেসে যুদ্ধে যেতে পারে না।
যে কবিতা শুনতে জানে না
সে সূর্যকে হৃৎপিণ্ডে ধরে রাখতে পারে না।
আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি।
তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল
কারণ তিনি ক্রীতদাস ছিলেন।
যে কর্ষণ করে
শস্যের সম্ভার তাকে সমৃদ্ধ করবে।
যে মৎস্য লালন করে
প্রবহমান নদী তাকে পুরস্কৃত করবে।
যে গাভীর পরিচর্যা করে
জননীর আশীর্বাদ তাকে দীর্ঘায়ু করবে।
যে লৌহখণ্ডকে প্রজ্বলিত করে
ইস্পাতের তরবারি তাকে সশস্ত্র করবে।
দীর্ঘদেহ পুত্রগণ
আমি তোমাদের বলছি।
আমি আমার মায়ের কথা বলছি
বোনের মৃত্যুর কথা বলছি
ভাইয়ের যুদ্ধের কথা বলছি
আমি আমার ভালোবাসার কথা বলছি।
আমি কবি এবং কবিতার কথা বলছি।
সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা
সুপুরুষ ভালোবাসার সুকণ্ঠ সংগীত কবিতা
জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি মুক্ত শব্দ কবিতা
রক্তজবার মতো প্রতিরোধের উচ্চারণ কবিতা।
আমরা কি তাঁর মতো কবিতার কথা বলতে পারবো
আমরা কি তাঁর মতো স্বাধীনতার কথা বলতে পারবো।
সংক্ষেপিত
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার উৎস নির্দেশ: |
|---|
|
‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর ‘বৃষ্টি ও সাহসী
পুরুষের জন্য প্রার্থনা’ নামক কাব্যগ্রন্থ নেওয়া হয়েছে। এই কাব্যগ্রন্থে
২টি কবিতা রয়েছে: একটি ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’, অন্যটি
‘বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা’।
কাব্যগ্রন্থটি ‘সন্ধানী প্রকাশনী’ থেকে ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত
হয়। ২০১২ সালে Prayer for rains and the Brave of heart নামে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন Syed Nazimuddin Hashim. |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার শব্দার্থ ও টীকা: |
|---|
|
➠ কিংবদন্তি - জনশ্রুতি। লোকপরম্পরায় শ্রুত ও কথিত বিষয় যা একটি জাতির
ঐতিহ্যের পরিচয়বাহী। ➠ পূর্বপুরুষ- পূর্বে জন্মগ্রহণ করেছে যে বা যারা। বংশে পিতৃপিতামহাদি পূর্বগামী ব্যক্তিরা। ➠ করতলে- হাতের তালুতে/মুঠোয়। ➠ পলিমাটি- বন্যা বা নদীর ঘোলা জল থেকে থিতিয়ে পড়া নরম ও উর্বর মাটি। ➠ সৌরভ- সুগন্ধ; সুবাস; সুগন্ধ। ➠ রক্তজবা- লাল বর্ণের জবা। ➠ পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত- মানুষের ওপর অত্যাচারের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এখানে। সেই অত্যাচারের আঘাত যে এখনও তাজা রয়েছে তা বোঝাতেই রক্তজবার প্রসঙ্গ ব্যবহৃত হয়েছে। আরও লক্ষণীয়, আঘাত রয়েছে পিঠে। অর্থাৎ, শত্রুরা ভীরু কাপুরুষের মতো পিছন থেকে আক্রমণ করেছে কিংবা বন্দি ক্রীতদাসের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে, মুক্ত মানুষের সঙ্গে সম্মুখ লড়াইয়ের বীরোচিত সাহস দেখায়নি। ➠ অতিক্রান্ত- গত; লঙ্ঘিত; ডিঙানো। ➠ অতিক্রান্ত পাহাড়- এখানে বাধা-বিপত্তিকে ডিঙানোক বোঝাচ্ছেে। ➠ পাহাড়- মাটির উঁচু স্তুুপ; সাধারণত ৬০০ মিটার থেকে ১০০০মিটার উঁচু স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তুুপকে পাহাড় বলে। ➠ অরণ্য- গাছপালায় ঢাকা জায়গা যেখানে বন্য পশুপাখি বিচরণ করে; বন; জঙ্গল। ➠ শ্বাপদ- হিংস্র মাংসাশী শিকারি জন্তু। ➠ পতিত- অনাবাদি; পড়ে আছে এমন। ➠ পতিত জমি- চাষাবাদ করা হয়নি এমন জমি; অনাবাদি জমি। ➠ আবাদ- চাষাবাদ। ➠ কবি- এখানে মুক্তি প্রত্যাশী ব্যক্তির প্রতীক অর্থে। ➠ কবিতা- এখানে মুক্তির প্রত্যাশার প্রতীক অর্থে। ➠ কর্ষিত জমি- যে জমিতে লাঙল চালানো হয়েছে। ➠ আর্তনাদ- কাতর চিৎকার। ➠ ঝড়ের আর্তনাদ- বিপদের সম্মুখীন হবে। বিভিন্ন বিপদে পড়া। ➠ অধিকার- দাবি; আধিপত্য। ➠ আজন্ম- সারাজীবন; চিরকাল। ➠ ক্রীতদাস- স্বাধীনতাহীন গোলাম; কেনা গোলাম। ➠ কাতর- চিৎকার; বিপদসূচক কান্নাকাটি। ➠ অধিকার- কর্তৃত্ব; আয়ত্ব। ➠ উনোন- উনুন হলো চুলা। ➠ উনোনের আগুনে আলোকিত একটি উজ্জ্বল জানালা- আগুনে সবকিছু শুচি হয়ে ওঠে। তাই আগুনের উত্তাপে পরিশুদ্ধ হয়ে সকল গ্লানি মুছে ফেলে আলোয় ভরা মুক্তজীবনের প্রত্যাশা জানাতে উজ্জ্বল জানালার অনুষঙ্গ ব্যবহৃত হয়েছে। ➠ প্রবাহমান- চলমান; প্রবাহিত হচ্ছে এমন। ➠ বিচলিত স্নেহ- আপনজনের উৎকণ্ঠা। মুক্তিপ্রত্যাশী মানুষের আসন্ন বিপদের আশঙ্কায় তাদের স্বজনরা উদ্বিগ্ন হন। ভালোবাসা আর শঙ্কা একসঙ্গে মিশে যায়। ➠ স্নেহ- আদর; ভালোবাসা। ➠ ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়- মুক্তি বা স্বাধীনতার প্রয়োজনে কখনো আত্মোৎসর্গ অনিবার্য হয়ে ওঠে। দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য ছেড়ে যেতে হয় মাকে। মা, পরিবারকে ছাপিয়ে দেশের প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসাকেই এখানে বোঝানো হয়েছে। ➠ যুদ্ধ- লড়াই; সংগ্রাম। ➠ সূর্যকে হৃৎপিণ্ডে ধরে রাখা- সূর্য সকল শক্তির উৎস। তাই এই সর্বশক্তির আধারকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারলে মুক্তি অনিবার্য। কবির মতে, এই সামর্থ্য অর্জনের একমাত্র উপায় হলো কবিতা শোনা; কবিতাকে আত্মস্থ করা। কেননা, কবির কাছে শুধু কবিতাই সত্য আর সত্যই শক্তি। ➠ হৃৎপিণ্ড- স্বয়ংক্রিয় স্পন্দনশীল রক্ত সঞ্চালক যন্ত্রবিশেষ যা বক্ষঃস্থলে অবস্থিত। ➠ কর্ষণ- চাষ। ➠ শস্যের সম্ভার- পণ্যের প্রাচুর্য। ➠ পরিচর্যা- সেবা। শুশ্রূষা ➠ আশীর্বাদ- শুভকামনা; মঙ্গল কামনা। ➠ দীর্ঘায়ু- দীর্ঘজীবী। ➠ সশস্ত্র- অস্ত্রসজ্জিত। ➠ অনিবার্য- অপ্রতিরোধ্য। নিবারণ করা যায় না এমন। ➠ অভ্যুত্থান- বিদ্রোহ; উন্নতি; সমৃদ্ধি। ➠ সুপুরষ- সুদর্শন পুরুষ। ➠ সুকণ্ঠ- যার কণ্ঠস্বর মধুর; সুস্বর। ➠ প্রতিরোধ- বাধাদান; নিবারণ। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার পাঠ-পরিচিতি: |
|---|
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছ’ কবিতার বিষয় ও আঙ্গিকগত অভিনবত্ব রয়েছে। আলোচ্য কবিতাটিতে উচ্চারিত হয়েছে ঐতিহ্যসচেতন শিকড়সন্ধানী মানুষের সর্বাঙ্গীণ মুক্তির দৃপ্ত ঘোষণা। প্রকৃতপক্ষে, রচনার প্রেক্ষাপটে আছে বাঙালি সংস্কৃতির হাজার বছরের ইতিহাস; এই জাতির সংগ্রাম, বিজয় ও মানবিক উদ্ভাসনের অনিন্দ্য অনুষঙ্গসমূহ। তিনি এই কবিতায় পৌনঃপুনিকভাবে মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষায় সোচ্চার হন। কবির একান্ত প্রত্যাশিত মুক্তির প্রতীক হয়ে উপস্থাপিত হয় একটি বিশেষ শব্দবন্ধ ‘কবিতা’। কবি তাঁর পূর্বপুরুষের সাহসী ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে তাঁর বক্তব্যকে এগিয়ে নিয়ে চলেন। কবির বর্ণিত এই ইতিহাস মাটির কাছাকাছি মানুষের ইতিহাস; বাংলার ভূমিজীবী অনার্য ক্রীতদাসের লড়াই করে টিকে থাকার ইতিহাস। ‘কবিতা’ ও সত্যের অভেদকল্পনার মধ্য দিয়ে কবি নিয়ে আসেন মায়ের কথা, বোনের কথা, ভাইয়ের কথা, পরিবারের কথা। কবি এ-ও জানেন মুক্তির পূর্বশর্ত যুদ্ধ। আর সেই যুদ্ধে পরিবার থেকে দূরে সরে যেতে হয়। ভালোবাসার জন্য, তাদেরকে মুক্ত করবার জন্যই তাদের ছেড়ে যেতে হয়। এই অমোঘ সত্য কবি জেনেছেন আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাস থেকে। কবিতাটির রসোপলব্ধির অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো এর আঙ্গিক বিবেচনা। এক্ষেত্রে, প্রথমেই যে বিষয়টি পাঠককে নাড়া দেয় তা হলো, একই ধাঁচের বাক্যের বারংবার ব্যবহার। কবি একদিকে “আমি কিংবদন্তির কথা বলছি” পঙ্ক্তিটি বারংবার প্রয়োগ করেছেন, অপরদিকে “যে কবিতা শুনতে জানে না/ সে...” কাঠামোর পঙ্ক্তিমালার ধারাবাহিক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে কবিতা আর মুক্তির আবেগকে একত্রে শিল্পরূপ প্রদান করেছেন। এখানে ‘কিংবদন্তি’ শব্দবন্ধটি হয়ে উঠেছে ঐতিহ্যের প্রতীক। কবি এই নান্দনিক কৌশলের সঙ্গে সমন্বিত করেছেন |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার কবি পরিচিতি: |
|---|
|
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত
বহেরচর-ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের ৮ই ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ
করেন। তিনি ইংরেজি সাহিত্যে বিএ (সম্মান)-সহ এমএ পাস করে কিছুদিন ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। পরে সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন এবং সরকারের
বিভিন্ন উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ
সরকারের কৃষি ও পানিসম্পদ মন্ত্রী এবং ১৯৮৪-তে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের
রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবস্থান
বিশেষভাবে স্বাতন্ত্র্য চিহ্নিত। তাঁর কবিতার বিষয়ে বিশেষভাবে প্রাধান্য পেয়েছে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন এবং এই বিষয়ক সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান করা হয়। আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: ‘সাত নরীর হার (১৯৫৫)’, ‘কখনো রং কখনো সুর (১৯৭০)’, ‘কমলের চোখ (১৯৭৪)’, ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি (১৯৮১)’, ‘বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা’, ‘আমার সময়’ প্রভৃতি। এছাড়া ইংরেজি ভাষায়ও তাঁর একাধিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের ১৯শে মার্চ তিনি মৃত্যুবরণ করেন। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন: |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
১. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কবে জন্মগ্রহণ করেন? উত্তর : আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের ৮ই ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। ২. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন? উত্তর : আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ৩. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কোন দেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন? উত্তর : আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৪. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন? উত্তর : আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। ৫. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন কবে? উত্তর : আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন ২০০১ সালের ১৯শে মার্চ। ৬. পলিমাটির সৌরভ কার করতলে ছিল? উত্তর : পূর্বপুরুষের করতলে পলি মাটির সৌরভ ছিল। ৭. কে কবি এবং কবিতার কথা বলতেন? উত্তর : কবির পূর্বপুরুষগণ কবি এবং কবিতার কথা বলতেন। ৮. কে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে? উত্তর : যে কবিতা শুনতে জানে না সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে। ৯. প্রবহমান নদীর কথা কে বলতেন? উত্তর : কবির মা প্রবহমান নদীর কথা বলতেন। ১০. কে ক্রীতদাস ছিল? উত্তর : কবির পূর্বপুরুষ ক্রীতদাস ছিল। ১১. প্রবহমান নদী কাকে পুরস্কৃত করে? উত্তর : যে মৎস্য লালন করে, তাকে প্রবাহমান নদী পুরস্কৃত করে। ১২. জননীর আশীর্বাদ কাকে দীর্ঘায়ু করবে? উত্তর : যে গাভীর পরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে দীর্ঘায়ু করবে। ১৩. যে লৌহখণ্ডকে প্রজ্বলিত করে কী তাকে সশস্ত্র করবে? উত্তর : যে লৌহখণ্ডকে প্রজ্বলিত করে তাকে ইস্পাতের তরবারি সশস্ত্র করবে। ১৪. সুপুর“ষ ভালোবাসার সুকণ্ঠ সংগীত কী? উত্তর : সুপুরুষ ভালোবাসার সুকণ্ঠ সংগীত কবিতা। ১৫. ‘কিংবদন্তির’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর : ‘কিংবদন্তির’ শব্দের অর্থ জনশ্র“তি। ১৬. ‘শ্বাপদ’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর : ‘শ্বাপদ’ শব্দের অর্থ হিংস্র মাংসাশী শিকারি জন্তু। ১৭. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কী ঘোষিত হয়েছে? উত্তর : ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ঘোষিত হয়েছে ঐতিহ্যসচেতন শিকড়সন্ধানী মানুষের সর্বাঙ্গীণ মুক্তি। ১৮. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? উত্তর : ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি গদ্য ছন্দে রচিত। ১৯. ‘অভিনবত্ব’ কী নির্মাণের শর্ত? উত্তর : ‘অভিনবত্ব’ চিত্রকল্প নির্মাণের শর্ত। ২০. ‘কিংবদন্তির’ শব্দবন্ধটি ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কীসের প্রতীক? উত্তর : ‘কিংবদন্তির’ শব্দবন্ধটি ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। ২১. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কবে জন্মগ্রহণ করেন? উত্তর: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দের ৮ই ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। ২২. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কীসের জন্য একুশে পদক পান? উত্তর: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনবিষয়ক সাহিত্য রচনার জন্যে একুশে পদক পান। ২৩. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কত খ্রিষ্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন? উত্তর: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরুস্কার লাভ করেন। ২৪. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন কবে? উত্তর: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের ১৯শে মার্চ। ২৫. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় বর্ণিত পূর্বপুরুষের করতলে কী ছিল? উত্তর: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় বর্ণিত পূর্বপুরুষের করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল। ২৬. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কোন ফুলের নাম উল্লেখ আছে? উত্তর: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় রক্তজবা ফুলের নাম উল্লেখ আছে । ২৭. কার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল? উত্তর: কবির পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল । ২৮. পূর্বপুরুষের পিঠে কেমন ক্ষত ছিল? উত্তর: পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল। ২৯. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় পূর্বপুরুষেরা কোন পাহাড়ের কথা বলতেন? উত্তর: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় পূর্বপুরুষেরা অতিক্রান্ত পাহাড়ের কথা বলতেন। ৩০. অরণ্য ও শ্বাপদের কথা বলতেন কারা? উত্তর: অরণ্য ও শ্বাপদের কথা বলতেন কবির পূর্বপুরুষেরা। ৩১. কবিতার মুক্ত শব্দগুলো কোথা থেকে উচ্চারিত হয়? উত্তর: কবিতার মুক্ত শব্দগুলো জিহ্বা থেকে উচ্চারিত হয়। ৩২. কর্ষিত জমির কোনটি কবিতা? উত্তর: কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা ৩৩. কে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে? উত্তর: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে। ৩৪. দিগন্তের অধিকার থেকে কে বঞ্চিত হবে? উত্তর: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। ৩৫. কে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে? উত্তর: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে। ৩৬. প্রবহমান নদীর কথা কে বলতেন? উত্তর: কবির মা প্রবহমান নদীর কথা বলতেন। ৩৭. কবির কণ্ঠে উচ্চারিত সত্য কীসের মতো? উত্তর: কবির কণ্ঠে উচ্চারিত সত্য স্বপ্নের মতো। ৩৮. সাঁতার না জানাকে কে ভাসিয়ে রাখে? উত্তর: প্রবহমান নদী সাঁতার না জানাকে ভাসিয়ে রাখে। ৩৯. প্রবহমান নদী কাকে ভাসিয়ে রাখে? উত্তর: প্রবহমান নদী 'যে সাঁতার জানে না' তাকে ভাসিয়ে রাখে। ৪০. কে সন্তানের জন্য মরতে পারে না? উত্তর: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে সন্তানের জন্য মরতে পারে না। ৪১. যে কবিতা শুনতে জানে না সে সন্তানের জন্য কী করতে পারে না? উত্তর: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে সন্তানের জন্য মরতে পারে না। ৪২. কবিতা না শোনা মানুষ হূৎপি-ে কী ধরে রাখতে পারে না? উত্তর: কবিতা না শোনা মানুষ হূৎপি-ে সূর্যকে ধরে রাখতে পারে না। ৪৩. যে কবিতা শুনতে জানে না, সে সূর্যকে কোথায় ধরে রাখতে পারে না? উত্তর: যে কবিতা শুনতে জানে না, সে সূর্যকে হৃৎপি-ে ধরে রাখতে পারে না। ৪৪. পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত কেন? উত্তর: পূর্বপুরুষের পিঠে অত্যাচারের আঘাত এখনও তাজা রয়েছে বলে তাদের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত। ৪৫. পূর্বপুরুষেরা অন্যের অধীনে কীভাবে জীবনধারণ করতেন? উত্তর: পূর্বপুরুষেরা অন্যের অধীনে ক্রীতদাসের মতো জীবনধারণ করতেন। ৪৬. শস্যের সম্ভার কাকে সমৃদ্ধ করবে? উত্তর: যে কর্ষণ করে শস্যের সম্ভার তাকে সমৃদ্ধ করবে। ৪৭. যে গাভীর পরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে কী করবে? উত্তর: যে গাভীর পরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে দীর্ঘায়ু করবে। ৪৮. জননীর আশীর্বাদ কাকে দীর্ঘায়ু করবে? উত্তর: যে গাভীর পরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে দীর্ঘায়ু করবে। ৪৯. যে লৌহখ-কে প্রজ্বলিত করে কী তাকে সশস্ত্র করবে? উত্তর: যে লৌহ খ-কে প্রজ্বলিত করে ইস্পাতের তরবারি তাকে সশস্ত্র করবে। ৫০. কবিতায় কী ধরনের সুন্দরের কথা বলা হয়েছে? উত্তর: কবিতায় সশস্ত্র সুন্দরের কথা বলা হয়েছে। ৫১. সুপুরুষ ভালোবাসার সুকণ্ঠ সংগীত কী? উত্তর: সুপুরুষ ভালোবাসার সুকণ্ঠ সংগীত কবিতা। ৫২. কোথায় উচ্চারিত প্রতিটি মুক্ত শব্দ কবিতা? উত্তর: জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি মুক্ত শব্দ কবিতা। ৫৩. রক্তজবার মতো প্রতিরোধের উচ্চারণকে কী বলে? উত্তর: রক্তজবার মতো প্রতিরোধের উচ্চারণকে কবিতা বলে। ৫৪. কবি পূর্বপুরুষদের মতো কোন কথা বলার প্রত্যাশা করেছেন? উত্তর: কবি পূর্বপুরুষদের মতো স্বাধীনতার কথা বলার প্রত্যাশা করেছেন। ৫৫. ‘কিংবদন্তি' শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘কিংবদন্তি' শব্দের অর্থÑ জনশ্রুতি। ৫৬. ‘কিংবদন্তি' শব্দবন্ধটি কীসের প্রতীক? উত্তর: ‘কিংবদন্তি' শব্দবন্ধটি ঐতিহ্যের প্রতীক। ৫৭. ‘বিচলিত স্নেহ' শব্দবন্ধের মানে কী? উত্তর: ‘বিচলিত স্নেহ' শব্দবন্ধের মানে হলো আপনজনের উৎকণ্ঠা ৫৮. করতল শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘করতল' শব্দের অর্থ- হাতের তালু। ৫৯. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটির রচয়িতা কে? উত্তর: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটির রচয়িতা আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। ৫০. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? উত্তর: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ৬১. অভিনবত্ব কী নির্মাণের শর্ত? উত্তর: অভিনবত্ব চিত্রকল্প নির্মাণের শর্ত । ৬২. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? উত্তর: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি গদ্যছন্দে রচিত। ৬৩. ‘কিংবদন্তি’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘কিংবদন্তি’ শব্দের অর্থ জনশ্রুতি। ৬৪. জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কী? উত্তর: জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা। ৬৫. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? উত্তর: ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি গদ্যছন্দে রচিত। ৬৬. ‘অভ্যুত্থান’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘অভ্যুত্থান’ শব্দের অর্থ উত্থান বা জাগরণ। ৬৭. ইস্পাতের তরবারি কাকে সশস্ত্র করবে? উত্তর: লৌহখ-কে যে প্রজ্বলিত করে ইস্পাতের তরবারি তাকে সশস্ত্র করবে। ৬৮. তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল কারণ তিনি কী ছিলেন? উত্তর: তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল কারণ তিনি ক্রীতদাস ছিলেন। ৬৯. শস্যের সম্ভার কাকে সমৃদ্ধ করবে? উত্তর: যে কর্ষণ করে, শস্যের সম্ভার তাকে সমৃদ্ধ করবে। ৭০. যে কবিতা শুনতে জানে না, সে কার জন্য মরতে পারে না? উত্তর: যে কবিতা শুনতে জানে না সে সন্তানদের জন্য মরতে পারে না। ৭১. কবিতার মুক্ত শব্দগুলো কোথা থেকে উচ্চারিত হয়? উত্তর: কবিতার মুক্ত শব্দগুলো জিহ্বা থেকে উচ্চারিত হয়। ৭২. কোথায় পলিমাটির সৌরভ ছিল? উত্তর: কবির পূর্বপুরুষের করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল। ৭৩. কবিতার মুক্ত শব্দগুলো কোথা থেকে উচ্চারিত হয়? উত্তর: কবিতার মুক্ত শব্দগুলো জিহ্বা থেকে উচ্চারিত হয়। ৭৪. কবি ‘উচ্চারিত সত্যের মতো’ কিসের কথা বলেছেন? উত্তর: কবি ‘উচ্চারিত সত্যের মতো’ স্বপ্নের কথা বলেছেন। ৭৫. কবিতায় উল্লিখিত জানালাটি কেমন? উত্তর: কবিতায় উল্লিখিত জানালাটি উজ্জ্বল। ৭৬. কোথায় পলিমাটির সৌরভ ছিল? উত্তর: কবির পূর্বপুরুষের করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল। ৭৭. জননীর আশীর্বাদ কাকে ধন্য করবে? উত্তর: যে গাভীর পরিচর্যা করে। ৭৮. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটির কবি কে? উত্তর: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। ৭৯. কার করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল? উত্তর: কবির পূর্বপুরুষের করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল। ৮০. পূর্বপুরুষের পিঠে কেমন ক্ষত ছিল? উত্তর: পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল। ৯০. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কোন ফুলের নাম উল্লেখ আছে? উত্তর: রক্তজবা। ৯১. ‘অতিক্রান্ত’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: অতিক্রান্ত শব্দের অর্থ- অতিক্রম করা হয়েছে এমন। ৯২. কবির পূর্বপুরুষ কোন পাহাড়ের কথা বলতেন? উত্তর: কবির পূর্বপুরুষ অতিক্রান্ত পাহাড়ের কথা বলতেন। ৯৩. কে অরণ্য এবং শ্বাপদের কথা বলতেন? উত্তর: কবির পূর্বপুরুষ অরণ্য এবং শ্বাপদের কথা বলতেন। ৯৪. কবিতায় কোন ধরনের জমি আবাদের কথা বলা হয়েছে? উত্তর: পতিত জমি আবাদের কথা বলা হয়েছে। ৯৫. কবিতার রসোপলদ্ধির অবিচ্ছেদ্য অংশ কী? উত্তর: কবিতার রসোপলব্ধির অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো এর আঙ্গিক বিবেচনা। ৯৬. ‘দিগন্ত’ শব্দের অর্থ কী? উত্তর: ‘দিগন্ত’ শব্দের অর্থ- দিকের শেষ সীমা। ৯৭. দিগন্তের অধিকার থেকে কে বঞ্চিত হবে? উত্তর: যে কবিতা শুনতে জানে না সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। ৯৮. কে আজন্ম ক্রীতদাস থাকবে? উত্তর: যে কবিতা শুনতে জানে না সে আজন্ম ক্রীতদাস থাকবে। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার অনুধাবনমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
১. “তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল”-ব্যাখ্যা করো। ২. ‘জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা’-ব্যাখ্যা করো। ৩. ‘সূর্যকে হৃৎপিণ্ড ধরে রাখা’-বলতে কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে? ৪. ‘যুদ্ধ আসে ভালোবেসে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ৫. কবির পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল কেন?
৬. ‘ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়’—বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
৭. কে মায়ের কোলে শুয়ে গল্প শুনতে পারে না? কেন?
৮. ‘আমি বিচলিত স্নেহের কথা বলছি’—এখানে ‘বিচলিত স্নেহ’ বলতে কী বোঝায়?
৯. জননীর আশীর্বাদ কাকে, কেন দীর্ঘায়ু করবে?
১০. যে কবিতা শুনতে জানে না, সে মাছের সঙ্গে খেলা করতে পারে না কেন?
১১. ‘আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি’—কবি এটি কেন বলেছেন?
১২. “আমরা কি তাঁর মতো কবিতার কথা বলতে পারব”—চরণটি বুঝিয়ে দাও।
১৩. “তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল”—ব্যাখ্যা কর।
১৪. কবির পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল কেন?
১৫. ‘তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল’—বুঝিয়ে লেখো।
১৬. ‘অতিক্রান্ত পাহাড়’ দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
১৭. আমাদের পূর্বপুরুষেরা কীভাবে পতিত জমি আবাদ করতেন?
১৮. যে কবিতা শুনতে জানে না, সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে কেন?
১৯. কবিতা মানুষকে ক্রীতদাসত্ব থেকে মুক্তি দেয় কীভাবে?
২০. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি কেন উচ্চারিত সত্যের মতো স্বপ্নের কথা বলেছেন?
২১. ‘উনোনের আগুনে আলোকিত একটি উজ্জ্বল জানালার কথা বলছি’—ব্যাখ্যা করো।
২২. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
২৩. ‘আমি বিচলিত স্নেহের কথা বলছি’—এখানে ‘বিচলিত স্নেহ’ বলতে কী বোঝায়?
২৪. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি, কবিতায় বারবার কবিতা শোনার কথা বলা হয়েছে কেন?
২৫. যারা কবিতা শোনে না তাদের অবস্থা কেমন?
২৬. ‘যে মৎস্য পালন করে প্রবহমান নদী তাকে পুরস্কৃত করবে’ —পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
২৭. গাভীর পরিচর্যাকারীকে জননীর আশীর্বাদ কেন দীর্ঘায়ু করবে?
২৮. ‘সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা’ —বুঝিয়ে লেখো।
২৯. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার আলোকে বাঙালির বেদনাসমূহ উল্লেখ করো?
৩০. ‘তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল’—বুঝিয়ে লেখো।
৩১. ‘অতিক্রান্ত পাহাড়' দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
৩২. আমাদের পূর্বপুরুষেরা কীভাবে পতিত জমি আবাদ করতেন?
৩৩. যে কবিতা শুনতে জানে না, সে দিগন্তের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে কেন?
৩৪. কবিতা মানুষকে ক্রীতদাসত্ব থেকে মুক্তি দেয় কীভাবে?
৩৫. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় কবি কেন উচ্চারিত সত্যের মতো স্বপ্নের কথা বলেছেন?
৩৬. ‘উনোনের আগুনে আলোকিত একটি উজ্জ্বল জানালার কথা বলছি’—ব্যাখ্যা করো।
৩৭. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
৩৮. ‘আমি বিচলিত স্নেহের কথা বলছি’—এখানে ‘বিচলিত স্নেহ’ বলতে কী বোঝায়?
৩৯. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি, কবিতায় বারবার কবিতা শোনার কথা বলা হয়েছে কেন?
৪০. যারা কবিতা শোনে না তাদের অবস্থা কেমন?
৪১. ‘যে মৎস্য পালন করে প্রবহমান নদী তাকে পুরস্কৃত করবে’—পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
৪২. গাভীর পরিচর্যাকারীকে জননীর আশীর্বাদ কেন দীর্ঘায়ু করবে?
৪৩. ‘সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা’—বুঝিয়ে লেখো।
৪৪. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার আলোকে বাঙালির বেদনাসমূহ উল্লেখ করো |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: ক. প্রবহমান নদী কাকে ভাসিয়ে রাখে? |
|
ক. প্রবহমান নদী যে সাঁতার জানে না তাকেও ভাসিয়ে রাখে। গ. ‘উনোনের আগুনে আলোকিত একটি উজ্জ্বল জানালার কথার’ সাথে উদ্দীপকের ঐক্য
হলো মুক্ত জীবনের প্রত্যাশার চেতনা। ঘ. উক্ত ঐক্যের প্রেক্ষাপটে কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ‘আমি কিংবদন্তির কথা
বলছি’ কবিতায় অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছেন- মন্তব্যটি সত্য। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: ক. যে কবিতা শুনতে জানে না সে কোথায় ভাসতে পারে না? |
ক. যে কবিতা শুনতে জানে না, সে নদীতে ভাসতে পারে না। গ. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার কবি তাঁর মায়ের মুখে গল্প শোনার যে
কথা বলেছেন, তার সাথে উদ্দীপকের মিজানের স্মৃতিকাতরতার সাদৃশ্য রয়েছে। ঘ. “মায়ের কোলে শুয়ে গল্প, কবিতা ও ছড়া শোনার স্মৃতি তাকে খুব আলোড়িত করে”-
উক্তিটি ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার আলোকে তাৎপর্য বহন করে। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: ক. কবি কার মৃত্যুর কথা বলেছেন? |
|
ক. কবি তাঁর গর্ভবতী বোনের মৃত্যুর কথা বলেছেন। গ. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় স্বজন হারানোর যে বিষয়টি রয়েছে, সেটাই
উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে। ঘ. ‘যুদ্ধ মানে স্বজন হারানোর কান্না’ উক্তিটি উদ্দীপক ও ‘আমি কিংবদন্তির
কথা বলছি’ কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করা যুক্তিযুক্ত। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: ক. শস্যের সম্ভার কাকে সমৃদ্ধ করবে? |
|
ক. যে কর্ষণ করে, শস্যের সম্ভার তাকে সমৃদ্ধ করবে। গ. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতায় চাষি ও মৎস্য পালনকারীর প্রতিফলনের
কথা বলা হয়েছে, যা উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ঘ. ‘পরিশ্রমে যে ফসল ফলে, তা অনাবিল আনন্দের’-উক্তিটি উদ্দীপক ও ‘আমি
কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করা যুক্তিযুক্ত। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: ক. প্রবহমান নদী কাকে ভাসিয়ে রাখে? |
|
ক. যে সাঁতার জানে না, প্রবহমান নদী তাকে ভাসিয়ে রাখে। গ. উদ্দীপকের সাজেদ ও ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার কবি দুজনেই কবিতা
না শুনলে সাঁতার কাটার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন বলে মতামত দিয়েছেন, যা
পরস্পর সাদৃশ্য। ঘ. ‘যে কবিতা পড়ে না, সে সাঁতার কাটার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়’-এ উক্তিটি
‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার আলোকে বিশেষণ করার দাবি রাখে। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: ক. ‘অতিক্রান্ত’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. অতিক্রান্ত শব্দের অর্থ অতিক্রম করা হয়েছে এমন। গ. উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার বাঙালি
পূর্বপুরুষদের কর্মোদ্দীপনার দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ঘ. উদ্দীপকের মতিন ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটির কবির চিন্তাকে আংশিক
প্রতিফলিত করে- মন্তব্যটি যথাযথ। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: ক. পূর্বপুরুষের পিঠে কীসের মতো ক্ষত ছিল? |
|
ক. পূর্বপুরুষের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল। গ. উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সোনার ফসল
ফলানোর এবং বাঙালি জাতি নিপীড়িত হওয়ার দিকটিকে নির্দেশ করছে। ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সমগ্র ভাববে
ধারণ করে না-মন্তব্যটি যথাযথ। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: ক. ‘কিংবদন্তির’ শব্দের অর্থ কী?
|
|
ক. ‘কিংবদন্তির’ শব্দের অর্থ জনশ্রুতি। গ. ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার বাঙালির স্বাধীনচেতা মনোভাবের দিকটি
উদ্দীপকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত জহিরের পূর্বপুরুষের চিত্র মূলত ‘আমি কিংবদন্তির কথা
বলছি’ কবিতারই সারাংশ।-মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: ক. পূর্বপুরুষদের পিঠে কীসের মতো ক্ষত ছিল? |
|
ক. পূর্বপুরুষদের পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: ক. কে মাছের সঙ্গে খেলা করতে জানে না? |
|
ক. যে কবিতা শুনতে জানে না সে মাছের সঙ্গে খেলা করতে জানে না। |
| ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: ক. কে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে? |
|
ক. যে কবিতা শুনতে জানে না সে ঝড়ের আর্তনাদ শুনবে। |
| তথ্যসূত্র: |
|---|
|
১. সাহিত্য পাঠ: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ড, ঢাকা, ২০২৬। ২. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচনাসংগ্রহ (প্রথম খণ্ড), বাংলা একডেমি, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১৪। ৩. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, এপ্রিল, ২০১৮। ৪. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ১৮তম, ২০১৫। |
