বিদ্রোহী : কাজী নজরুল ইসলাম
|
| বিদ্রোহী |
বিদ্রোহী
কাজী নজরুল ইসলাম
বল বীর-
বল উন্নত মম
শির!
শির
নেহারি’
আমারি, নতশির ওই
শিখর
হিমাদ্রির!
আমি
চিরদুর্দম,
দুর্বিনীত,
নৃশংস,
মহাপ্রলয়ের আমি
নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস!
আমি মহাভয়, আমি অভিশাপ
পৃথ্বীর,
আমি দুর্বার,
আমি ভেঙে করি সব চুরমার!
আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল,
আমি দ’লে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খল!
আমি মানি না কো কোন আইন,
আমি ভরা-তরী করি ভরা-ডুবি, আমি টর্পেডো, আমি ভীম ভাসমান মাইন।
আমি ধূর্জটি, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল-বৈশাখীর
আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব-বিধাতৃর!
বল বীর-
চির-উন্নত মম শির!
আমি সৃষ্টি, আমি ধ্বংস, আমি লোকালয়, আমি শ্মশান,
আমি অবসান, নিশাবসান।
আমি ইন্দ্রাণী-সুত হাতে চাঁদ ভালে সূর্য
মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য;
আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস,
আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!
আমি বজ্র, আমি ঈশান-বিষাণে ওঙ্কার,
আমি ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা হুঙ্কার,
আমি পিণাক-পাণির ডমরু ত্রিশূল, ধর্মরাজের দণ্ড,
আমি চক্র ও মহা শঙ্খ, আমি প্রণব-নাদ প্রচণ্ড!
আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা, বিশ্বামিত্র-শিষ্য,
আমি দাবানল-দাহ, দাহন করিব বিশ্ব।
আমি উন্মন মন উদাসীর,
আমি বিধবার বুকে ক্রন্দন-শ্বাস, হা হুতাশ আমি হুতাশীর।
আমি বঞ্চিত ব্যথা পথবাসী চির গৃহহারা যত পথিকের,
আমি অবমানিতের মরম বেদনা, বিষ-জ্বালা, প্রিয় লাঞ্ছিত বুকে গতি ফের
আমি উত্তর-বায়ু মলয়-অনিল উদাস পূরবী হাওয়া,
আমি পথিক-কবির গভীর রাগিণী, বেণু-বীণে গান গাওয়া।
আমি আকুল নিদাঘ-তিয়াসা, আমি রৌদ্র-রুদ্র রবি
আমি মরু-নির্ঝর ঝর ঝর, আমি শ্যামলিমা ছায়া-ছবি!
আমি অর্ফিয়াসের বাঁশরী,
মহা- সিন্ধু উতলা ঘুমঘুম
ঘুম চুমু দিয়ে করি নিখিল বিশ্বে নিঝঝুম
মম বাঁশরীর তানে পাশরি
আমি শ্যামের হাতের বাঁশরী।
আমি রুষে উঠি যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া,
ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া!
আমি বিদ্রোহ-বাহী নিখিল অখিল ব্যাপিয়া!
আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার
নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!
আমি হল বলরাম-স্কন্ধে
আমি উপাড়ি ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব সৃষ্টির মহানন্দে।
মহা- বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত,
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না-
অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না-
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত
আমি চির-বিদ্রোহী বীর-
বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির-উন্নত শির!
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার উৎস নির্দেশ : |
|---|
| কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২) থেকে সংকলিত হয়েছে। ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা ‘বিদ্রোহী’। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শব্দার্থ ও টীকা : |
|---|
|
➠ মম- আমার। ➠ শির- মাথা। ➠ নেহারি- দেখে; প্রত্যক্ষ করে। ➠ শিখর- চূড়া; শীর্ষচূড়া। ➠ হিমাদ্রি- হিমালয় পর্বতমালা। ➠ শির নেহারি’ আমারি, নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির!- আমার শির বা মস্তক প্রত্যক্ষ করে হিমালয়ের শিখর বা শীর্ষচূড়া পর্যন্ত মাথা নত করে আছে। ➠ চিরদুর্দম- যাকে দমন করা কঠিন এমন; দুর্দান্ত। ➠ দুর্বিনীত- উদ্ধত; বিনীত নয়। ➠ নৃশংস- নিষ্ঠুর; হিংস্র। ➠ মহাপ্রলয়- সৃষ্টির ধ্বংসকাল। এই প্রলয়কালে সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্মারও আয়ুর অবসান ঘটে। ➠ নটরাজ- মহাদেবের আর এক নাম। সৃষ্টির ধ্বংসকালে ধ্বংসের এই দেবতার ভয়ঙ্কর নৃত্যময় মূর্তি। ➠ কানুন- আইন। ➠ টর্পেডো- ডুবোজাহাজ থেকে নিক্ষেপযোগ্য এক ধরনের অস্ত্র। ➠ ভীম- ভীষণ; ভয়ানক; পঞ্চ-পাণ্ডবের দ্বিতীয় পাণ্ডব, ইনি গদা নিয়ে যুদ্ধে পারঙ্গম। ➠ ধূর্জটি- শিব বা মহাদেবের অন্য নাম। জটাধারী শিবের জট ধূম্ররূপী বলে তাকে ধূর্জটি বলা হয়। ➠ এলোকেশে- যার চুল বা কেশ এলানো। এখানে অকাল বৈশাখীর ঝড়ের সঙ্গে এলানো চুলের তুলনা করা হয়েছে। ➠ আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব-বিধাত্রীর- আমি বিশ্ব বিধাতার বিদ্রোহী পুত্র। ➠ নিশাবসান- রাতের শেষ বা অবসান। ➠ ইন্দ্রানী-সুত- ইন্দ্রের স্ত্রী ইন্দ্রানী বা শচী। তার পুত্রের নাম জয়ন্ত। ➠ বেদুঈন- আরবদেশের একটি যাযাবর জাতি। ➠ চেঙ্গিস- চেঙ্গিস খান (১১৬২-১২২৭ খ্রিষ্টাব্দ)। মোঙ্গল জাতির অন্যতম যোদ্ধা ও সামরিক নেতা। ➠ কুর্নিশ- কিছুটা পিছিয়ে সম্ভ্রমপূর্ণ সালাম বা অভিবাদন। ➠ ঈশান-বিষাণে ওঙ্কার- ঈশান কোণ থেকে শিঙা থেকে ধ্বনিত ওঙ্কার বা ‘ওঁকার’ বা ‘ওঁ’ ধ্বনি। ➠ ইস্রাফিলের শিঙ্গা- পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত বিশিষ্ট ফেরেশতার নাম ইস্রাফিল। ইনি বৃষ্টি ও খাদ্য উৎপাদনে দায়িত্বপ্রাপ্ত। কিয়ামত বা প্রলয়কালে হযরত ইস্রাফিলের ব্যবহৃত শিঙ্গা। ➠ পিণাক-পাণির ডমরু ত্রিশূল- শিব বা মহাদেব পিণাক নামক ধনু ধারণ করেন বলে তার নাম পিণাক পাণি। তাঁর অন্য হাতে থাকে ডমরু নামক ডুগডুগি জাতীয় বাদ্যযন্ত্র ও ত্রিশূল। ➠ আমি চক্র ও মহাশঙ্খ- বিষ্ণু বা সুদর্শন চার হাত বিশিষ্ট। তাঁর এক একটি হাতে থাকে শঙ্খ, চক্র, গদা ও পদ্ম। এখানে বিষ্ণুর হাতের চক্র ও শঙ্খকে বোঝানো হয়েছে। ➠ প্রণব-নাদ- ওঙ্কার ধ্বনি। ➠ দুর্বাসা- ভারতীয় পুরাণের কোপন-স্বভাব বিশিষ্ট মুনি। মহর্ষি অত্রির ঔরষে ও তাঁর স্ত্রী অনসূয়ার গর্ভে দুর্বাসার জন্ম। এর কোপানলে পড়ে অনেকেই দগ্ধ হন। ➠ বিশ্বমাত্রিক- বিশিষ্ট ব্রহ্মর্ষি। ক্ষত্রিয়কুলে জন্মগ্রহণ করেও কঠোর তপস্যার ফলে তিনি ব্রাহ্মণত্ব লাভ করেন। ➠ হুতাশী- হা-হুতাশ করে যে। ➠ নিদাঘ- গ্রীষ্ম। ➠ মরু-নির্ঝর- মরুভূমির ঝরনা। ➠ অর্ফিয়াস- গ্রিক পুরাণের গানের দেবতা অ্যাপোলো ও মিউজ ক্যাল্লোপির পুত্র অর্ফিয়াস ছিলেন মহান কবি ও শিল্পী। তবে মতান্তরে ইনি থ্রেসের রাজা ইগ্রাসের সন্তান। ইনি যন্ত্রসংগীতে পারদর্শী ছিলেন। তিনি যন্ত্রসংগীতে সকলকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখতেন। ইনি সুরের ইন্দ্রজাল বিস্তার করে ভালোবাসার পাত্রী ইউরিডিসের মন জয় করেছিলেন। সুরের জাল বিস্তার করে অর্ফিয়াস মৃত ইউরিডিসের প্রাণ ফিরে পেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সামান্য ভুলের জন্য ঐ সাফল্য তাঁর অধরা থেকে যায়। ➠ তান- সুরের বিস্তার। ➠ পাশরি- ভুলে যাই; বিস্মৃত হওয়া। ➠ হাবিয়া দোজখ- সাতটি দোজখের একটি দোজখ। ➠ পরশুরাম- বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার। জমদগ্নি ও রেণুকার পঞ্চম পুত্র। অস্ত্র হিসেবে পরশু বা কুঠার ধারণ করায় তাঁর নাম হয় পরশুরাম। ইনি পিতার আদেশে কুঠার দিয়ে মাতৃহত্যা করেন। আবার সাধনাবলে মাকে বাঁচিয়ে তোলেন।পরশুরামের কঠোর কুঠার নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব- পরশুরাম একুশ বার ক্ষত্রিয়দের নিধন করেন। শ্রী কৃষ্ণের বৈমাত্রেয় জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা। ➠ হল- লাঙ্গল; বলরামের অস্ত্র। ➠ বলরাম- শ্রী কৃষ্ণের বৈমাত্রেয় জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা। ➠ খড়গ- অস্ত্রবিশেষ। বলিদানে ব্যবহৃত হয়। ➠ কৃপাণ- তলোয়ার বা তরবারি সদৃশ অস্ত্রবিশেষ। ➠ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- ভয়ানক রণক্ষেত্রে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে না। |
| একই চরিত্র বিভিন্ন নামে পরিচিত : |
|---|
|
➠ নটরাজ- শিব, উমাপতি, চন্দ্রশেখর, ত্রিশূলধারী, দেবাদিদেব, ধূর্জটি,
বিশ্বনাথ, বিশ্বপতি, মহাদেব, শঙ্কর, শিবশন্তু, হর। ➠ ইন্দ্র- অদিতিপুত্র, দেবরাজ, বাসব, মহেন্দ্র, মেঘবাহন, শচীকান্ত, সুরনাথ, সুরপতি। ➠ শচী- ইন্দ্রপত্নী, ইন্দ্রাণী, দেবেন্দ্রাণী। ➠ বিষ্ণু- কৃষ্ণ, মাধব, শ্যাম। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার পাঠ-পরিচিতি : |
|---|
|
‘বিদ্রোহী’ বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ কবিতা। রবীন্দ্রযুগে এ কবিতার মধ্য দিয়ে এক প্রাতিস্বিক কবিকণ্ঠের আত্মপ্রকাশ ঘটে- যা বাংলা কবিতার ইতিহাসে এক বিরল স্মরণীয় ঘটনা। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় আত্মজাগরণে উন্মুখ কবির সদম্ভ আত্মপ্রকাশ ঘোষিত হয়েছে। কবিতায় সগর্বে কবি নিজের বিদ্রোহী কবিসত্তার প্রকাশ ঘটিয়ে ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষের শাসকদের শাসন ক্ষমতার ভিত কাঁপিয়ে দেন। এ কবিতায় সংযুক্ত রয়েছে ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে কবির ক্ষোভ ও বিদ্রোহ। কবি সকল অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করতে গিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, ঐতিহ্য, ইতিহাস ও পুরাণের শক্তি উৎস থেকে উপকরণ উপাদান সমীকৃত করে নিজের বিদ্রোহী সত্তার অবয়ব রচনা করেন। কবিতার শেষে ধ্বনিত হয় অত্যাচারীর অত্যাচারের অবসান কাম্য। বিদ্রোহী কবি উৎকণ্ঠ ঘোষণায় জানিয়ে দেন যে, উৎপীড়িত জনতার ক্রন্দনরোল যতদিন পর্যন্ত প্রশমিত না হবে ততদিন এই বিদ্রোহী কবিসত্তা শান্ত হবে না। এই চির বিদ্রোহী অভ্রভেদী চির উন্নত শিররূপে বিরাজ করবে। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কবি পরিচিতি : |
|---|
|
কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) বাংলা কাব্যজগতের এক অনন্য শিল্পী। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি। নজরুল ১৮৯৯ সালের ২৪শে মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র আট(৮) বছর বয়সে পিতাকে হারিয়ে কবির পরিবার চরম দারিদ্র্যে পতিত হয়। ১৩১৬ বঙ্গাব্দে গ্রামের মক্তব থেকে নিম্ন প্রাইমারি পাস করে সেখানেই এক বছর শিক্ষকতা করেন নজরুল। বারো (১২) বছর বয়সে তিনি লেটোর দলে যোগ দেন এবং দলের জন্য পালাগান রচনা করেন। বস্তুত তখন থেকেই তিনি সৃষ্টিশীল সত্তার অধিকারী হয়ে ওঠেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪) শুরু হওয়ার পর ১৯১৭ সালে ৪৯ নম্বর বাঙালি পল্টনে সৈনিক হিসেবে তিনি যোগদান করেন এবং করাচিতে যান; পরে হাবিলদার পদে উন্নীত হন।
১৯২০ সালের শুরুতে বাঙালি পল্টন ভেঙে দিলে তিনি কলকাতায় আসেন এবং
পরিপূর্ণভাবে সাহিত্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন। সাপ্তাহিক ‘বিজলী’তে
‘বিদ্রোহী’ কবিতা প্রকাশিত হলে চারদিকে তাঁর কবিখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে এবং
তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি
‘লাঙল’, ‘নবযুগ’, ‘ধূমকেতু(১৯২২)’-সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার
সম্পাদনার কাজে যুক্ত ছিলেন। তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যসমূহ
‘অগ্নি-বীণা(১৯২২)’, ‘বিষের বাঁশি(১৯২৪)’, ‘সাম্যবাদী(১৯২৫)’,
‘সর্বহারা(১৯২৬)’, ‘সিন্ধু হিন্দোল()’, ‘চক্রবাক()’, ‘সন্ধ্যা(১৯২৯)’,
‘প্রলয়-শিখা(১৯৩০)’। এছাড়াও তিনি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক ও প্রবন্ধ
রচনা করেছেন। অসংখ্য সংগীতের স্রষ্টা নজরুল। দেশাত্মবোধক গান,
শ্যামাসংগীত, গজল রচনায় তাঁর জুড়ি মেলা ভার। ভারত সরকার তাঁকে
‘পদ্মভূষণ’ (১৯৬০) উপাধিতে ভূষিত করে।
‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক(১৯৪৫)’, ‘একুশে পদক(১৯৭৬)’সহ অসংখ্য
পুরস্কার ও সম্মাননায় তিনি ভূষিত হন। ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে নজরুলকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয় এবং
জাতীয় কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন : |
|---|
প্রশ্ন থেকে
অভিনন্দন!
|
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন : |
|---|
|
০১. কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার অনুধাবনমূলক প্রশ্ন : |
|---|
|
১. “যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না’- একথা বলার কারণ
কী?
২. ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’- ব্যাখ্যা করো।
৩. ‘আমি দুর্বার/ আমি ভেঙে করি সব চুরমার’- ব্যাখ্যা করো।
৪. কবি নিজেকে ‘অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল’ বলেছেন কেন?
৫. ‘আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সূত বিশ্ব-বিধাতৃর’- ব্যাখ্যা করো।
৬. কবি নিজেকে ‘অর্ফিয়াসের বাঁশরী’ বলেছেন কেন?
৭. কবি নিজেকে ‘চির-বিদ্রোহী বীর’ বলেছেন কেন?
৮. ‘আমি চেঙ্গিস’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
৯. “শির নেহারি’ আমারি, নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির” ব্যাখ্যা করো।
১০. কবি নিজেকে পৃথিবীর অভিশাপ বলেছেন কেন?
১১. কবি ‘অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খল’ কেন?
১২. কবি নিজেকে বেদুঈন বলেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
১৩. কবি নিজেকে মহাভয় বলে অভিহিত করেছেন কেন?
১৪. ‘আমি দুর্বার/ আমি ভেঙে করি সব চুরমার’- ব্যাখ্যা করো।
১৫. ‘আমি ভরা-তরী করি ভরা-ডুবি, আমি টর্পেডো, আমি ভীম ভাসমান মাইন’-
ব্যাখ্যা করো।
১৬. কবি নিজেকে ধূর্জটি বলেছেন কেন?
১৭. কবি নিজেকে ‘ইন্দ্রানী-সুত’ বলেছেন কেন?
১৮. ‘আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ’- ব্যাখ্যা করো।
১৯. ‘আমি পিণাক-পাণির ডমরু ত্রিশূল’- ব্যাখ্যা করো।
২০. কবি নিজেকে ‘ধর্মরাজের দণ্ড’- বলেছেন কেন?
২১. কবি নিজেকে ‘ক্ষ্যাপা দুর্বাসা’ বলেছেন কেন?
২২. কবি নিজেকে ‘বিশ্বামিত্র শিষ্য’ বলেছেন কেন?
২৩. ‘আমি দাবানল-দাহ, দাহন করিব বিশ্ব’– ব্যাখ্যা করো।
২৪. ‘আমি বিধবার বুকে ক্রন্দন-শ্বাস, হা-হুতাশ আমি হুতাশীর’- ব্যাখ্যা
করো।
২৫. কবি নিজেকে ‘বঞ্চিত ব্যথা’ বলেছেন কেন?
২৬. ‘আমি পথিক কবির গভীর রাগিণী, বেণু-বীণে গান গাওয়া’- ব্যাখ্যা করো।
২৭. ‘আমি রৌদ্র-রুদ্র রবি’ ব্যাখ্যা করো।
২৮. ‘আমি মরু-নির্ঝর ঝরঝর’- ব্যাখ্যা করো।
২৯. ‘আমি শ্যামলিমা ছায়াছবি’- ব্যাখ্যা করো।
৩০. ‘আমি রুষে উঠি যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া, ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ
নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া’- ব্যাখ্যা করো।
৩১. কবি নিজেকে ‘পরশুরামের কঠোর কুঠার’ বলেছেন কেন?
৩২. ‘আমি হল বলরাম স্কন্ধে’– কবি এ কথা বলেছেন কেন ?
৩৩. ‘আমি উপাড়ি ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নবসৃষ্টির মহানন্দে’- ব্যাখ্যা
করো ।
৩৪. কবি নিজেকে ‘মহা-প্রলয়ের নটরাজ’ বলেছেন কেন? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কবি কী মানেন না? |
|
ক. কবি কোনো আইন মানেন না।
গ. উদ্দীপকের সাথে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হচ্ছে বিদ্রোহী
চেতনা।
ঘ. উদ্দীপকের কবিতাংশে কেবল বিদ্রোহী চেতনার দিকটি ফুটে ওঠায় তা
‘বিদ্রোহী’ কবিতার সমগ্রভাবকে ধারণ করতে পারেনি। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কবি নিজেকে কার শিষ্য বলে ঘোষণা করেছেন? |
|
ক. কবি নিজেকে বিশ্বামিত্রের শিষ্য বলে ঘোষণা করেছেন।
গ. উদ্দীপকে আলোচ্য কবিতায় প্রকাশিত বিদ্রোহী কবির রুদ্ররূপের দিকটি
প্রকাশিত হয়েছে।
ঘ. উদ্দীপকের দুর্বাসার ধ্বংসাত্মক রূপ ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ক্ষ্যাপা
দুর্বাসার স্বরূপ উন্মোচনে সহায়ক বলেই আমি মনে করি। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কবি নিজেকে কাদের মরম বেদনা বলেছেন? |
|
ক. কবি নিজেকে অবমানিতের মরম বেদনা বলেছেন।
গ. উদ্দীপকের মহত্ত্ব ঘোষণার সঙ্গে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার দ্রোহের দিকটি
বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. উদ্দীপকের হযরত মুহাম্মদ (স.) ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কবির মধ্যে স্বভাবগত
পার্থক্য থাকলেও তাঁদের মূলচেতনা মানবকল্যােণে আবদ্ধ। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে? |
|
ক. ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ‘অগ্নি-বীণা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
গ. উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় উঠে আসা ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুনের সূচনার
বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
ঘ. উদ্দীপকের কবিতাংশটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মূলভাবকে আংশিক প্রতিফলিত করতে
পেরেছে। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. অর্ফিয়াসের পিতা এ্যাপোলো ছাড়া অন্য কে হতে পারে বলে মত পাওয়া যায়? |
|
ক. অর্ফিয়াসের পিতা এ্যাপোলো ছাড়া থ্রেসের রাজা ইগ্রাস হতে পারে বলে মত
পাওয়া যায়।
গ. উদ্দীপকে ফুটে ওঠা বিদ্রোহের বীজ অর্থাৎ প্রেমানুভূতির দিকটি কবির
বিদ্রোহের প্রেরণা হিসেবে প্রতীয়মান হওয়ার দিক থেকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার
সাথে সম্পর্কিত।
ঘ. প্রেম ও দ্রোহের সাবলীল প্রকাশ দেখে বলা যায় যে, উক্তিটি যথার্থ। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কাকে ঘৃনটি বলা হয়? |
|
ক. শিব বা মহাদেবকে ধূর্জটি বলা হয়।
গ. মূল উদ্দেশ্য অভিন্ন হলেও উদ্দীপকের কবিতাংশ ও আলোচ্য কবিতার
বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিক হলো দুজন কবি সমস্যা সমাধানে সম্পূর্ণ। ভিন্ন পথ
অবলম্বন করেছেন।
ঘ. উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রতিফলিত চেতনার মূলে রয়েছে সমাজে শান্তি
প্রতিষ্ঠা, যা ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কবির চেতনার প্রতিরূপ। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কবি নিজেকে কার মরম বেদনা বলেছেন? |
|
ক. কবি নিজেকে অবমানিতের মরম বেদনা বলেছেন।
গ. উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় প্রকাশিত দ্রোহের অন্তরালে কবির
মানবপ্রেমের দিকটি প্রকাশিত হয়েছে।
ঘ. উদ্দীপকটিতে উঠে আসা মানবপ্রেমের চেতনা ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় নিপীড়িত
মানুষের প্রতি কবির ভালোবাসার মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কাজী নজরুল ইসলাম কোথা থেকে নিম্ন প্রাইমারি পাস করেন? |
|
ক. কাজী নজরুল ইসলাম গ্রামের মক্তব থেকে নিম্ন প্রাইমারি পাশ করেন।
গ. অপশক্তির বিরুদ্ধে আপসহীন মনোভাবের দিক থেকে উদ্দীপকের সাথে
‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. প্রশ্নোত্ত উদ্ভিটিতে ফুটে ওঠা আদর্শবোধ তথা অপশক্তির কাছে মাথা নত না
করার দৃঢ়তা উদ্দীপকের ইমাম হোসেনের চরিত্রে বিশেষভাবে লক্ষ করা যায়। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ডমরু কী? |
|
ক. ‘ডমরু’ হচ্ছে ডুগডুগি জাতীয় একপ্রকার বাদ্যযন্ত্র।
গ. উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় প্রকাশিত কবির দৃঢ়চেতা মনোভাব এবং
মানবপ্রেমের দিকটি প্রকাশিত হয়েছে।
ঘ. জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানবকল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়ার দিক থেকে উদ্দীপকের
আরাফকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কবির মানসপুত্র বলা যায়। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কবিকে রুষে উঠতে দেখে কী ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে নিভে যায়? |
|
ক. কবিকে রুষে উঠতে দেখে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে নিভে
যায়।
গ. উদ্দীপক (i)-এ ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ফুটে ওঠা দিকটি হলো লক্ষ্য অর্জিত না
হওয়া পর্যন্ত প্রাণপণ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা।
ঘ. সর্বাবস্থায় স্বীয় আদর্শ ও চেতনাবোধে স্থির থাকা এবং অন্যায় শক্তির
কাছে মাথা নত না করার দিক থেকে প্রশ্নোত্ত উক্তিটিকে যথার্থ বলে মনে করা
যায়। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘কানুন’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘কানুন’ শব্দের অর্থ আইন, নিয়ম বা বিধিব্যবস্থা।
গ. উদ্দীপকটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার অত্যাচারীর অত্যাচারের অবসান হওয়ার দিকটি
নির্দেশ করছে।
ঘ. অত্যাচারীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম পরিচালনার দিক থেকে সাদৃশ্য সত্ত্বেও
কবিতায় আরও বেশকিছু বিষয় বিদ্যমান থাকায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি
যৌক্তিক। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘পাশরি’ শব্দের অর্থ কী? |
|
ক. ‘পাশরি’ শব্দের অর্থ ভুলে যাই।
গ. নিরন্তর বিদ্রোহ প্রকাশের দিক থেকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সঙ্গে উদ্দীপকের
সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. নিরন্তর বিদ্রোহ ঘোষণা করার দিক বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপক ও
‘বিদ্রোহী’ কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. বলামের অস্ত্রটির নাম কী? |
|
ক. বলরামের অস্ত্রটির নাম হলো হলো।
গ. উদ্দীপকের কলম এবং বিদ্রোহী কবিতায় প্রতিফলিত চেতনার মধ্যে বৈসাদৃশ্য
রয়েছে।
ঘ. “উদ্দীপকের কলমের মতো কারো দাসত্ব, অধীনতা স্বীকার করতে 'বিদ্রোহী'
কবিতার কবি রাজি নন”- মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থে দ্বিতীয় কবিতার নাম কী? |
|
ক. অগ্নি-বীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতার নাম হলো বিদ্রোহী।
গ. সত্যের পথে বিচরণ করার দিক থেকে উদ্দীপকের ‘আমি’ এবং ‘বিদ্রোহী’
কবিতার কবির মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. “উদ্দীপকটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মর্মবাণী আমাদের সামনে মূর্ত করে তোলে”-
মন্তব্যটি যথার্থ। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘নিশাবসান’ শব্দটির অর্থ কী? |
|
ক. ‘নিশাবসান’ শব্দটির অর্থ হলা
রাতের অবসান। গ. ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় প্রকাশিত কবির বিদ্রোহী চেতনার দিকটি ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ করো। |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘নিদাঘ’ শব্দের অর্থ কী? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৭: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘নিদাঘ’ শব্দটির অর্থ কী? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৮: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কবি কী মানেন না? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ১৯: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. অর্ফিয়াসের ভালোবাসার পাত্রীর নাম কী ছিল? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২০: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. নজরুল কত সালে ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২১: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘নতশির’ অর্থ কী? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২২: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. কবি কী মানেন না? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২৩: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘কানুন’ শব্দের অর্থ কী? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২৪: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক. ‘পাশরি' শব্দের অর্থ কী? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২৫: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক.‘কৃপাণ’ কী? |
| ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন- ২৬: |
|---|
|
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ক.‘বিদ্রোহ’ কবিতার কবিকে রুষে উঠতে দেখে কী ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে নিভে
যায়? |
| তথ্যসূত্র : |
|---|
|
১. সাহিত্য পাঠ: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ড, ঢাকা, ২০২৫। ২. আধুনিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, এপ্রিল, ২০১৮। ৩. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান: বাংলা একাডেমি, ১৮তম, ২০১৫। |
