শিল্পকলার নানা দিক- মুস্তাফা মনোয়ার
শিল্পকলার নানা দিক
মুস্তাফা মনোয়ার
‘আনন্দ ধারা বহিছে ভুবনে’ -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের এই কথাগুলিতে শিল্পকলার মূল সত্যটি প্রকাশ পেয়েছে। সব মানুষই জীবনের এই আনন্দকে পাওয়ার জন্যে কত রকম চেষ্টা করে যাচ্ছে। আনন্দ প্রকাশ জীবনীশক্তির প্রবলতারই প্রকাশ। আনন্দকে আমরা বুঝি রূপ-রস-শব্দ-স্পর্শ-গন্ধ ইত্যাদির সাহায্যে, ইন্দ্রিয়সকলের সাহায্যে। মানুষ যখন আনন্দ পায় তখন সে তার মনকে প্রকাশ করতে চায়-নানা রূপে। তাই সৃষ্টি হলো চিত্রশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, সংগীতশিল্পী, কবি, সাহিত্যিক। পুরাকালের গুহামানুষ থেকে শুরু করে বর্তমান যুগ পর্যন্ত মানুষ নিজের পাওয়া আনন্দকে সুন্দরকে অন্য মানুষের মধ্যে বিস্তার করতে চেয়েছে। তাই সৃষ্টি হয়েছে নানান আঙ্গিকের শিল্পকলা। যেমন- চিত্রকলা, ভাস্কর্য, নৃত্যকলা, সংগীতকলা, অভিনয়কলা, চলচ্চিত্র, স্থাপত্য ইত্যাদি কলাভঙ্গি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানুষ তার নিত্য নতুন অবদান রেখে চলেছে শিল্পকলার বিস্তীর্ণ অঙ্গনে। শিল্পকলার একটি অস্পষ্ট অর্থ আমরা বুঝতে পারি কিন্তু শিল্পকলার সঠিক অর্থ কী আর শিল্পকলার গুণাগুণ কী, এই প্রশ্ন যদি কেউ করে, তাহলে উত্তর দেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। যেমন গান শুনে ভালো লাগে, ছবি দেখে ভালো লাগে, কিন্তু ভালো লাগে কেন? এই প্রশ্ন নিয়ে মানুষের মন চিন্তা-ভাবনা করতে লাগল। দেখা গেল, সক শিল্পকলায় রূপ আছে, ছন্দ আছে, সুর আছে, রং আছে, বিশেষ গড়ন আছে, সবকিছুকে সাজাবার একটি সুবিন্যস্ত নিয়ম আছে। এই নিয়মটি লুকিয়ে থাকে, নিজেকে প্রকাশ করে না, সুন্দরের মধ্যে মিলেমিশে একটা বন্ধন সৃষ্টি করে। নিয়মটি না জানলেও সুন্দরকে চেনা যায়। একটি উপমা দেয়া যাক। পৃথিবীর সব ফুলই একই নিয়ম মেনে ফুল নাম পেয়েছে। আমরা দেখে বলি সুন্দর। এর নিয়মটি হলো, একই বিন্দু থেকে সকল পাপড়ি বিন্দুর চারিদিকে ছড়িয়ে থাকবে। কিন্তু এক নিয়ম মেনেই কত রকম ফুল। নিয়ম মেনেও ফুল স্বাধীনভাবে ফুটে ওঠে। তোমাদের এখন সুন্দরের নিয়ম জানতে হবে না, সুন্দর লাগলেই সুন্দর বলবে। সুন্দর দেখতে দেখতেই একদিন সুন্দরের বিশেষ বিশেষ নিয়মগুলি জানতে পারবে। শুধু এইটুকু জেনে রাখো, সুন্দরকে জানার যে জ্ঞান তার নাম ‘নন্দনতত্ত্ব’। নন্দনতত্ত্ব মানে সুন্দরকে বিশ্লেষণ করা, সুন্দরকে আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করা। সব সুন্দরের সৃষ্টির মধ্যেই একটা রূপ আছে, তার নাম স্বাধীনতা-অপর নাম যা খুশি তাই করা। যে কাজ সকলকে আনন্দ দেয় খুশি করে, তাই সুন্দর। স্বার্থপর বা অসংগত আমি-র খুশি নয়, অনেক মনে খুশির বিস্তার করা আমি। অন্ধকার ঘর আলোকিত করবার জন্যে নিয়ম মেনে প্রদীপ জ্বালাতে হয়, ঘরে অসংগত আগুন লাগিয়ে ঘর আলোকিত করা নয়।
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে, কত রকম জিনিস প্রয়োজন হয়-ঘটি, বাটি থেকে বিছানাপত্র। শুধু প্রয়োজন মিটলেই মানুষ খুশি হয় না-মানুষের মন বলে, প্রয়োজন মিটলেই হবে না তাকে সুন্দর হতে হবে। যেমন নকশি কাঁথা, রাত্রে বিছানায় গায়ে দিয়ে শোওয়ার জন্য একটি সামগ্রী-সেটা তো সুন্দর-অসুন্দর হওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এই প্রয়োজনের জিনিসকে সুঁই আর রঙিন সুতা দিয়ে অপূর্ব নকশা করে সাজিয়েছে গাঁয়ের বধুরা। নকশিকাঁথা দেখলেই সুন্দর লাগে, জিনিসটির প্রয়োজনের কথা মনেই পড়ে না। এ কারণেই সকল জ্ঞানী মানুষ বলেন, সব সুন্দরই সরাসরি প্রয়োজনের বাইরে। প্রয়োজনের কাজ মিটল তো শরীরকে তৃপ্ত করল, আর প্রয়োজনের বাইরে যে সুন্দর তা মনকে তৃপ্ত করল। অর্থাৎ প্রয়োজন আর অপ্রয়োজন মিলিয়েই মানুষের সৌন্দর্যের আশা পূর্ণ হয়।
এবার বিভিন্ন শিল্পকলা নিয়ে সংক্ষিপ্ত করে কিছু বলা যাক। ছবি আঁকা। বিশ্বের সকল দেশেই শিশুরা ছবি আঁকে। বাংলাদেশের ছোটরাও খুব সুন্দর ছবি আঁকতে পারে। ছবি আঁকা মানে ‘দেখা শেখা’। ছোটরা প্রকৃতিকে দেখে, মা-বাবা, ভাই-বোন মিলিয়ে একটা সমাজকে দেখে। প্রতিদিনের দেখা বিষয়বস্তু, রং, গড়ন, আকৃতি শিশুমনের কল্পনার সঙ্গে মিলেমিশে যায়। নানা রকম গল্প শুনে, দেশের কথা শুনে, কবিতা ছড়া শুনেও শিশু মনে ছবি তৈরি হতে থাকে। এ সকল দেখা-অদেখা বস্তু নিয়ে শিশুরা ছবি আঁকে কল্পনা-বাস্তব মিলিয়ে। নিজেদের মনের কথা প্রকাশ করতে শেখে। সকল শিল্পকলার মধ্যে কতকগুলি মূল বস্তু থাকে যেমন-বিন্দু, রেখা, রং, আকার, গতি বা ছন্দ, আলোছায়া গাঢ়-হালকার সম্পর্ক ইত্যাদি। এই সকলের মিলনেই হয় ছবি বা ভাস্কর্য। আর আছে মাধ্যম, অর্থাৎ কোন মাধ্যমে শিল্পসৃষ্টি হয়েছে। চিত্রকলার মাধ্যম হলো কালি-কলম, জল রং, প্যাস্টেল রং, তেল মিশ্রিত রং ইত্যাদি। ছোটদের জন্য প্যাস্টেল ও জল রং ব্যবহার করা সহজ হয়। বাংলাদেশে পুরাকালে জল রং দিয়েই ছবি আঁকত শিল্পীরা। পুরাতন পুথিতে তালপাতায় আঁকা ছবির বহু নিদর্শন আছে। বর্তমানেও জল রং অত্যন্ত প্রিয়, তবে এখন আর কেউ তালপাতায় আঁকে না, কাগজে আঁকে।
ভাস্কর্য নরম মাটি দিয়ে কোনো কিছুর রূপ দেয়া বা শক্ত পাথর কেটে কোনো গড়ন বানানো। বিশেষ এক ধরনের ছাঁচ বানিয়ে গলিত মেটাল ঢেলে গড়ন বানানো, এই ধরনের কাজকে বলে ভাস্কর্য। আমাদের দেশে পোড়ামাটির ভাস্কর্য খুব প্রসিদ্ধ ছিল। আমাদের সংস্কৃতি বা কালচার গড়ে উঠেছে নানান শিল্পকলার কারুকাজ দিয়ে। সকল শিল্পীর একটি দায়িত্ব আছে-দেশের ঐতিহ্যকে শ্রদ্ধা করা। বাংলায় একটি কথা আছে-‘কালি কলম মন, লেখে তিন জন’-কালি মানে দেশের ঐতিহ্যে হাজার বছর প্রবাহিত কালি, কলম হলো শিল্পসৃষ্টির বর্তমান সরঞ্জাম, আর মন হলো বর্তমান যুগের সঙ্গে ঐতিহ্যের মিল করে নিজেকে প্রকাশ করার মন। একটি দেশকে জানা যায় দেশের মানুষকে জানা যায় তার শিল্পকলা চর্চার ধারা দেখে। শিল্পকলা চর্চা সকলের জন্য অপরিহার্য।
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের উৎস নির্দেশ: |
|---|
| -- |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের শব্দার্থ ও টীকা: |
|---|
|
➠ আনন্দ- আনন্দ এক প্রকার অনুভব। এই অনুভব মানুষের একান্তই ব্যক্তিগত।
তবে আনন্দ দুই প্রকার। সৎ কর্ম বা চিন্তা থেকে জাত আনন্দ এবং অসৎ কর্ম
বা অসৎ চিন্তা থেকে জাত আনন্দ। সৎ কর্ম বা চিন্তা থেকে জাত আনন্দকে
‘সদানন্দ’ বলে। এই আনন্দই মানুষের প্রার্থিত। ➠ ভুবন- পৃথিবী, জগৎ, ভূমণ্ডল। ➠ শিল্প- ইংরেজিতে ইন্ডাস্ট্রি (industry) ও আর্ট (art) বলে দুটো শব্দ আছে। দুটোর অর্থই শিল্প। এখানে শিল্প বলতে আর্ট (art) কে বোঝান হচ্ছে। আর্ট বা শিল্পের কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞার্থ নেই। তবে মানবমনে সংবেদনশীল অনুভব সৃজনের মাধ্যমে সদানন্দধারা প্রবাহের উৎসকে শিল্প বলা যেতে পারে। সে দিক থেকে প্রকৃত গল্প, কবিতা, গান, নাচ, নাটক, ছবি, চলচ্চিত্র সবই শিল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ➠ শিল্পকলা- সাহিত্য, চিত্রকলা, ভাস্কর্য, নাচ, গান প্রভৃতি এর অন্তর্ভুক্ত। ➠ জীবনীশক্তি- বেঁচে থাকার শক্তি। ➠ রস- সাহিত্য পাঠ করে বা ছবি দেখে মনে যে অনুভূতি জাগে। ➠ ইন্দ্রিয়সকল- দেহের ১৪টি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও শক্তি যা দিয়ে (চক্ষু কর্ণ নাসিকা জিহ্বা ত্বক বাক হস্ত পদ পায়ু উপস্থ মন বুদ্ধি অহংকার ও চিত্ত) বাহ্য বিষয়ের জ্ঞান ও অনুভূতি উপলব্ধ হয়। ➠ পুরাকাল- প্রাচীনকাল, অনেক আগেকার সময়। ➠ গুহা- মানুষ প্রাচীনকালে গুহায় বসবাসকারী মানুষ। ➠ আঙ্গিক- কলাকৌশল। ➠ চিত্রকলা- ছবি আঁকার এবং ছবি সম্পর্কে জানবার কলা বা বিদ্যা। ➠ ভাস্কর্য- পাথর, ধাতু, কাঠ প্রভৃতি দিয়ে বানানো শিল্পকর্ম। ➠ নৃত্যকলা- বিভিন্নভাবে নাচবার এবং নাচ সম্পর্কে জানা ও ধারণা গ্রহণের কলা বা বিদ্যা। ➠ সংগীতকলা- বিভিন্নভাবে গান গাইবার এবং গান সম্পর্কে জানা ও ধারণা গ্রহণের কলা বা বিদ্যা। ➠ অভিনয়কলা- বিভিন্নভাবে অভিনয় করার এবং অভিনয় সম্পর্কে জানা ও ধারণা গ্রহণের কলা বা বিদ্যা। ➠ স্থাপত্য- গৃহ বা ভবন নির্মাণের কাজ, নির্মাণশিল্প। ➠ বিস্তীর্ণ- বিশাল, বিরাট। পরিব্যাপ্ত, বিস্তৃত। ➠ অঙ্গন- আঙিনা। ➠ প্রাত্যহিক- প্রতিদিনের। ➠ নকশিকাঁথা- সুই-সুতা দিয়ে নকশা করে বানানো কাঁথা। ➠ গড়ন- আকার, আকৃতি, রূপ। ➠ সুবিন্যস্ত- সুশৃঙ্খলভাবে সজ্জিত। উত্তমরূপে স্থাপিত। ➠ উপমা- তুলনা, সাদৃশ্য। একই গুণবিশিষ্ট দুটি ভিন্ন বস্তুর সাদৃশ্য কল্পিত হয় এরূপ অর্থালংকার। ➠ উপলব্ধি- অনুভূতি, বোধ। ➠ তৃপ্ত- সন্তুষ্ট, আহ্লাদিত। ➠ প্যাস্টেল রং- প্যাস্টেল একটি ইংরেজি শব্দ (pastel), যার অর্থ চিত্রাঙ্কনে ব্যবহৃত রঙিন খড়ি (চক)। এই রঙিন খড়িকে প্যাস্টেল রং বলে। ➠ জল-রং- সামান্য জল মেশালে যে রং সহজেই আঁকার উপযোগী হয় তাকেই জল-রং বলে। ➠ পুথি- গাছের পাতা তুলট কাগজ প্রভৃতির ওপর হাতে লেখা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি। ➠ পুরাতন পুঁথি- যখন কাগজ আবিষ্কার হয় নি তখন মানুষ তালপাতা বা গাছের বাকলে নানা রকমের কালি ব্যবহার করে লিখতো। সেগুলো এখনো কোথাও কোথাও রক্ষিত আছে। এগুলোকেই পুরাতন পুঁথি বলা হচ্ছে। ➠ ছাঁচ- নকশাকরা ভেতরের পিঠবিশিষ্ট ফাঁপা পাত্র (যাতে গলিত পদার্থ ঢেলে নকশার রূপ দেওয়া হয়), ফর্মা। ধরন, আদল। ➠ সংস্কৃতি বা কালচার- সংস্কৃতির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো কালচার (culture)। কোনো অঞ্চলের মানুষের ভাষা, আচরণ, পোশাক, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন প্রণালি, ধর্ম ইত্যাদির সম্মিলনকেই এক কথায় সংস্কৃতি বা কালচার (culture) বলে। ➠ কারুকাজ- কাঠ ধাতু প্রভৃতির কারিগরি শিল্প, শিল্পকর্ম। নকশা। শিল্পবিদ্যা। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের পাঠের উদ্দেশ্য: |
|---|
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ রচনাটি পাঠ করে শিক্ষার্থীদের মনে সৌন্দর্যবোধ সৃষ্টি হবে। চিত্রকলা, ভাস্কর্য প্রভৃতি সম্পর্কে তারা আগ্রহী হবে। তারা নতুন কিছু সৃষ্টির ব্যাপারে অনুপ্রাণিত হবে। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের পাঠ-পরিচিতি: |
|---|
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ রচনাটিতে লেখক সুন্দরের ধারণা ব্যক্ত করেছেন। চিত্রকলা, ভাস্কর্য, স্থাপত্য, সংগীত, নৃত্য, কবিতা সবকিছুর মধ্য দিয়েই সুন্দরকে প্রকাশ করা হয়। প্রকৃতি জগতে সুন্দরের প্রকাশ ঘটে নানাভাবে। তা দেখে মানুষ নতুন করে সুন্দরকে সৃষ্টি করে। বিভিন্ন মাধ্যমে চলে সৃষ্টির এই প্রক্রিয়া। কখনো রেখার সাহায্যে, কখনো রঙের সাহায্যে, কখনো মাটি বা পাথরের সাহায্যে সুন্দরকে সৃষ্টি করা হয়। সুন্দর বোধ মানুষের মনকে তৃপ্ত করে। মানুষকে তা পরিশীলিত করে। সুন্দরের সৃষ্টিতে সকলেরই চেষ্টা করা উচিত। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের লেখক পরিচিতি: |
|---|
|
মুস্তাফা মনোয়ার একজন চিত্রশিল্পী। তাঁর জন্ম ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে,
ঝিনাইদহ জেলার মনোহরপুর গ্রামে। কবি গোলাম মোস্তফা তাঁর পিতা। তিনি
কলকাতা আর্ট কলেজের কৃতী ছাত্র। ঢাকায় চারুকলা কলেজে তিনি অধ্যাপনা
করেছেন। পরবর্তীকালে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও শিল্পকলা একাডেমিতে
মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশে পাপেট থিয়েটার ও অ্যানিমেশন
শিল্পকলায় আধুনিকতা প্রচলনে তিনি অগ্রদূতের ভূমিকা পালন করেছেন। এছাড়া
‘মনের কথা’ নামে বাংলাদেশ টেলিভিশনে দীর্ঘকাল শিশুদের উপযোগী
শিল্পকলাবিষয়ক একটি জনপ্রিয় অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন। ১৯৭২ সাল থেকে
প্রচারিত শিশু প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে বহুল জনপ্রিয়
‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানের রূপকার তিনি। টেলিভিশনের অনুষ্ঠান
প্রযোজনায় তিনি মৌলিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। মুস্তাফা মনোয়ার বিশিষ্ট
নৃত্য পরিকল্পনাকারী ও সংগীত পরিচালক। দ্বিতীয় ও যষ্ঠ সাফ গেমসের মাসকট
নির্মাতা তিনি। তিনি একুশে পদকসহ বহু পদক ও পুরস্কার লাভ করেছেন। মুস্তাফা মনোয়ার ২৯শে জুন ২০২৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের কর্ম-অনুশীলন: |
|---|
|
ক. সুনির্দিষ্ট বিষয় অবলম্বনে ছবি আঁকার প্রতিযোগিতার আয়োজন করো
(শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে)। খ. শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে স্পষ্ট ও সুন্দর হস্তাক্ষর প্রতিযোগিতার আয়োজন করো। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের বহুনির্বাচনি প্রশ্ন: |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
প্রশ্ন- ১. মুস্তাফা মনোয়ারের শিশুদের শিল্পকলা বিষয়ক অনুষ্ঠানটির
নাম কী? |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন: |
|---|
|
প্রশ্ন- ১. ‘আনন্দ প্রকাশ জীবনীশক্তির প্রবলতারই প্রকাশ’- ব্যাখ্যা
করো।
প্রশ্ন- ২. ‘এই নিয়মটি লুকিয়ে থাকে, নিজেকে প্রকাশ করে না, সুন্দরের
মধ্যে মিলেমিশে একটা বন্ধন সৃষ্টি করে’। ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৩. চিত্রশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, সংগীতশিল্পী, কবি, সাহিত্যিক
সৃষ্টি হওয়ার কারণ দর্শাও।
প্রশ্ন- ৪. ‘কালি কলম মন, লেখে তিন জন।’ ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ৫. দেখা-অদেখা বস্তু কীভাবে শিশুদের ছবি আঁকতে সাহায্য
করে?
প্রশ্ন- ৬. বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পকলার পরিচয় দাও।
প্রশ্ন- ৭. ‘প্রয়োজন আর অপ্রয়োজন মিলিয়েই মানুষের সৌন্দর্যের আশা
পূর্ণ হয়’—কথাটি বুঝিয়ে লেখো।
প্রশ্ন- ৮. শিল্পকলা চর্চা সকলের পক্ষে অপরিহার্য কেন?
প্রশ্ন- ৯. ‘সব সুন্দরই সরাসরি প্রয়োজনের বাইরে’ বলতে কী বোঝানো
হয়েছে?
প্রশ্ন- ১০. শিল্পকলা সৃষ্টি হয়েছে কেন?
প্রশ্ন- ১১. ‘নন্দনতত্ত্ব’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন- ১২. শিল্পের সৃষ্টি হয়েছে কেন?
প্রশ্ন- ১৩. শুধু প্রয়োজন মিটলেই মানুষ খুশি হয় না কেন?
প্রশ্ন- ১৪. আনন্দকে আমরা কীভাবে বুঝি? ব্যাখ্যা করো।
প্রশ্ন- ১৫. ‘যে কাজ সকলকে আনন্দ দেয়, খুশি করে, তাই
সুন্দর’।—ব্যাখ্যা করো। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: খ. ‘প্রয়োজন আর অপ্রয়োজন মিলেই মানুষের সৌন্দর্যের আশা পূর্ণ।’ কথাটি বুঝিয়ে লেখো। গ. নবীনবরণ অনুষ্ঠানে মেহেরুন্নেসা শিল্পকলার কোন দিকটি দেখেছেন? এর বর্ণনা দাও। ঘ. মেহেরুন্নেসার দেখা সংশপ্তকই ‘শিল্পকলার প্রধান দিক।’-মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই করো। |
|
ক. মুস্তাফা মনোয়ার ঝিনাইদহ জেলার মনোহরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। খ. প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য জিনিসকে সুন্দর রূপ দিয়ে গড়ে মানুষ তার সৌন্দর্যের চাহিদা পূরণ করে। ➠ মানুষ স্বভাবত সৌন্দর্য পিয়াসী। নিত্যদিনের প্রয়োজনে তাকে নানা জিনিস ব্যবহার করতে হয়। প্রয়োজনীয় জিনিসটির মাঝেও মন সুন্দর খোঁজে। তাই মানুষের মন প্রয়োজনীয় জিনিসটিকে সুন্দররূপে সাজায়। ব্যবহারটি হলো প্রয়োজন এবং সৌন্দর্য সৃষ্টি অপ্রয়োজন। এই দুই নিয়েই সৌন্দর্যের চাহিদা পূরণ হয়। গ. ক্যাম্পাসে মেহেরুন্নেসা সংশপ্তক শিল্পকর্মটির নন্দনতাত্ত্বিক ও তাৎপর্যগত দিকটি প্রত্যক্ষ করেছেন। ➠ উদ্দীপকের মেহেরুন্নেসা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাস্কর্যটি দেখে শিল্পকলার একটি শাখার সাথে পরিচিত হলেন এবং এর গঠনগত ও তাৎপর্যগত দিক উপলব্ধি করলেন যা প্রবন্ধে শিল্পকলার প্রয়োজনীয় এবং অপ্রয়োজনীয় দিক। ➠ ‘শিল্পকলার নানা দিক’ রচনায় প্রয়োজন ও অপ্রয়োজনীয় শিল্পের কথা বলা হয়েছে। লেখক মনে করেন শুধু প্রয়োজন মিটলেই হবে না তাকে সুন্দর হতে হবে। ক্যাম্পাসে মেহেরুন্নেসা ‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটির সৌন্দর্যের সমগ্র দিকটি দেখেছেন। যেখানে প্রয়োজন ও অপ্রয়োজন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ক্যাম্পাসে সংশপ্তক শিল্পকর্মটি দেখে মেহেরুন্নেসার মন ভরে যায়। ভাস্কর্যটি আকার, আয়তন, গঠনকৌশল, ভঙ্গিমা ও এর সৌন্দর্য তাকে আকর্ষণ করে। তারপর যে দিকটি তাকে মোহিত করে রাখে তা হচ্ছে ভাস্কর্যটির তাৎপর্যগত দিক। সংশপ্তক এক হাতে বন্দুক ধরে এক পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সংশপ্তক আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বীরযোদ্ধাদের প্রতীকায়িত। মেহেরুন্নেসা বাংলা বিভাগের একজন সংবেদনশীল ছাত্রী হিসেবে সংশপ্তকের এই দিকটিই মন ভরে উপভোগ করেছেন। ঘ. মেহেরুন্নেসার দেখা দিকটি মানুষের প্রয়োজন মিটিয়ে মনকে তৃপ্ত করে। তাই এটিই শিল্পকলার প্রধান দিক। ➠ কোনো শিল্পের সৌন্দর্য যখন প্রয়োজন মিটিয়ে মানসিকভাবে মানুষকে মোহিত করে, তখন তা সার্থক শিল্প হয়ে ওঠে এবং এটিই শিল্পকলার অন্যতম প্রধান দিক হিসেবে পরিচিত যা ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধে আলোচিত হয়েছে। ➠ ‘শিল্পকলার নানা দিক’ রচনায় সৌন্দর্যের স্বরূপ অঙ্কন করা হয়েছে। চিত্রকলা, ভাস্কর্য, স্থাপত্য, সংগীত, নৃত্য, কবিতা সবকিছুর মধ্য দিয়েই সুন্দরকে প্রকাশ করা হয়। প্রকৃতিজগতে সুন্দরের প্রকাশ ঘটে নানা ভাবে। শুধু প্রয়োজন মিটলেই মানুষ খুশি হয় না। মানুষের মন প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি সৌন্দর্যও কামনা করে। কারণ সমগ্র সৌন্দর্য প্রয়োজন ও অপ্রয়োজনের গণ্ডির বাইরে। প্রয়োজনের কাজ শরীরকে তৃপ্ত করে আর প্রয়োজনের বাইরে যে সুন্দর তা মানুষের মনকে তৃপ্ত করে। এজন্য এটিকে শিল্পের প্রধান দিক বলা যায়। উদ্দীপকে দেখা যায়- মেহেরুন্নেসা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। নবীনবরণ শেষে তিনি বান্ধবীদের সঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আসেন। সেখানে তিনি একটি ভাস্কর্য দেখতে পান। যার নাম ‘সংশপ্তক’। এটি শিল্পকলার একটি অন্যতম শাখা। এটি দেখে মেহেরুন্নেসা মানসিকভাবে তৃপ্ত হয়েছেন। ➠ মেহেরুন্নেসার দেখা দিকটি মানুষের প্রয়োজন মিটিয়ে মনকে তৃপ্ত করে। তাই বলা যায়, মেহেরুন্নেসার দেখা দিকটি শিল্পকলার প্রধান দিক। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘পুরাকাল’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘পুরাকাল’ শব্দের অর্থ প্রাচীনকাল বা অনেক আগের সময়।
গ. উদ্দীপকে ললিতকলা বলতে ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধে বর্ণিত
সৌন্দর্য চেতনা বা নন্দনতত্ত্বকে নির্দেশ করা হয়েছে। ‘শিল্পকলার নানা
দিক’ প্রবন্ধে মানুষের সৌন্দর্য চেতনার প্রকাশকে শিল্পকলা বলা
হয়েছে।
ঘ. চারুকলা ও কারুকলা মানুষের সৌন্দর্যচর্চার এ দুটি দিকের সমন্বয়েই
গড়ে ওঠে শিল্পকলার ভুবন। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. মুস্তাফা মনোয়ার কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? |
|
ক. মুস্তাফা মনোয়ার ঝিনাইদহ জেলার মনোহরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ
করেন।
গ. ক্যাম্পাসে মেহেরুন্নেসা সংশপ্তক শিল্পকর্মটির নন্দনতাত্ত্বিক ও
তাৎপর্যগত দিকটি প্রত্যক্ষ করেছেন।
ঘ. মেহেরুন্নেসার দেখা দিকটি মানুষের প্রয়োজন মিটিয়ে মনকে তৃপ্ত করে।
তাই এটিই শিল্পকলার প্রধান দিক। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘পুরাকাল’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘পুরাকাল’ শব্দের অর্থ প্রাচীনকাল বা অনেক আগের সময়।
গ. উদ্দীপকে ললিতকলা বলতে ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধে বর্ণিত
সৌন্দর্য চেতনা বা নন্দনতত্ত্বকে নির্দেশ করা হয়েছে। ‘শিল্পকলার নানা
দিক’ প্রবন্ধে মানুষের সৌন্দর্য চেতনার প্রকাশকে শিল্পকলা বলা
হয়েছে।
ঘ. চারুকলা ও কারুকলা মানুষের সৌন্দর্যচর্চার এ দুটি দিকের সমন্বয়েই
গড়ে ওঠে শিল্পকলার ভুবন। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. সুন্দরকে জানার যে জ্ঞান তার নাম কী? |
|
ক. সুন্দরকে জানার যে জ্ঞান তার নাম নন্দনতত্ত্ব।
গ. উদ্দীপকে ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের ‘ভাস্কর্য’ শিল্পের
বিষয়টিকে নির্দেশ করা হয়েছে।
ঘ. ‘উদ্দীপকে উল্লিখিত দিকটিই শিল্পকলার একমাত্র দিক নয়’- মন্তব্যটি
যথার্থ। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. আমাদের দেশে কীসের ভাস্কর্য খুব প্রসিদ্ধ ছিল? |
|
ক. আমাদের দেশে পোড়ামাটির ভাস্কর্য খুব প্রসিদ্ধ ছিল।
গ. উদ্দীপকে ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের প্রকৃতি জগতের
সৌন্দর্যের বর্ণনার দিকটির পরিচয় মেলে।
ঘ. “উদ্দীপকে ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের অনেক দিকই ফুটে
ওঠেনি।”- মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. বর্তমানে ছবি আঁকার অত্যন্ত প্রিয় রং কোনটি? |
|
ক. বর্তমানে ছবি আঁকার অত্যন্ত প্রিয় রং হলো জল রং।
গ. সুন্দর জিনিসের একটি বিশেষ গড়ন থাকে, সবকিছুকে সাজাবার একটি
সুবিন্যস্ত নিয়ম থাকে। ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধে বর্ণিত
সুন্দরের এই শর্ত পূরণ করার জন্য নাজমার জামাটি সবার প্রশংসা
পেয়েছে।
ঘ. হ্যাঁ, নাজমার জামাটি শোকেসে তুলে রাখার মাধ্যমে ‘শিল্পকলার নানা
দিক’ প্রবন্ধের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়েছে। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের লেখকের নাম কী? |
|
ক. ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের লেখকের নাম মুস্তাফা মনোয়ার।
গ. ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধে শিল্পকলার প্রয়োজনাতীত রূপের সাথে
উদ্দীপকের ভালো লাগার স্বাধীনতার সাথে ছবি আঁকার দিকটির মিল
রয়েছে।
ঘ. উদ্দীপকের শামীম সাহেবের জবাবটিতে ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের
মূল সত্যটি নিহিত। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘ভুবন’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘ভুবন’ শব্দের অর্থ পৃথিবী বা জগৎ।
গ. শিল্পীর মনের আনন্দ প্রকাশের ইচ্ছা থেকেই শিল্পের সৃষ্টি আর
এখানেই শিল্পের সঙ্গে শিল্পীর সম্পর্ক।
ঘ. “বিশেষকে তিনি নির্বিশেষ রূপে, সর্বজন হৃদয়বেদ্য করে বস্তুরূপে
মূর্ত করে তোলেন”- আলোচ্য উক্তিটিতে শিল্পী কীভাবে শিল্প সৃষ্টি করেন
সে বিষয়টি ব্যক্ত হয়েছে। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. গড়ন শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘গড়ন’ শব্দের অর্থ আকার।
গ. উদ্দীপকের কবিতাংশের মধ্য দিয়ে ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের যে
সত্যটি উন্মোচিত হয়েছে, তাহলো আনন্দবোধ থেকেই সব শিল্পের সৃষ্টি।
ঘ. ‘আনন্দালোকে করি বিরচন’- এ কথাটির মধ্য দিয়ে কবির আপন সৃষ্ট
আনন্দের ধারা বোঝানো হয়েছে। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানের রূপকার কে? |
|
ক. ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানের রূপকার চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার।
গ. একজন মানুষ নিজেকে দেখতে চায় অন্যের মধ্যে এরকম ইচ্ছা থেকেই
আবির্ভাব ঘটে একজন সাহিত্যিকের।
ঘ. সাহিত্যিক জীবনের প্রতিচ্ছবি শিল্পের সাহায্যে ছাপার অক্ষরে
রূপান্তর করেন এই ক্ষেত্রে তার মন, মানসিকতার সাথে কাগজ এবং কালির
রেখায় অঙ্কিত হয় মানবকাব্য। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. মুস্তাফা মনোয়ার কোথায় অধ্যাপনা করেছেন? |
|
ক. মুস্তাফা মনোয়ার ঢাকায় চারুকলা কলেজে অধ্যাপনা করেছেন।
গ. শিল্প সৃষ্টির উদ্দেশ্য ও সৌন্দর্যবোধের দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে
‘শিল্পকলার নানা দিক’ রচনার সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. উদ্দীপকটি ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের মূলভাব প্রকাশ
করেছে। |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. মুস্তাফা মনোয়ার কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘শিল্পকলা’ অর্থ কী? |
| ‘শিল্পকলার নানা দিক’ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. সুন্দরকে জানার যে জ্ঞান তার নাম কী? |
| তথ্যসূত্র : |
|---|
|
১. সাহিত্য কণিকা: অষ্টশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ড, ঢাকা, ২০২৬। ২. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, এপ্রিল, ২০১৮। ৩. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ১৮তম, ২০১৫। |


.jpg)
%20ID-19486.jpg)

